আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে এবং এই সত্য এখন আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। গতকাল বুধবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনিই প্রথম কোনো মার্কিন সিনেটর, যিনি এ কথা বললেন।
এর আগে গত বছর আয়ারল্যান্ডে এক অনুষ্ঠানে বার্নি স্যান্ডার্স যখন বক্তৃতা দিছিলেন, যখন ফিলিস্তিনপন্থীরা ‘গণহত্যা গণহত্যা’ বলে স্লোগান দিচ্ছিল। বার্নি জানান, ওই ঘটনাটি তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছিল।
গত সোমবার, স্বাধীন তদন্ত শেষে জাতিসংঘও বলেছে, গাজায় ইসরায়েল গণহত্যাই চালিয়েছে। আর জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনের সঙ্গে পুরোপুরি একমত বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন বার্নি স্যান্ডার্স। ‘ইট ইজ জেনোসাইড। দ্য ইনটেনশন ইজ ক্লিয়ার’ শিরোনামের ওই বিবৃতিতে বার্নি আরও বলেন, দুই বছরে ইসরায়েল শুধু হামাসের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার লড়াই চালায়নি, বরং পুরো ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধেই সর্বাত্মক যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে গাজায় হতাহতের সংখ্যা উল্লেখ করেছেন বার্নি। তিনি বলেন, উপত্যকাটির ২২ লাখ বাসিন্দার ৬৫ হাজারই নিহত হয়েছে দুই বছর ধরে চলা ইসরায়েলি হামলায়, আহত হয়েছে আরও ১ লাখ ৬৪ হাজার। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ডেটাবেজ অনুযায়ী, নিহতদের ৮৩ শতাংশই বেসামরিক নাগরিক। গাজা প্রশ্নে ইসরায়েল কতটা নৃশংস, তা প্রমাণে ইসরায়েলি নেতাদের বক্তব্যও পেশ করেন তিনি। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত ফিলিস্তিনিদের ‘পশু’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচ শপথ করেছেন, ‘গাজাকে পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার ছিল অবশ্যই। কিন্তু ইসরায়েল একে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে গাজার নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করছে। তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনের ওপর চলমান আগ্রাসনে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আর অভিযুক্ত হতে থাকতে পারে না। আমাদের একে গণহত্যা বলে স্বীকার করে, নিজেদের সব শক্তি দিয়ে কূটনৈতিকভাবে এই যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করা উচিত। পাশাপাশি তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে দ্রুত ও ব্যাপক মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য নিজস্ব রাষ্ট্র গঠনের প্রথম ধাপগুলো নিশ্চিত করার লক্ষে কাজ করা উচিত।’
বার্নি স্যান্ডার্সের আগে প্রতিনিধি পরিষদের কয়েকজন সদস্যও গাজায় চলমান অভিযানকে গণহত্যা বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তাঁরা হলেন ডেমোক্র্যাট আলেকান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ ও রাশিদা তালিব, রিপাবলিকান মার্জোরি টেইলর গ্রিন এবং ভেরমন্টের কংগ্রেস সচিব বেকা বালিন্ট।

ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে এবং এই সত্য এখন আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। গতকাল বুধবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনিই প্রথম কোনো মার্কিন সিনেটর, যিনি এ কথা বললেন।
এর আগে গত বছর আয়ারল্যান্ডে এক অনুষ্ঠানে বার্নি স্যান্ডার্স যখন বক্তৃতা দিছিলেন, যখন ফিলিস্তিনপন্থীরা ‘গণহত্যা গণহত্যা’ বলে স্লোগান দিচ্ছিল। বার্নি জানান, ওই ঘটনাটি তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছিল।
গত সোমবার, স্বাধীন তদন্ত শেষে জাতিসংঘও বলেছে, গাজায় ইসরায়েল গণহত্যাই চালিয়েছে। আর জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনের সঙ্গে পুরোপুরি একমত বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন বার্নি স্যান্ডার্স। ‘ইট ইজ জেনোসাইড। দ্য ইনটেনশন ইজ ক্লিয়ার’ শিরোনামের ওই বিবৃতিতে বার্নি আরও বলেন, দুই বছরে ইসরায়েল শুধু হামাসের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার লড়াই চালায়নি, বরং পুরো ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধেই সর্বাত্মক যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে গাজায় হতাহতের সংখ্যা উল্লেখ করেছেন বার্নি। তিনি বলেন, উপত্যকাটির ২২ লাখ বাসিন্দার ৬৫ হাজারই নিহত হয়েছে দুই বছর ধরে চলা ইসরায়েলি হামলায়, আহত হয়েছে আরও ১ লাখ ৬৪ হাজার। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ডেটাবেজ অনুযায়ী, নিহতদের ৮৩ শতাংশই বেসামরিক নাগরিক। গাজা প্রশ্নে ইসরায়েল কতটা নৃশংস, তা প্রমাণে ইসরায়েলি নেতাদের বক্তব্যও পেশ করেন তিনি। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত ফিলিস্তিনিদের ‘পশু’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচ শপথ করেছেন, ‘গাজাকে পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার ছিল অবশ্যই। কিন্তু ইসরায়েল একে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে গাজার নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করছে। তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনের ওপর চলমান আগ্রাসনে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আর অভিযুক্ত হতে থাকতে পারে না। আমাদের একে গণহত্যা বলে স্বীকার করে, নিজেদের সব শক্তি দিয়ে কূটনৈতিকভাবে এই যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করা উচিত। পাশাপাশি তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে দ্রুত ও ব্যাপক মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য নিজস্ব রাষ্ট্র গঠনের প্রথম ধাপগুলো নিশ্চিত করার লক্ষে কাজ করা উচিত।’
বার্নি স্যান্ডার্সের আগে প্রতিনিধি পরিষদের কয়েকজন সদস্যও গাজায় চলমান অভিযানকে গণহত্যা বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তাঁরা হলেন ডেমোক্র্যাট আলেকান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ ও রাশিদা তালিব, রিপাবলিকান মার্জোরি টেইলর গ্রিন এবং ভেরমন্টের কংগ্রেস সচিব বেকা বালিন্ট।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
২ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৩ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে