
টানা কয়েক দিনের তুষারঝড়ে স্থবির যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলের জনজীবন। কিছু কিছু এলাকার পরিস্থিতি ভয়াবহ। দেশটিতে তুষারঝড়ে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ জনে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, তুষারঝড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নিউইয়র্কের বাফেলো শহর। সেখানে অন্তত ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে শহরটির এরি কাউন্টিতে।
এরি কাউন্টির নির্বাহী মার্ক পোলানকার্জ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তুষারঝড়ের কারণে। এখনো স্বাভাবিক হয়নি যোগাযোগব্যবস্থা। অসংখ্য ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় পরিবারের সঙ্গে বড়দিন উদ্যাপনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে অনেক মানুষ।
অনেক অঙ্গরাজ্যেই রাস্তায় পুরু তুষারের আস্তরণ জমেছে। এতে সড়কে আটকা পড়েছে বহু যানবাহন। ফলে যোগাযোগ ও পরিবহনব্যবস্থা বিপর্যস্ত। এ ছাড়া তুষারঝড়ের কারণে বাতিল করতে হয়েছে কয়েক হাজার ফ্লাইট। কেবল মঙ্গলবারই প্রায় ৫ হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হয়। ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিষেবাও। বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আড়াই লাখের বেশি গ্রাহক।
অনেক এলাকায় তাপমাত্রা নেমে গেছে হিমাঙ্কের অনেক নিচে। কোথাও কোথাও আট ফুট পর্যন্ত তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে যতটা সম্ভব বাড়ির ভেতরে থাকতে হবে বাসিন্দাদের। তীব্র ঠান্ডায় বাইরে বের হলে অসুস্থ, এমনকি প্রাণহানির সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়ার এই পরিস্থিতির মধ্যে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে দেশটির বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। কখনো গাড়ির ভেতর থেকে, কখনো তুষারের আস্তরণের নিচ থেকে মিলছে মৃতদেহ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও কয়েক ইঞ্চি তুষারপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন আবহাওয়া অফিস।
এদিকে কানাডার অন্টারিও, কুইবেক ও ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশে তুষারঝড়ে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। এখন পর্যন্ত অন্তত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎবিহীন আছে লাখো মানুষ।

টানা কয়েক দিনের তুষারঝড়ে স্থবির যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলের জনজীবন। কিছু কিছু এলাকার পরিস্থিতি ভয়াবহ। দেশটিতে তুষারঝড়ে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ জনে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, তুষারঝড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নিউইয়র্কের বাফেলো শহর। সেখানে অন্তত ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে শহরটির এরি কাউন্টিতে।
এরি কাউন্টির নির্বাহী মার্ক পোলানকার্জ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তুষারঝড়ের কারণে। এখনো স্বাভাবিক হয়নি যোগাযোগব্যবস্থা। অসংখ্য ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় পরিবারের সঙ্গে বড়দিন উদ্যাপনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে অনেক মানুষ।
অনেক অঙ্গরাজ্যেই রাস্তায় পুরু তুষারের আস্তরণ জমেছে। এতে সড়কে আটকা পড়েছে বহু যানবাহন। ফলে যোগাযোগ ও পরিবহনব্যবস্থা বিপর্যস্ত। এ ছাড়া তুষারঝড়ের কারণে বাতিল করতে হয়েছে কয়েক হাজার ফ্লাইট। কেবল মঙ্গলবারই প্রায় ৫ হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হয়। ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিষেবাও। বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আড়াই লাখের বেশি গ্রাহক।
অনেক এলাকায় তাপমাত্রা নেমে গেছে হিমাঙ্কের অনেক নিচে। কোথাও কোথাও আট ফুট পর্যন্ত তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে যতটা সম্ভব বাড়ির ভেতরে থাকতে হবে বাসিন্দাদের। তীব্র ঠান্ডায় বাইরে বের হলে অসুস্থ, এমনকি প্রাণহানির সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়ার এই পরিস্থিতির মধ্যে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে দেশটির বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। কখনো গাড়ির ভেতর থেকে, কখনো তুষারের আস্তরণের নিচ থেকে মিলছে মৃতদেহ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও কয়েক ইঞ্চি তুষারপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন আবহাওয়া অফিস।
এদিকে কানাডার অন্টারিও, কুইবেক ও ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশে তুষারঝড়ে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। এখন পর্যন্ত অন্তত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎবিহীন আছে লাখো মানুষ।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৬ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৬ ঘণ্টা আগে