
ঢাকা: বিতর্ক যেন ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনকে পেয়ে বসেছে! গাড়ি চালকদের ‘বোতলে প্রস্রাব করতে বাধ্য করায়’ চলতি বছরের শুরুতেই ক্ষমা চেয়েছে আমাজন। এবার আঙুল উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির ওয়্যারহাউস কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে।
শ্রমিক ইউনিয়ন সমর্থিত স্ট্র্যাটেজিক অরগানাইজিং সেন্টারের (এসওসি) জরিপের বরাত দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমাজনের ৫ দশমিক ৯ শতাংশ শ্রমিক গুরুতর আহত হন। যা একই ধরনের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি। চালকদের মতো ওয়্যারহাউসের কর্মচারীদেরও টয়লেট চেপে রাখতে বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে। যদিও আমাজন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
শ্রমিকদের সুরক্ষা নিয়ে এটি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সর্বসাম্প্রতিক অভিযোগ। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেবা পৌঁছে দেওয়ার তাড়া থাকার কারণেই এমনটি ঘটছে বলে জরিপ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। করোনাকালেও প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীদের ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই কাজ করতে হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। কিন্তু আমাজন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এসওসির জরিপে ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মার্কিন পেশাগত সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্য প্রশাসনের করা প্রতিবেদনের উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, শুধু সংখ্যা নয়, আমাজন ওয়্যারহাউসের শ্রমিকেরা অন্য প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের তুলনায় গুরুতরভাবে আহত হন। এখানে জখমের কারণে কর্মীরা গড়ে ৪৬ দশমিক ৩ দিন অনুপস্থিত থাকেন। যা সাধারণ গড়ের তুলনায় এক সপ্তাহ বেশি।
তুলনামূলক ডাটা বিশ্লেষণ করে আরও দেখা গেছে, বৃহত্তম খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্টের তুলনায় আমাজনে শ্রমিক আহতের ঘটনা দ্বিগুণের চেয়েও বেশি। এ সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করে ওয়াশিংটন পোস্ট আমাজনের পরিস্থিতিকে ‘কর্মক্ষেত্রে জখমের মহামারি’ বলে অভিহিত করেছে।
অন্যদিকে, সম্প্রতি আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস শেয়ারহোল্ডারদের এক চিঠিতে বলেছেন, কর্মক্ষেত্রের জখম কমাতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এক বিবৃতিতে আমাজন জানিয়েছে, গত বছর কর্মপরিবেশের সুরক্ষার জন্য ১০০ কোটির ডলারের বেশি অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। সুরক্ষা বাহিনীতেও বাড়ানো হয়েছে ৬ হাজার ২০০ জনেরও বেশি লোকবল।
আমাজনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘যখন কোনো ঘটনা এক বা একাধিকবার ঘটে তখন আমরা সেটি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করি, সমাধানের চেষ্টা করি। কর্মক্ষেত্রগুলোতে নির্দেশনা মেনে চলা, যান্ত্রিক সহায়তা, কর্মক্ষেত্রের সেটআপ এবং রক্ষণাবেক্ষণের চেষ্টা করি।’
এ বিষয়ে প্রযুক্তি নিউজ সাইট মাদারবোর্ড গত সপ্তাহে ‘ওয়ার্কিং ওয়েল’ শীর্ষক একটি প্যামফ্লেট প্রকাশ করেছে। আমাজন ওয়্যারহাউসের প্যামফ্লেটটিতে যেসব নির্দেশনা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তাতে শ্রমিকদের নিজেকে ‘শিল্পের ক্রীড়াবিদ’ বলে ভাবা উচিত বলে মন্তব্য করেছে মাদারবোর্ড। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কিছু কর্মীকে ওয়্যারহাউসে দৈনিক ১৩ মাইল হাঁটতে হয়। এক শিফটে একজন শ্রমিককে মোট ৯ হাজার ৭২ কেজি ওজন তুলতে।
প্যামফ্লেটে টুলসা ওয়্যারহাউসের কিছু বিষয় উল্লেখ করেছে মাদারবোর্ড। এই ওয়্যারহাউসে কর্মীদের সুস্থ থাকার কিছু টিপস দেওয়া হয়। সাপ্তাহিক ছুটির দিনের ব্যায়াম করা এবং কাজ করার সময় ঘণ্টায় ৪০০ ক্যালরি খরচ করার সক্ষমতা অর্জন করতে ভালো ডায়েট করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ছাড়া বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করার কারণে পা ফুলে যায়। ফোলা পায়ের সঙ্গে ফিট হয় এমন জুতা কেনারও পরামর্শ দিয়েছে টুলসা ওয়্যারহাউস।
অবশ্য পরে আমাজনের পক্ষ থেকে মাদারবোর্ডকে বলা হয়, প্যামফ্লেটটি ভুলক্রমে তৈরি হয়েছিল, পরে সেটি মুছে ফেলা হয়েছে। যদিও যে কর্মী সেটি মাদারবোর্ডকে সরবরাহ করেছিলেন তিনি দাবি করেছেন, সেটি কয়ে কমাস ধরে ওয়েবসাইটে ছিল।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে কর্মীদের গাঁজা সেবন সম্পর্কিত কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে আমাজন। কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাদক পরীক্ষার কর্মসূচি থেকে গাঁজা সেবন পরীক্ষা বাদ দেওয়া হবে। সরকারের পরিবহন বিভাগের বিধি অনুযায়ী গাঁজা সেবনকে সাধারণ অ্যালকোহল সেবন হিসেবেই গণ্য করা হবে।

ঢাকা: বিতর্ক যেন ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনকে পেয়ে বসেছে! গাড়ি চালকদের ‘বোতলে প্রস্রাব করতে বাধ্য করায়’ চলতি বছরের শুরুতেই ক্ষমা চেয়েছে আমাজন। এবার আঙুল উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির ওয়্যারহাউস কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে।
শ্রমিক ইউনিয়ন সমর্থিত স্ট্র্যাটেজিক অরগানাইজিং সেন্টারের (এসওসি) জরিপের বরাত দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমাজনের ৫ দশমিক ৯ শতাংশ শ্রমিক গুরুতর আহত হন। যা একই ধরনের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি। চালকদের মতো ওয়্যারহাউসের কর্মচারীদেরও টয়লেট চেপে রাখতে বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে। যদিও আমাজন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
শ্রমিকদের সুরক্ষা নিয়ে এটি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সর্বসাম্প্রতিক অভিযোগ। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেবা পৌঁছে দেওয়ার তাড়া থাকার কারণেই এমনটি ঘটছে বলে জরিপ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। করোনাকালেও প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীদের ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই কাজ করতে হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। কিন্তু আমাজন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এসওসির জরিপে ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মার্কিন পেশাগত সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্য প্রশাসনের করা প্রতিবেদনের উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, শুধু সংখ্যা নয়, আমাজন ওয়্যারহাউসের শ্রমিকেরা অন্য প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের তুলনায় গুরুতরভাবে আহত হন। এখানে জখমের কারণে কর্মীরা গড়ে ৪৬ দশমিক ৩ দিন অনুপস্থিত থাকেন। যা সাধারণ গড়ের তুলনায় এক সপ্তাহ বেশি।
তুলনামূলক ডাটা বিশ্লেষণ করে আরও দেখা গেছে, বৃহত্তম খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্টের তুলনায় আমাজনে শ্রমিক আহতের ঘটনা দ্বিগুণের চেয়েও বেশি। এ সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করে ওয়াশিংটন পোস্ট আমাজনের পরিস্থিতিকে ‘কর্মক্ষেত্রে জখমের মহামারি’ বলে অভিহিত করেছে।
অন্যদিকে, সম্প্রতি আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস শেয়ারহোল্ডারদের এক চিঠিতে বলেছেন, কর্মক্ষেত্রের জখম কমাতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এক বিবৃতিতে আমাজন জানিয়েছে, গত বছর কর্মপরিবেশের সুরক্ষার জন্য ১০০ কোটির ডলারের বেশি অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। সুরক্ষা বাহিনীতেও বাড়ানো হয়েছে ৬ হাজার ২০০ জনেরও বেশি লোকবল।
আমাজনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘যখন কোনো ঘটনা এক বা একাধিকবার ঘটে তখন আমরা সেটি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করি, সমাধানের চেষ্টা করি। কর্মক্ষেত্রগুলোতে নির্দেশনা মেনে চলা, যান্ত্রিক সহায়তা, কর্মক্ষেত্রের সেটআপ এবং রক্ষণাবেক্ষণের চেষ্টা করি।’
এ বিষয়ে প্রযুক্তি নিউজ সাইট মাদারবোর্ড গত সপ্তাহে ‘ওয়ার্কিং ওয়েল’ শীর্ষক একটি প্যামফ্লেট প্রকাশ করেছে। আমাজন ওয়্যারহাউসের প্যামফ্লেটটিতে যেসব নির্দেশনা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তাতে শ্রমিকদের নিজেকে ‘শিল্পের ক্রীড়াবিদ’ বলে ভাবা উচিত বলে মন্তব্য করেছে মাদারবোর্ড। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কিছু কর্মীকে ওয়্যারহাউসে দৈনিক ১৩ মাইল হাঁটতে হয়। এক শিফটে একজন শ্রমিককে মোট ৯ হাজার ৭২ কেজি ওজন তুলতে।
প্যামফ্লেটে টুলসা ওয়্যারহাউসের কিছু বিষয় উল্লেখ করেছে মাদারবোর্ড। এই ওয়্যারহাউসে কর্মীদের সুস্থ থাকার কিছু টিপস দেওয়া হয়। সাপ্তাহিক ছুটির দিনের ব্যায়াম করা এবং কাজ করার সময় ঘণ্টায় ৪০০ ক্যালরি খরচ করার সক্ষমতা অর্জন করতে ভালো ডায়েট করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ছাড়া বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করার কারণে পা ফুলে যায়। ফোলা পায়ের সঙ্গে ফিট হয় এমন জুতা কেনারও পরামর্শ দিয়েছে টুলসা ওয়্যারহাউস।
অবশ্য পরে আমাজনের পক্ষ থেকে মাদারবোর্ডকে বলা হয়, প্যামফ্লেটটি ভুলক্রমে তৈরি হয়েছিল, পরে সেটি মুছে ফেলা হয়েছে। যদিও যে কর্মী সেটি মাদারবোর্ডকে সরবরাহ করেছিলেন তিনি দাবি করেছেন, সেটি কয়ে কমাস ধরে ওয়েবসাইটে ছিল।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে কর্মীদের গাঁজা সেবন সম্পর্কিত কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে আমাজন। কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাদক পরীক্ষার কর্মসূচি থেকে গাঁজা সেবন পরীক্ষা বাদ দেওয়া হবে। সরকারের পরিবহন বিভাগের বিধি অনুযায়ী গাঁজা সেবনকে সাধারণ অ্যালকোহল সেবন হিসেবেই গণ্য করা হবে।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৪ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে