
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা কমলা হ্যারিস ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তিনি অতীতে একাধিকবার নিজের হিন্দু পরিচয় নিয়ে কথা বলেছেন। তবে, তিনি নামে হিন্দু হলেও কাজে-কর্মে তার প্রমাণ পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রেরই এক হিন্দু নেতা। শলভ কুমার নামে ওই নেতা অভিযোগ করেছেন, কমলা হ্যারিস ও তাঁর নীতি ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শলভ কুমার যুক্তরাষ্ট্রের হিন্দুদের সংগঠন রিপাবলিকান হিন্দু কোয়ালিশনের নেতা। তিনি বলেছেন, কমলা হিন্দু অতীত ও ভারতীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার পরও তাঁর নীতি ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে।
ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শলভ কুমার বলেন, হ্যারিস ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে ‘স্বাধীন কাশ্মীর’ সমর্থন করেন। এ সময় শলভ কুমার কমলা হ্যারিসের নির্বাচনী প্রচারণা দলের কিছু সদস্যকে নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই বলে যে তাঁরা পাকিস্তানপন্থী। তিনি বলেন, ‘কমলা হ্যারিস কেবল নামেই হিন্দু, কিন্তু তাঁর কার্যকলাপ ও নীতিমালা ভারতবিরোধী। তিনি স্বাধীন কাশ্মীর চান। তাঁর প্রচারণা দলে পাঁচ-সাতজন পাকিস্তানপন্থী আছে।’
শলভ কুমার হ্যারিসের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘পাকিস্তান বর্তমানে চীনের সঙ্গে জোট বাঁধছে এবং এটি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।’ তিনি সতর্ক করে বলেন, চীন পাকিস্তানকে ‘প্রক্সি’ হিসেবে ব্যবহার করে ভারতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে।
রিপাবলিকান হিন্দু কোয়ালিশনের এই নেতা আরও বলেন, ‘ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা দুটি দেশের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রত্যাশা করছি। ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী মোদির মধ্যে বন্ধুত্ব আছে, তাই আগামী চার বছর ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির আমলে ভারত চমৎকার সময় কাটাবে।’
শলভ কুমার কমলার কাশ্মীর বিষয়ে অবস্থানের সমালোচনা করে বলেন, তাঁর ‘তথাকথিত সংখ্যালঘু’ বিষয়ের ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার কারণে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে। তিনি মন্তব্য করেন, ‘বাইডেন ও হ্যারিস হিন্দুদের সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং উগ্র ইসলামকে সংখ্যালঘু হিসেবে দেখেন, কিন্তু দেশটি বাংলাদেশ ও কানাডায় হিন্দুদের ওপর সংঘটিত সহিংসতাকে উপেক্ষা করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কমলা হ্যারিসের কাশ্মীর নিয়ে মৌলিক কিছু মতামত আছে এবং তাই ভারতকে সজাগ থাকতে হবে। তাঁরা প্রতিবার সুযোগ পেলেই তথাকথিত সংখ্যালঘু, তথাকথিত মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিষয়টি উত্থাপন করবেন। জো বাইডেন যতবারই সুযোগ পাবেন এবং কমলা যতবারই সুযোগ পাবেন, আগের থেকেও বেশি করে এই বিষয়গুলো উত্থাপন করবেন।’
বাংলাদেশ প্রসঙ্গ টেনে এই হিন্দু নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশে কী ঘটছে, সেটা ভুলে যান। কানাডায় হিন্দুদের বিরুদ্ধে কী ঘটছে, সেটাও ভুলে যান। তাদের কাছে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ আর উগ্র ইসলামপন্থীরা সংখ্যালঘু...ট্রাম্পের ভারতীয় হিন্দুদের প্রতি অবস্থান খুবই স্পষ্ট। ২০১৬ সালে নিউ জার্সির সমাবেশে ১৫ অক্টোবর যোগ দেওয়ার পর থেকেই সেটা স্পষ্ট হয়ে গেছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা কমলা হ্যারিস ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তিনি অতীতে একাধিকবার নিজের হিন্দু পরিচয় নিয়ে কথা বলেছেন। তবে, তিনি নামে হিন্দু হলেও কাজে-কর্মে তার প্রমাণ পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রেরই এক হিন্দু নেতা। শলভ কুমার নামে ওই নেতা অভিযোগ করেছেন, কমলা হ্যারিস ও তাঁর নীতি ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শলভ কুমার যুক্তরাষ্ট্রের হিন্দুদের সংগঠন রিপাবলিকান হিন্দু কোয়ালিশনের নেতা। তিনি বলেছেন, কমলা হিন্দু অতীত ও ভারতীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার পরও তাঁর নীতি ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে।
ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শলভ কুমার বলেন, হ্যারিস ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে ‘স্বাধীন কাশ্মীর’ সমর্থন করেন। এ সময় শলভ কুমার কমলা হ্যারিসের নির্বাচনী প্রচারণা দলের কিছু সদস্যকে নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই বলে যে তাঁরা পাকিস্তানপন্থী। তিনি বলেন, ‘কমলা হ্যারিস কেবল নামেই হিন্দু, কিন্তু তাঁর কার্যকলাপ ও নীতিমালা ভারতবিরোধী। তিনি স্বাধীন কাশ্মীর চান। তাঁর প্রচারণা দলে পাঁচ-সাতজন পাকিস্তানপন্থী আছে।’
শলভ কুমার হ্যারিসের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘পাকিস্তান বর্তমানে চীনের সঙ্গে জোট বাঁধছে এবং এটি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।’ তিনি সতর্ক করে বলেন, চীন পাকিস্তানকে ‘প্রক্সি’ হিসেবে ব্যবহার করে ভারতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে।
রিপাবলিকান হিন্দু কোয়ালিশনের এই নেতা আরও বলেন, ‘ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা দুটি দেশের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রত্যাশা করছি। ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী মোদির মধ্যে বন্ধুত্ব আছে, তাই আগামী চার বছর ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির আমলে ভারত চমৎকার সময় কাটাবে।’
শলভ কুমার কমলার কাশ্মীর বিষয়ে অবস্থানের সমালোচনা করে বলেন, তাঁর ‘তথাকথিত সংখ্যালঘু’ বিষয়ের ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার কারণে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে। তিনি মন্তব্য করেন, ‘বাইডেন ও হ্যারিস হিন্দুদের সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং উগ্র ইসলামকে সংখ্যালঘু হিসেবে দেখেন, কিন্তু দেশটি বাংলাদেশ ও কানাডায় হিন্দুদের ওপর সংঘটিত সহিংসতাকে উপেক্ষা করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কমলা হ্যারিসের কাশ্মীর নিয়ে মৌলিক কিছু মতামত আছে এবং তাই ভারতকে সজাগ থাকতে হবে। তাঁরা প্রতিবার সুযোগ পেলেই তথাকথিত সংখ্যালঘু, তথাকথিত মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিষয়টি উত্থাপন করবেন। জো বাইডেন যতবারই সুযোগ পাবেন এবং কমলা যতবারই সুযোগ পাবেন, আগের থেকেও বেশি করে এই বিষয়গুলো উত্থাপন করবেন।’
বাংলাদেশ প্রসঙ্গ টেনে এই হিন্দু নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশে কী ঘটছে, সেটা ভুলে যান। কানাডায় হিন্দুদের বিরুদ্ধে কী ঘটছে, সেটাও ভুলে যান। তাদের কাছে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ আর উগ্র ইসলামপন্থীরা সংখ্যালঘু...ট্রাম্পের ভারতীয় হিন্দুদের প্রতি অবস্থান খুবই স্পষ্ট। ২০১৬ সালে নিউ জার্সির সমাবেশে ১৫ অক্টোবর যোগ দেওয়ার পর থেকেই সেটা স্পষ্ট হয়ে গেছে।’

পাকিস্তান এবং চীনের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি জেএফ-১৭ থান্ডার ব্লক যুদ্ধবিমান সংগ্রহে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরাক। দুই দেশের বিমানবাহিনী প্রধানদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর গতকাল শনিবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা এ তথ্য জানায়। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির...
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানে সম্ভাব্য নতুন সামরিক হামলার বিভিন্ন বিকল্প সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়েছে; এমনটি জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনে তেহরানের তথাকথিত কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি বাস্তবায়ন...
২ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব ও পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের মধ্যকার পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে সক্রিয় তদবির চালাচ্ছে তুরস্ক। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সামরিক জোট গড়ে উঠতে পারে এমন এক সময়ে, যখন উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে দুই সপ্তাহ ধরে চলা গণবিক্ষোভের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মোভাহেদি আজাদ সতর্ক করে দিয়েছেন, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী যে কাউকে ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সেই অনুসারে শাস্তি দেওয়া হবে। ইরানি আইন অনুযায়ী যে অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
৩ ঘণ্টা আগে