
ঢাকা: চলতি মাসেই বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন সফটওয়্যার জায়ান্ট বিল গেটস এবং তাঁর স্ত্রী মেলিন্ডা। তখন দুজনই বলেছিলেন, তাদের দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে এই বিচ্ছেদের কোনো প্রভাব পড়বে না।
তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিভোর্সের ঘোষণা দেওয়ার এক মাস না পেরোতেই ফাউন্ডেশনের কাঠামোতে পরিবর্তন আনার বিষয়ে আলোচনা করছেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস।
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফাউন্ডেশনের জন্য একটি নতুন পর্ষদ গঠন ও সেখানে বাইরের পরিচালক অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বিল এবং মেলিন্ডা আলোচনা করছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মূলত মেলিন্ডাই এই আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছেন। বিচ্ছেদের পরও যাতে ফাউন্ডেশনের কাজের গতি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে সে উদ্দেশ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে তোলা বিশ্বের বৃহত্তম দাতব্য সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। ২৭ বছর আগে বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস দম্পতি গড়ে তোলেন সংস্থাটি।
জানা গেছে, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন ট্রাস্টি হিসেবে বর্তমানে তিনজন রয়েছেন। তাঁরা হলেন-বিল গেটস, মেলিন্ডা গেটস এবং মার্কিন বিলিয়নেয়ার বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেট। বাফেট গত ১৫ বছরে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে ২৭ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছেন।
গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক সুজমান বলেছেন, কর্মীদের সঙ্গে দাতা সংস্থার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক নিশ্চিতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতিতে সুজমান বলেন, বিল, মেলিন্ডা এবং ওয়ারেনের সঙ্গে আমি আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে আলোচনায় এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।

ঢাকা: চলতি মাসেই বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন সফটওয়্যার জায়ান্ট বিল গেটস এবং তাঁর স্ত্রী মেলিন্ডা। তখন দুজনই বলেছিলেন, তাদের দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে এই বিচ্ছেদের কোনো প্রভাব পড়বে না।
তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিভোর্সের ঘোষণা দেওয়ার এক মাস না পেরোতেই ফাউন্ডেশনের কাঠামোতে পরিবর্তন আনার বিষয়ে আলোচনা করছেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস।
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফাউন্ডেশনের জন্য একটি নতুন পর্ষদ গঠন ও সেখানে বাইরের পরিচালক অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বিল এবং মেলিন্ডা আলোচনা করছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মূলত মেলিন্ডাই এই আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছেন। বিচ্ছেদের পরও যাতে ফাউন্ডেশনের কাজের গতি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে সে উদ্দেশ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে তোলা বিশ্বের বৃহত্তম দাতব্য সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। ২৭ বছর আগে বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস দম্পতি গড়ে তোলেন সংস্থাটি।
জানা গেছে, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন ট্রাস্টি হিসেবে বর্তমানে তিনজন রয়েছেন। তাঁরা হলেন-বিল গেটস, মেলিন্ডা গেটস এবং মার্কিন বিলিয়নেয়ার বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেট। বাফেট গত ১৫ বছরে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে ২৭ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছেন।
গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক সুজমান বলেছেন, কর্মীদের সঙ্গে দাতা সংস্থার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক নিশ্চিতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতিতে সুজমান বলেন, বিল, মেলিন্ডা এবং ওয়ারেনের সঙ্গে আমি আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে আলোচনায় এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে