আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাত শেষ হওয়ার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকায় এটিকে ‘সবার জন্য বিজয়’ বলে ঘোষণা করেছেন। যদিও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কার্যকারিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। আজ গতকাল বুধবার নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিয়ে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ব্যাপক বাংকার বাস্টার বোমা হামলার সিদ্ধান্তই এই যুদ্ধ শেষ করেছে। তিনি এটিকে ‘সবার জন্য বিজয়’ বলে অভিহিত করেন।
ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা কতটা বাধা তৈরি করেছে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার (ডিআইএ) প্রাথমিক মূল্যায়নকে ট্রাম্প পাত্তা দেননি। ওই মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি মাত্র কয়েক মাসের জন্য পিছিয়ে পড়েছে। তবে ট্রাম্প বলেন, এই মূল্যায়ন ‘অনিশ্চিত’ এবং তাঁর বিশ্বাস, ইরানের ওই সব স্থাপনা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘হামলাটা খুবই তীব্র ছিল। পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।’
ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য... খুবই অনিশ্চিত ছিল। গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলে, “আমরা নিশ্চিত নই, এটা খুবই তীব্র ছিলও হতে পারে। ” আমি মনে করি, আমরা “আমরা নিশ্চিত নই” অংশ বাদ দিতে পারি। এটা খুবই তীব্র ছিল, সব ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট এবং সিএনএন-এর খবরে বলা হয়েছে, ডিআইএ-এর সামরিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনের সঙ্গে পরিচিত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি।
সিএনএনের প্রতিবেদনে দুজন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ধ্বংস হয়নি এবং সেন্ট্রিফিউজগুলোও বেশির ভাগই অক্ষত। অন্য এক সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের রোববারের হামলার আগে ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিয়েছিল। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ফোরদো, নাতানজ এবং ইস্পাহান—এই তিনটি পারমাণবিক স্থাপনাই যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলাই ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের ইতি টেনেছে। তিনি এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা হামলার সঙ্গে তুলনা করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি হিরোশিমার উদাহরণ দিতে চাই না, নাগাসাকির উদাহরণও দিতে চাই না। তবে ব্যাপারটা আসলে সেটাই ছিল। ওই হামলা যুদ্ধ শেষ করেছিল, এই হামলাও সেই যুদ্ধ শেষ করেছে।’
মঙ্গলবার সাংবাদিকেরা যখন তাকে জিজ্ঞেস করেন, ইরান যদি আবার পারমাণবিক কর্মসূচি শুরু করে, তখন ট্রাম্প বলেন, ‘সেই জায়গাগুলো পাথরের নিচে। ওই জায়গাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাত শেষ হওয়ার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকায় এটিকে ‘সবার জন্য বিজয়’ বলে ঘোষণা করেছেন। যদিও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কার্যকারিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। আজ গতকাল বুধবার নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিয়ে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ব্যাপক বাংকার বাস্টার বোমা হামলার সিদ্ধান্তই এই যুদ্ধ শেষ করেছে। তিনি এটিকে ‘সবার জন্য বিজয়’ বলে অভিহিত করেন।
ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা কতটা বাধা তৈরি করেছে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার (ডিআইএ) প্রাথমিক মূল্যায়নকে ট্রাম্প পাত্তা দেননি। ওই মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি মাত্র কয়েক মাসের জন্য পিছিয়ে পড়েছে। তবে ট্রাম্প বলেন, এই মূল্যায়ন ‘অনিশ্চিত’ এবং তাঁর বিশ্বাস, ইরানের ওই সব স্থাপনা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘হামলাটা খুবই তীব্র ছিল। পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।’
ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য... খুবই অনিশ্চিত ছিল। গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলে, “আমরা নিশ্চিত নই, এটা খুবই তীব্র ছিলও হতে পারে। ” আমি মনে করি, আমরা “আমরা নিশ্চিত নই” অংশ বাদ দিতে পারি। এটা খুবই তীব্র ছিল, সব ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট এবং সিএনএন-এর খবরে বলা হয়েছে, ডিআইএ-এর সামরিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনের সঙ্গে পরিচিত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি।
সিএনএনের প্রতিবেদনে দুজন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ধ্বংস হয়নি এবং সেন্ট্রিফিউজগুলোও বেশির ভাগই অক্ষত। অন্য এক সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের রোববারের হামলার আগে ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিয়েছিল। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ফোরদো, নাতানজ এবং ইস্পাহান—এই তিনটি পারমাণবিক স্থাপনাই যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলাই ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের ইতি টেনেছে। তিনি এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা হামলার সঙ্গে তুলনা করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি হিরোশিমার উদাহরণ দিতে চাই না, নাগাসাকির উদাহরণও দিতে চাই না। তবে ব্যাপারটা আসলে সেটাই ছিল। ওই হামলা যুদ্ধ শেষ করেছিল, এই হামলাও সেই যুদ্ধ শেষ করেছে।’
মঙ্গলবার সাংবাদিকেরা যখন তাকে জিজ্ঞেস করেন, ইরান যদি আবার পারমাণবিক কর্মসূচি শুরু করে, তখন ট্রাম্প বলেন, ‘সেই জায়গাগুলো পাথরের নিচে। ওই জায়গাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’

সৌদি আরবের শ্রমবাজারে স্থানীয় নাগরিকদের অংশীদারত্ব বাড়াতে এবং বেকারত্ব হ্রাসে বড় ধরনের এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিপণন ও বিক্রয় সংক্রান্ত ১৮টি বিশেষ পেশায় এখন থেকে অন্তত ৬০ শতাংশ সৌদি নাগরিক নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
৬ মিনিট আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবির বিরোধিতা করলে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের যে হুমকি তিনি দিয়েছেন, তা তিনি ‘শতভাগ’ বাস্তবায়ন করবেন। গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের পক্ষে ইউরোপীয় মিত্ররা একযোগে অবস্থান নিয়েছে।
১৭ মিনিট আগে
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি যৌথ সামরিক কমান্ড নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড) জানিয়েছে, শিগগির তাদের বিমান যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছাবে। গতকাল সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, এসব কার্যক্রম আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, তুরস্ক ও কাতারের কোনো সেনাকে তিনি গাজায় পা রাখতে দেবেন না। এর কয়েক দিন আগেই হোয়াইট হাউস ঘোষণা দেয়, গাজার যুদ্ধ-পরবর্তী শাসনব্যবস্থা তদারকির জন্য গঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে এই দুই দেশের কর্মকর্তারা থাকবেন।
৪ ঘণ্টা আগে