আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ‘বিলম্বিত পদত্যাগ কর্মসূচি’র আওতায় এ পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় নাসা। সংস্থাটির মুখপাত্র শেরিল ওয়ার্নার ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও (এনপিআর)কে বলেন, ‘এই পদত্যাগের সংখ্যা নাসার মোট কর্মীর প্রায় ২০ শতাংশ। ফলে নাসার কর্মী ১৮ হাজার থেকে কমে ১৪ হাজারে নেমে এসেছে। এ ছাড়া নিয়মিত অবসর এবং অন্যান্য কারণে আরও ৫০০ জন কর্মী নাসা ছেড়েছেন।’
ওয়ার্নার জানান, কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ শুক্রবার রাত ১২টায় শেষ হয়। এ পর্বে ৩ হাজার কর্মকর্তা পদত্যাগের আবেদন করেন। এর আগে প্রথম ধাপে আরও ৮৭০ জন কর্মী স্বেচ্ছায় পদত্যাগে সম্মত হন।
এই গণপদত্যাগকে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘ফেডারেল কর্মী বাহিনী হ্রাস’ নীতির অংশ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। প্রশাসনের অধীনে কাজ করা সরকারি দক্ষতাসংক্রান্ত বিভাগ নাসায় বড় ধরনের কর্মী ছাঁটাইয়ের সুপারিশ করে। এ বিষয়ে মন্তব্য চেয়ে এনপিআর হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ওয়ার্নার জানান, পুরো কর্মী হ্রাস কবে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এ ছাড়া ছাঁটাইয়ের ফলে নাসার কার্যক্রমে কী প্রভাব পড়বে, সে বিষয়েও সংস্থাটি এনপিআরের প্রশ্নের উত্তর দেয়নি।
নাসার জন্য বাজেট কমানোর প্রস্তাবও দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ২০২৬ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, সংস্থাটির বাজেট প্রায় ২৪ শতাংশ কমিয়ে ২৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও কংগ্রেসের উভয় কক্ষে এই বাজেট হ্রাসের বিরুদ্ধে আলোচনা চলছে এবং বর্তমান বাজেট ধরে রাখার সম্ভাবনাও রয়েছে।
তবে ভবিষ্যতের বাজেট পরিকল্পনায় কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। চলতি মাসে ট্রাম্প যে ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’ নামে একটি বিল স্বাক্ষর করেছেন, তাতে ২০৩২ সাল পর্যন্ত নাসার জন্য অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মঙ্গলগ্রহ অভিযান এবং চাঁদে ফিরে যাওয়ার প্রকল্পে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি।
তবে হোয়াইট হাউসের এই বাজেট প্রস্তাব ও কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা বেশ কিছু বিজ্ঞানী ও মহাকাশ সংস্থার সমালোচনার মুখে পড়েছে। বিল নাইয়ের নেতৃত্বাধীন বেসরকারি সংস্থা ‘দ্য প্ল্যানেটারি সোসাইটি’ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, একটি মহান জাতির উচিত একটি মহৎ মহাকাশ কর্মসূচি রাখা। কিন্তু এই বাজেট প্রস্তাব সেই প্রতিশ্রুতিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে।’
গত সোমবার নাসার বর্তমান এবং সাবেক ৩০০ জনের বেশি কর্মী ‘ভয়েজার ডিক্লারেশন’ নামের একটি খোলা চিঠি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক শন ডাফিকে পাঠিয়েছেন। এতে তাঁরা সংস্থায় চলমান ‘দ্রুত ও অপচয়মূলক পরিবর্তনের’ সমালোচনা করেন এবং প্রস্তাবিত বাজেট কাটছাঁট বাস্তবায়ন না করার অনুরোধ জানান। তাঁদের মতে, ‘এই কাটছাঁট নাসার স্বার্থের পক্ষে নয়।’

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ‘বিলম্বিত পদত্যাগ কর্মসূচি’র আওতায় এ পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় নাসা। সংস্থাটির মুখপাত্র শেরিল ওয়ার্নার ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও (এনপিআর)কে বলেন, ‘এই পদত্যাগের সংখ্যা নাসার মোট কর্মীর প্রায় ২০ শতাংশ। ফলে নাসার কর্মী ১৮ হাজার থেকে কমে ১৪ হাজারে নেমে এসেছে। এ ছাড়া নিয়মিত অবসর এবং অন্যান্য কারণে আরও ৫০০ জন কর্মী নাসা ছেড়েছেন।’
ওয়ার্নার জানান, কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ শুক্রবার রাত ১২টায় শেষ হয়। এ পর্বে ৩ হাজার কর্মকর্তা পদত্যাগের আবেদন করেন। এর আগে প্রথম ধাপে আরও ৮৭০ জন কর্মী স্বেচ্ছায় পদত্যাগে সম্মত হন।
এই গণপদত্যাগকে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘ফেডারেল কর্মী বাহিনী হ্রাস’ নীতির অংশ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। প্রশাসনের অধীনে কাজ করা সরকারি দক্ষতাসংক্রান্ত বিভাগ নাসায় বড় ধরনের কর্মী ছাঁটাইয়ের সুপারিশ করে। এ বিষয়ে মন্তব্য চেয়ে এনপিআর হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ওয়ার্নার জানান, পুরো কর্মী হ্রাস কবে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এ ছাড়া ছাঁটাইয়ের ফলে নাসার কার্যক্রমে কী প্রভাব পড়বে, সে বিষয়েও সংস্থাটি এনপিআরের প্রশ্নের উত্তর দেয়নি।
নাসার জন্য বাজেট কমানোর প্রস্তাবও দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ২০২৬ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, সংস্থাটির বাজেট প্রায় ২৪ শতাংশ কমিয়ে ২৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও কংগ্রেসের উভয় কক্ষে এই বাজেট হ্রাসের বিরুদ্ধে আলোচনা চলছে এবং বর্তমান বাজেট ধরে রাখার সম্ভাবনাও রয়েছে।
তবে ভবিষ্যতের বাজেট পরিকল্পনায় কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। চলতি মাসে ট্রাম্প যে ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’ নামে একটি বিল স্বাক্ষর করেছেন, তাতে ২০৩২ সাল পর্যন্ত নাসার জন্য অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মঙ্গলগ্রহ অভিযান এবং চাঁদে ফিরে যাওয়ার প্রকল্পে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি।
তবে হোয়াইট হাউসের এই বাজেট প্রস্তাব ও কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা বেশ কিছু বিজ্ঞানী ও মহাকাশ সংস্থার সমালোচনার মুখে পড়েছে। বিল নাইয়ের নেতৃত্বাধীন বেসরকারি সংস্থা ‘দ্য প্ল্যানেটারি সোসাইটি’ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, একটি মহান জাতির উচিত একটি মহৎ মহাকাশ কর্মসূচি রাখা। কিন্তু এই বাজেট প্রস্তাব সেই প্রতিশ্রুতিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে।’
গত সোমবার নাসার বর্তমান এবং সাবেক ৩০০ জনের বেশি কর্মী ‘ভয়েজার ডিক্লারেশন’ নামের একটি খোলা চিঠি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক শন ডাফিকে পাঠিয়েছেন। এতে তাঁরা সংস্থায় চলমান ‘দ্রুত ও অপচয়মূলক পরিবর্তনের’ সমালোচনা করেন এবং প্রস্তাবিত বাজেট কাটছাঁট বাস্তবায়ন না করার অনুরোধ জানান। তাঁদের মতে, ‘এই কাটছাঁট নাসার স্বার্থের পক্ষে নয়।’

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে