
স্ত্রীর সঙ্গে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও বানিয়ে অনলাইনে পোস্ট করার দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। উইসকনসিন–লা ক্রস বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর জো গাউকে গত বুধবার গভর্নিং বোর্ড বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন বোর্ড অব রিজেন্টস ১১টি আঞ্চলিক ক্যাম্পাসের তত্ত্বাবধান করে। এই বোর্ড গত বুধবার সন্ধ্যায় তাড়াহুড়ো করে রুদ্ধদ্বার বৈঠক ডাকে। সেই বৈঠকে সদস্যদের সর্বসম্মত ভোটে চ্যান্সেলর গাউকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হয়।
ভোটের পর ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিনের প্রেসিডেন্ট জে রথম্যান এবং রিজেন্টস প্রেসিডেন্ট কারেন ওয়ালশ বিবৃতিতে বলেন, গাউয়ের নির্দিষ্ট আচরণ সম্পর্কে বোর্ড সদস্যরা জানতে পেরেছেন। তাঁর কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে। রথম্যান চ্যান্সেলর গাউয়ের কাজকে ‘ঘৃণ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। ওয়ালশ বলেছেন, গাউয়ের কাণ্ডে তিনি বিরক্ত ও বিব্রত। তবে তাঁদের কেউই বিবৃতিতে অভিযোগের বিস্তারিত বলেননি।
জো গাউ ২০০৭ সাল থেকে ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন–লা ক্রসের চ্যান্সেলর ছিলেন। ১৯৬০–এর দশকের পর তিনিই বিশ্ববিদ্যালয়টির সবচেয়ে দীর্ঘ সময় চ্যান্সেলরের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর স্ত্রী কারমেন উইলসন চ্যান্সেলরের অবৈতনিক সহকারী ছিলেন। তাঁকেও দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
গাউ গত বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেডেড প্রেসকে (এপি) বলেন, বোর্ড সদস্যরা এখন এসে আবিষ্কার করেছেন তিনি এবং তাঁর স্ত্রী পর্নোগ্রাফিক ভিডিও তৈরি করেন।
গাউয়ের দাবি, ভিডিওগুলোর কোথাও তিনি উইসকনিসন–লা ক্রস বা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ভূমিকার কথা কখনো উল্লেখ করেননি। বোর্ড যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটি তাঁর বাক স্বাধীনতার অধিকারকে লঙ্ঘন করেছে।
গাউ বলেন, ‘আমার স্ত্রী এবং আমি এমন একটি দেশে বাস করি যেখানে আমাদের (সংবিধানের) প্রথম সংশোধনী রয়েছে। আমরা সম্মতিপূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক যৌনতা নিয়ে কাজ করছি। রিজেন্টরা (বোর্ড সদস্য) অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তাঁরা বাক্স্বাধীনতার প্রতি তাঁদের নিজস্ব প্রতিশ্রুতি বা প্রথম সংশোধনী মেনে চলেন না।’
বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন গাউ। তিনি এপিকে বলেন, ‘গত রাতে আমি একটি ই–মেইল পেয়েছি যে, আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমি যদি শুনানির সুযোগ পেতাম, তখন যুক্তিবাদী লোকেরা বুঝতে পারতেন আমার স্ত্রী এবং আমি কী তৈরি করছি।’
গাউ (৬৩) এবং তাঁর ৫৬ বছর বয়সী স্ত্রী বহু দিন ধরেই পর্নোগ্রাফিক ভিডিও তৈরি করছেন। তবে সম্প্রতি তাঁরা সেগুলো পর্নো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেন। সেসব ভিডিওতে লাখ লাখ ভিউ পেয়েছেন বলে জানান তাঁরা। তাঁদের ভিডিওগুলোতে অন্য পর্নো তারকাদেরও দেখা যায়।
গাউ ২০২৪ সালের বসন্তের সেমিস্টার শেষে চ্যান্সেলর হিসেবে অবসর নেওয়া এবং যোগাযোগ বিষয়ে নতুন একটি কোর্স চালু করার পরিকল্পনা করেছিলেন।
২০১৮ সালে উইসকনসিন–লা ক্রসে বক্তৃতা করার জন্য পর্নো অভিনেত্রী নিনা হার্টলিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন চ্যান্সেলর গাউ। ওই পর্নো তারকাকে ক্যাম্পাসে আনার জন্য ছাত্রদের ফি থেকে ৫ হাজার ডলার নিয়েছিলেন তিনি। তখনো গাউ বাক্স্বাধীনতার দোহাই দিয়েছিলেন।
গাউ এবং তাঁর স্ত্রী একটি ইউটিউব চ্যানেল চালান যেখানে পর্নো অভিনেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন খাবার রান্না করেন। তাঁরা ছদ্মনামে দুটি ই–বুকও লিখেছেন।

স্ত্রীর সঙ্গে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও বানিয়ে অনলাইনে পোস্ট করার দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। উইসকনসিন–লা ক্রস বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর জো গাউকে গত বুধবার গভর্নিং বোর্ড বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন বোর্ড অব রিজেন্টস ১১টি আঞ্চলিক ক্যাম্পাসের তত্ত্বাবধান করে। এই বোর্ড গত বুধবার সন্ধ্যায় তাড়াহুড়ো করে রুদ্ধদ্বার বৈঠক ডাকে। সেই বৈঠকে সদস্যদের সর্বসম্মত ভোটে চ্যান্সেলর গাউকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হয়।
ভোটের পর ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিনের প্রেসিডেন্ট জে রথম্যান এবং রিজেন্টস প্রেসিডেন্ট কারেন ওয়ালশ বিবৃতিতে বলেন, গাউয়ের নির্দিষ্ট আচরণ সম্পর্কে বোর্ড সদস্যরা জানতে পেরেছেন। তাঁর কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে। রথম্যান চ্যান্সেলর গাউয়ের কাজকে ‘ঘৃণ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। ওয়ালশ বলেছেন, গাউয়ের কাণ্ডে তিনি বিরক্ত ও বিব্রত। তবে তাঁদের কেউই বিবৃতিতে অভিযোগের বিস্তারিত বলেননি।
জো গাউ ২০০৭ সাল থেকে ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন–লা ক্রসের চ্যান্সেলর ছিলেন। ১৯৬০–এর দশকের পর তিনিই বিশ্ববিদ্যালয়টির সবচেয়ে দীর্ঘ সময় চ্যান্সেলরের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর স্ত্রী কারমেন উইলসন চ্যান্সেলরের অবৈতনিক সহকারী ছিলেন। তাঁকেও দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
গাউ গত বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেডেড প্রেসকে (এপি) বলেন, বোর্ড সদস্যরা এখন এসে আবিষ্কার করেছেন তিনি এবং তাঁর স্ত্রী পর্নোগ্রাফিক ভিডিও তৈরি করেন।
গাউয়ের দাবি, ভিডিওগুলোর কোথাও তিনি উইসকনিসন–লা ক্রস বা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ভূমিকার কথা কখনো উল্লেখ করেননি। বোর্ড যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটি তাঁর বাক স্বাধীনতার অধিকারকে লঙ্ঘন করেছে।
গাউ বলেন, ‘আমার স্ত্রী এবং আমি এমন একটি দেশে বাস করি যেখানে আমাদের (সংবিধানের) প্রথম সংশোধনী রয়েছে। আমরা সম্মতিপূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক যৌনতা নিয়ে কাজ করছি। রিজেন্টরা (বোর্ড সদস্য) অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তাঁরা বাক্স্বাধীনতার প্রতি তাঁদের নিজস্ব প্রতিশ্রুতি বা প্রথম সংশোধনী মেনে চলেন না।’
বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন গাউ। তিনি এপিকে বলেন, ‘গত রাতে আমি একটি ই–মেইল পেয়েছি যে, আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমি যদি শুনানির সুযোগ পেতাম, তখন যুক্তিবাদী লোকেরা বুঝতে পারতেন আমার স্ত্রী এবং আমি কী তৈরি করছি।’
গাউ (৬৩) এবং তাঁর ৫৬ বছর বয়সী স্ত্রী বহু দিন ধরেই পর্নোগ্রাফিক ভিডিও তৈরি করছেন। তবে সম্প্রতি তাঁরা সেগুলো পর্নো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেন। সেসব ভিডিওতে লাখ লাখ ভিউ পেয়েছেন বলে জানান তাঁরা। তাঁদের ভিডিওগুলোতে অন্য পর্নো তারকাদেরও দেখা যায়।
গাউ ২০২৪ সালের বসন্তের সেমিস্টার শেষে চ্যান্সেলর হিসেবে অবসর নেওয়া এবং যোগাযোগ বিষয়ে নতুন একটি কোর্স চালু করার পরিকল্পনা করেছিলেন।
২০১৮ সালে উইসকনসিন–লা ক্রসে বক্তৃতা করার জন্য পর্নো অভিনেত্রী নিনা হার্টলিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন চ্যান্সেলর গাউ। ওই পর্নো তারকাকে ক্যাম্পাসে আনার জন্য ছাত্রদের ফি থেকে ৫ হাজার ডলার নিয়েছিলেন তিনি। তখনো গাউ বাক্স্বাধীনতার দোহাই দিয়েছিলেন।
গাউ এবং তাঁর স্ত্রী একটি ইউটিউব চ্যানেল চালান যেখানে পর্নো অভিনেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন খাবার রান্না করেন। তাঁরা ছদ্মনামে দুটি ই–বুকও লিখেছেন।

ইরানের রাজধানী তেহরানের পশ্চিমে ফারদিস এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে একাধিক ব্যক্তিকে মাটিতে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
২৫ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার লক্ষ্যে ক্যারিবীয় সাগরে ‘ওলিনা’ নামের আরও একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইউএস সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই জাহাজটিকে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের...
১ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (X) ইরানের জাতীয় পতাকার ইমোজিতে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। প্ল্যাটফর্মটির প্রোডাক্ট প্রধান নিকিতা বিয়ার আজ শুক্রবার জানান, ইরানের বর্তমান পতাকার পরিবর্তে ঐতিহাসিক ‘সিংহ ও সূর্য’ প্রতীক যুক্ত করা হবে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রকৃত ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হলেন সর্বোচ্চ নেতা। বর্তমানে এই পদে রয়েছেন ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি গত ৩৫ বছরের বেশি সময় ধরে দেশটি শাসন করছেন। তিনি ইরানের রাষ্ট্রপ্রধান এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মালিক। দেশটির অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতির মূল রূপকার তিনি।
১ ঘণ্টা আগে