আজকের পত্রিকা ডেস্ক

দুদিন আগেও গলায় গলায় ভাব ছিল ট্রাম্প-মাস্কের। কিন্তু হঠাৎ সাপে-নেউলে সম্পর্ক এই দুই নেতার। কর ও ব্যয় সংক্রান্ত বাজেট বিল নিয়ে মতবিরোধকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ধনকুবের ইলন মাস্কের বন্ধুত্বে টানাপোড়েন চলছিল। এবার প্রকাশ্যেই কাদা ছোঁড়াছুড়ি শুরু করেছেন তাঁরা।
সামাজিক মাধ্যমে একে অন্যকে আক্রমণ করে একের পর এক পোস্ট দিচ্ছেন ট্রাম্প-মাস্ক। ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে থাকা সব সরকারি চুক্তি বাতিলের হুমকিই দিয়ে বসেছেন ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, ‘মার্কিন অর্থ সাশ্রয়ের সবচেয়ে সহজ উপায় হতে পারে ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি ভর্তুকি এবং সেগুলোর সঙ্গে থাকা চুক্তিগুলো বাতিল করা। এটা করা সম্ভব হলে শত শত কোটি ডলার বেঁচে যাবে।’
ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের পর যারপরনাই তেতে উঠেছেন ইলন মাস্ক। ট্রাম্পের অভিসংশনের দাবি তোলেন এই ধনকুবের। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, ট্রাম্প চাইলে মাস্ক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে অর্থ সহায়তা বন্ধ করে দিতে পারেন। মাস্কও ড্রাগন মহাকাশযান বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করছেন। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে নভোচারী এবং তাদের জন্য জরুরি রসদ পাঠাতে এই ড্রাগন মহাকাশযানের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল মার্কিন সরকার। তাই, এই মহাকাশযান বন্ধ করে দেওয়া হলে বড়সড় বিপাকেই পড়বে যুক্তরাষ্ট্র। কারণ অন্য কোনো সংস্থার মহাকাশযান ড্রাগনের মতো এত সহজলভ্য নয়।
তবে, এই হুমকি দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই আবার কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসেন ইলন মাস্ক। নিজের সামাজিক মাধ্যম এক্সে করা ওই পোস্টের নিচে এক অনুসারী তাঁকে শান্ত হতে বলে একটি কমেন্ট করলে ওই কমেন্টের উত্তরে তিনি লেখেন— ‘ভালো পরামর্শ। ঠিক আছে, এখনই ড্রাগন বন্ধ করছি না।’
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর ও ব্যয় বিলকে ‘জঘন্য’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক। তাঁর ওই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘দেখুন, ইলনের সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। জানি না, সেটা আর থাকবে কি না।’
ট্রাম্পের এ বক্তব্য যখন টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছিল, ঠিক তখনই ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লাইভ টুইট করে প্রতিক্রিয়া জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অকৃতজ্ঞ বলে অভিহিত করেন তিনি। মাস্ক দাবি করেন, তাঁর সহায়তা ছাড়া ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প জিততে পারতেন না।
গতকাল যুক্তরাষ্ট্র সফররত জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎসের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। বৈঠক চলাকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘টেসলার সিইওর ওপর আমি ভীষণ হতাশ। কারণ, এখানে উপস্থিত অন্য যে কারও চেয়ে বিলটির খুঁটিনাটি সম্পর্কে ভালো জানতেন তিনি। হঠাৎই বিলটি নিয়ে তাঁর সমস্যা শুরু হয়েছে।’
ট্রাম্পের এমন ক্ষোভের বহিপ্রকাশকে নজিরবিহীন বলছে অনেক পশ্চিমা গণমাধ্যম।
এদিকে, ট্রাম্পের এ দাবিকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মাস্ক। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি দক্ষতা বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ইলন মাস্ক। তাঁর বিদায় উপলক্ষে ওভাল অফিসে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজনও করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু এর এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মাথায় কর ও ব্যয়-সংক্রান্ত বাজেট বিলকে কেন্দ্র করে দুজনের সম্পর্কে ফাটল দেখা দিল।
ট্রাম্প প্রশাসনের কর ও ব্যয়-সংক্রান্ত বাজেট বিলটি গত ২২ মে মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে পাস হয়। মাস্ক বলেছেন, ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’ নামে পরিচিত এ বিল বাজেট–ঘাটতি বাড়িয়ে দিয়েছে এবং সরকারি খরচ কমানোর চেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্বল করেছে।
এদিকে, ট্রাম্প ও মাস্কের এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের পর টেসলার শেয়ারদর ব্যাপক হারে কমে গেছে।

দুদিন আগেও গলায় গলায় ভাব ছিল ট্রাম্প-মাস্কের। কিন্তু হঠাৎ সাপে-নেউলে সম্পর্ক এই দুই নেতার। কর ও ব্যয় সংক্রান্ত বাজেট বিল নিয়ে মতবিরোধকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ধনকুবের ইলন মাস্কের বন্ধুত্বে টানাপোড়েন চলছিল। এবার প্রকাশ্যেই কাদা ছোঁড়াছুড়ি শুরু করেছেন তাঁরা।
সামাজিক মাধ্যমে একে অন্যকে আক্রমণ করে একের পর এক পোস্ট দিচ্ছেন ট্রাম্প-মাস্ক। ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে থাকা সব সরকারি চুক্তি বাতিলের হুমকিই দিয়ে বসেছেন ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, ‘মার্কিন অর্থ সাশ্রয়ের সবচেয়ে সহজ উপায় হতে পারে ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি ভর্তুকি এবং সেগুলোর সঙ্গে থাকা চুক্তিগুলো বাতিল করা। এটা করা সম্ভব হলে শত শত কোটি ডলার বেঁচে যাবে।’
ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের পর যারপরনাই তেতে উঠেছেন ইলন মাস্ক। ট্রাম্পের অভিসংশনের দাবি তোলেন এই ধনকুবের। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, ট্রাম্প চাইলে মাস্ক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে অর্থ সহায়তা বন্ধ করে দিতে পারেন। মাস্কও ড্রাগন মহাকাশযান বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করছেন। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে নভোচারী এবং তাদের জন্য জরুরি রসদ পাঠাতে এই ড্রাগন মহাকাশযানের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল মার্কিন সরকার। তাই, এই মহাকাশযান বন্ধ করে দেওয়া হলে বড়সড় বিপাকেই পড়বে যুক্তরাষ্ট্র। কারণ অন্য কোনো সংস্থার মহাকাশযান ড্রাগনের মতো এত সহজলভ্য নয়।
তবে, এই হুমকি দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই আবার কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসেন ইলন মাস্ক। নিজের সামাজিক মাধ্যম এক্সে করা ওই পোস্টের নিচে এক অনুসারী তাঁকে শান্ত হতে বলে একটি কমেন্ট করলে ওই কমেন্টের উত্তরে তিনি লেখেন— ‘ভালো পরামর্শ। ঠিক আছে, এখনই ড্রাগন বন্ধ করছি না।’
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর ও ব্যয় বিলকে ‘জঘন্য’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক। তাঁর ওই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘দেখুন, ইলনের সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। জানি না, সেটা আর থাকবে কি না।’
ট্রাম্পের এ বক্তব্য যখন টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছিল, ঠিক তখনই ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লাইভ টুইট করে প্রতিক্রিয়া জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অকৃতজ্ঞ বলে অভিহিত করেন তিনি। মাস্ক দাবি করেন, তাঁর সহায়তা ছাড়া ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প জিততে পারতেন না।
গতকাল যুক্তরাষ্ট্র সফররত জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎসের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। বৈঠক চলাকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘টেসলার সিইওর ওপর আমি ভীষণ হতাশ। কারণ, এখানে উপস্থিত অন্য যে কারও চেয়ে বিলটির খুঁটিনাটি সম্পর্কে ভালো জানতেন তিনি। হঠাৎই বিলটি নিয়ে তাঁর সমস্যা শুরু হয়েছে।’
ট্রাম্পের এমন ক্ষোভের বহিপ্রকাশকে নজিরবিহীন বলছে অনেক পশ্চিমা গণমাধ্যম।
এদিকে, ট্রাম্পের এ দাবিকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মাস্ক। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি দক্ষতা বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ইলন মাস্ক। তাঁর বিদায় উপলক্ষে ওভাল অফিসে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজনও করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু এর এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মাথায় কর ও ব্যয়-সংক্রান্ত বাজেট বিলকে কেন্দ্র করে দুজনের সম্পর্কে ফাটল দেখা দিল।
ট্রাম্প প্রশাসনের কর ও ব্যয়-সংক্রান্ত বাজেট বিলটি গত ২২ মে মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে পাস হয়। মাস্ক বলেছেন, ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’ নামে পরিচিত এ বিল বাজেট–ঘাটতি বাড়িয়ে দিয়েছে এবং সরকারি খরচ কমানোর চেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্বল করেছে।
এদিকে, ট্রাম্প ও মাস্কের এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের পর টেসলার শেয়ারদর ব্যাপক হারে কমে গেছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৮ ঘণ্টা আগে