ঢাকা: রিপাবলিকান ও বিমা কোম্পানিগুলোর তীব্র আপত্তির মুখে আবার টিকে গেল যুক্তরাষ্ট্রে গরিবদের জন্য সুলভ স্বাস্থ্য পরিষেবা স্কিম। টেক্সাস এবং আরও ১৭টি রিপাবলিকান-শাসিত রাজ্যের আইনি চ্যালেঞ্জ খারিজ করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। ফলে ওবামাকেয়ার খ্যাত আইনটি বহাল থাকছে। এর মাধ্যমে সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য বিমা পাওয়ার নিশ্চয়তা পাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা।
২০১০ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট (এসিএ) শীর্ষক আইনটিতে স্বাক্ষর করেন। এরপর এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল আইনটি।
আদালত আদেশে বলেছেন, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিমা কোম্পানিগুলো নিম্ন আয়ের মানুষদের সাশ্রয়ী বিমা কভারেজ দিতে বাধ্য থাকবে। এ আইনের আওতায় লাখ লাখ স্বল্প আয়ের মার্কিন স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পেয়েছেন।
আদালতে ৭ জন বিচারপতি ওবামাকেয়ারের পক্ষে মত দিয়েছেন। আর দুজন বিচারপতি বিরুদ্ধে মত দিয়েছেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতি বলেছেন, বাদীদের ওবামাকেয়ারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার আইনি অবস্থান নেই। অবশ্য এই আইনের সারবত্তা অসাংবিধানিক কি–না সে বিষয়ে রায়ে কিছু বলা হয়নি।
এই আইনি চ্যালেঞ্জটি সমর্থন করেছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এই আইনে যুক্তরাষ্ট্রে লাখ লাখ লোককে স্বাস্থ্য বিমা বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। তা না করলে তাঁদের জরিমানার মুখে পড়তে হবে। তবে ২০১৭ সালে জরিমানার বিধানটি রহিত করে কংগ্রেস।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইস্টার সানডেতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নজিরবিহীন পোস্ট দিয়েছেন। ওই পোস্টে তিনি হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে ভয়াবহ হুমকি ও গালমন্দ করেছেন। তবে পোস্টের শেষ লাইনে বলেছেন, 'সকল প্রশংসা আল্লাহর।'
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির কঠোর সমালোচনা করেছেন ইরানের এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্য একটি ‘অপরাধমূলক মানসিকতার’ প্রতিফলন। এসব বক্তব্য ‘যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনা’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল নিরাপদ করতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম তীরে প্রত্নতত্ত্ব এখন শুধু অতীত খোঁজার বিজ্ঞান নয়, এটি হয়ে উঠেছে গভীর রাজনৈতিক বিতর্কের একটি ক্ষেত্র। পশ্চিম তীর অঞ্চলের নানা খননকাজ ঘিরে ইতিহাস, পরিচয় ও ভূখণ্ডের দাবি নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা যাচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে