এএফপি, ওয়াশিংটন

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি, ত্রাণ ও মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে যে অর্থ দিয়ে থাকে, তার ৯২ শতাংশ কমিয়ে আনছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে ৬ হাজার কোটি মার্কিন ডলার খরচ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি। গত বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) জন্য অর্থ ছাড় দেওয়ার জন্য ফেডারেল আদালত গত মঙ্গলবার পর্যন্ত যে সময় সীমা বেঁধে দিয়েছিল, তাও স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্ট।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা নেওয়ার দিনই ইউএসএআইডির তহবিলের ছাড়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ নিয়ে সংকট আদালতে গড়ায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ফেডারেল কোর্ট জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার নাগাদ ইউএসএআইডির অর্থ ছাড় দিতে হবে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে। আর এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত গত বুধবার সুপ্রিম কোর্ট এতে একটি ‘প্রশাসনিক স্টে অর্ডার’ দেন। এর মধ্য দিয়ে ইউএসএআইডির জন্য অর্থ ছাড় পাওয়ার দায় থেকে মুক্তি পেয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের
খবরে বলা হচ্ছে, আদালতের এই আদেশের কারণে ইউএসএআইডিকে আপাতত ১৫০ কোটি ডলার দিতে হচ্ছে না ট্রাম্পকে।
৯২ শতাংশ সহায়তা বন্ধ: কোন খাতে কত ডলার সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে গত বুধবার তার একটি হিসাব দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউএসএআইডির কর্মকর্তা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই সংস্থার তহবিলের ছাড়ের বিষয়টি পর্যালোচনা করেছেন। ট্রাম্পের সবার আগে আমেরিকা নীতির কারণে ৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলার তহবিল বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদেশি অনুদানের ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার তহবিলের বিষয়েও খোঁজখবর নিয়েছেন তাঁরা। এর মধ্য থেকে ৪৪০ কোটি ডলার তহবিল বাতিল করা হচ্ছে।
বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেবা: এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউএসএআইডির তহবিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, জীবন রক্ষাকারী যেসব তহবিল তাঁরা দিয়ে থাকেন, সেগুলো বন্ধ হবে না। তবে মাঠের চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। ইউএসএআইডির বিশ্বজুড়ে যেসব প্রকল্প চলমান ছিল, সেগুলোর সেবা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে জীবন রক্ষাকারী কিছু প্রকল্পের অর্থায়নও ছিল।
রয়টার্স বলছে, আফ্রিকায় এইডস প্রতিবোধে জাতিসংঘকে তহবিল দিয়ে থাকে ইউএসএআইডি। এই তহবিল আর আসছে না। এমনকি চুক্তিগুলো বাতিল করেছে ইউএসএআইডি। কম্বোডিয়ায় টিবি ও এইডস প্রতিরোধে যাঁরা কাজ করতেন, তাঁদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি, ত্রাণ ও মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে যে অর্থ দিয়ে থাকে, তার ৯২ শতাংশ কমিয়ে আনছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে ৬ হাজার কোটি মার্কিন ডলার খরচ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি। গত বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) জন্য অর্থ ছাড় দেওয়ার জন্য ফেডারেল আদালত গত মঙ্গলবার পর্যন্ত যে সময় সীমা বেঁধে দিয়েছিল, তাও স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্ট।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা নেওয়ার দিনই ইউএসএআইডির তহবিলের ছাড়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ নিয়ে সংকট আদালতে গড়ায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ফেডারেল কোর্ট জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার নাগাদ ইউএসএআইডির অর্থ ছাড় দিতে হবে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে। আর এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত গত বুধবার সুপ্রিম কোর্ট এতে একটি ‘প্রশাসনিক স্টে অর্ডার’ দেন। এর মধ্য দিয়ে ইউএসএআইডির জন্য অর্থ ছাড় পাওয়ার দায় থেকে মুক্তি পেয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের
খবরে বলা হচ্ছে, আদালতের এই আদেশের কারণে ইউএসএআইডিকে আপাতত ১৫০ কোটি ডলার দিতে হচ্ছে না ট্রাম্পকে।
৯২ শতাংশ সহায়তা বন্ধ: কোন খাতে কত ডলার সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে গত বুধবার তার একটি হিসাব দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউএসএআইডির কর্মকর্তা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই সংস্থার তহবিলের ছাড়ের বিষয়টি পর্যালোচনা করেছেন। ট্রাম্পের সবার আগে আমেরিকা নীতির কারণে ৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলার তহবিল বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদেশি অনুদানের ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার তহবিলের বিষয়েও খোঁজখবর নিয়েছেন তাঁরা। এর মধ্য থেকে ৪৪০ কোটি ডলার তহবিল বাতিল করা হচ্ছে।
বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেবা: এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউএসএআইডির তহবিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, জীবন রক্ষাকারী যেসব তহবিল তাঁরা দিয়ে থাকেন, সেগুলো বন্ধ হবে না। তবে মাঠের চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। ইউএসএআইডির বিশ্বজুড়ে যেসব প্রকল্প চলমান ছিল, সেগুলোর সেবা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে জীবন রক্ষাকারী কিছু প্রকল্পের অর্থায়নও ছিল।
রয়টার্স বলছে, আফ্রিকায় এইডস প্রতিবোধে জাতিসংঘকে তহবিল দিয়ে থাকে ইউএসএআইডি। এই তহবিল আর আসছে না। এমনকি চুক্তিগুলো বাতিল করেছে ইউএসএআইডি। কম্বোডিয়ায় টিবি ও এইডস প্রতিরোধে যাঁরা কাজ করতেন, তাঁদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে