আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ১০০ দিন হলো। সম্প্রতি তিনি বেশ জমকালোভাবেই তাঁর ১০০তম দিন পূর্তি উদ্যাপন করেছেন। অনুষ্ঠানে তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কোনো কিছুই তাঁকে ‘থামাতে পারবে না।’
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প মিশিগানে নির্বাচনী প্রচারণার আদলে আয়োজিত র্যালির মাধ্যমে তাঁর ক্ষমতার ১০০তম দিন উদ্যাপিত করেছেন। এ সময় তিনি ‘কমিউনিস্ট উগ্র বামপন্থী বিচারকদের’ আক্রমণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তারা তাঁর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কিছুই আমাকে থামাতে পারবে না।’
র্যালিতে ট্রাম্প একটি ভিডিও পরিবেশন করেন। এতে ভেনেজুয়েলার অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে এল সালভাদরের একটি কুখ্যাত কারাগারে পাঠানোর দৃশ্য দেখানো হয়। এর সঙ্গে হলিউড ঘরানার আবহসংগীত যুক্ত ছিল। দর্শকদের মধ্যে প্রবল উল্লাস ও অনুমোদন দেখা যায়।
ট্রাম্পের মিশিগানকে বেছে নেওয়ার কারণ ছিল এটি একটি ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড’ রাজ্য। গত নভেম্বরের নির্বাচনে এই রাজ্যই তাঁকে তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট কামলা হ্যারিসের বিরুদ্ধে জয় পেতে সাহায্য করেছিল। পাশাপাশি, শুল্কনীতির সম্ভাব্য সুবিধাভোগী হিসেবেও রাজ্যটির গুরুত্ব রয়েছে। তাঁর দাবি অনুযায়ী এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন খাতকে পুনরুজ্জীবিত করবে। তবে ডেট্রয়েটের কাছে ওয়ারেন শহরের বিশাল ক্রীড়া ও প্রদর্শনী কেন্দ্রে তিনি যে জনসভা করেন সেখানে অর্ধেক খালি ছিল। তাঁর এলোমেলো ও দীর্ঘ ৮৯ মিনিটের বক্তৃতার শেষ হওয়ার আগেই বহু লোক সেখান থেকে বেরিয়ে যান।
ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ‘আমরা আজ রাতে আমাদের জাতির কেন্দ্রস্থলে একত্র হয়েছি প্রশাসনের সবচেয়ে সফল ১০০তম দিন উদ্যাপনের জন্য।’ তিনি দাবি করেন, এটি আমাদের দেশের ইতিহাসে আর কারও নেই। তিনি বলেন, ‘১০০ দিনে আমরা ওয়াশিংটনে প্রায় ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গভীর পরিবর্তন এনেছি।’

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ১০০ দিন হলো। সম্প্রতি তিনি বেশ জমকালোভাবেই তাঁর ১০০তম দিন পূর্তি উদ্যাপন করেছেন। অনুষ্ঠানে তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কোনো কিছুই তাঁকে ‘থামাতে পারবে না।’
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প মিশিগানে নির্বাচনী প্রচারণার আদলে আয়োজিত র্যালির মাধ্যমে তাঁর ক্ষমতার ১০০তম দিন উদ্যাপিত করেছেন। এ সময় তিনি ‘কমিউনিস্ট উগ্র বামপন্থী বিচারকদের’ আক্রমণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তারা তাঁর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কিছুই আমাকে থামাতে পারবে না।’
র্যালিতে ট্রাম্প একটি ভিডিও পরিবেশন করেন। এতে ভেনেজুয়েলার অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে এল সালভাদরের একটি কুখ্যাত কারাগারে পাঠানোর দৃশ্য দেখানো হয়। এর সঙ্গে হলিউড ঘরানার আবহসংগীত যুক্ত ছিল। দর্শকদের মধ্যে প্রবল উল্লাস ও অনুমোদন দেখা যায়।
ট্রাম্পের মিশিগানকে বেছে নেওয়ার কারণ ছিল এটি একটি ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড’ রাজ্য। গত নভেম্বরের নির্বাচনে এই রাজ্যই তাঁকে তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট কামলা হ্যারিসের বিরুদ্ধে জয় পেতে সাহায্য করেছিল। পাশাপাশি, শুল্কনীতির সম্ভাব্য সুবিধাভোগী হিসেবেও রাজ্যটির গুরুত্ব রয়েছে। তাঁর দাবি অনুযায়ী এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন খাতকে পুনরুজ্জীবিত করবে। তবে ডেট্রয়েটের কাছে ওয়ারেন শহরের বিশাল ক্রীড়া ও প্রদর্শনী কেন্দ্রে তিনি যে জনসভা করেন সেখানে অর্ধেক খালি ছিল। তাঁর এলোমেলো ও দীর্ঘ ৮৯ মিনিটের বক্তৃতার শেষ হওয়ার আগেই বহু লোক সেখান থেকে বেরিয়ে যান।
ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ‘আমরা আজ রাতে আমাদের জাতির কেন্দ্রস্থলে একত্র হয়েছি প্রশাসনের সবচেয়ে সফল ১০০তম দিন উদ্যাপনের জন্য।’ তিনি দাবি করেন, এটি আমাদের দেশের ইতিহাসে আর কারও নেই। তিনি বলেন, ‘১০০ দিনে আমরা ওয়াশিংটনে প্রায় ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গভীর পরিবর্তন এনেছি।’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে