
সৌদি বংশোদ্ভূত মার্কিন সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যায় দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস) সম্পৃক্ততা বিষয়ে আইনি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় দ্বিধায় পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসংক্রান্ত একটি মামলার কার্যক্রম পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। দেশটির বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি গত শুক্রবার মামলার কার্যক্রম ৪৫ দিন পিছিয়ে দিতে একটি আইনি নোটিশ দাখিল করেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদালত বাইডেন প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছে, জামাল খাসোগি হত্যায় সৌদি যুবরাজ ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান জড়িত কি না, এ বিষয়ে তাদের অবস্থান কী এবং তাঁকে খাসোগি হত্যা মামলায় সার্বভৌম দায়মুক্তি দেওয়া উচিত কি না।
বিচার বিভাগের এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মোহাম্মদ বিন সালমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করার পর বাইডেন প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট জামাল খাসোগি হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে এমবিএসের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন ডিসির একটি জেলা আদালতে মামলাটি করা হয়। খাসোগির বাগ্দত্তা হাতিজে চেঙ্গিস এই মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় তাঁকে সাহায্য করে খাসোগির প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্রপন্থী গ্রুপ ডন।
মামলাটি বাইডেন প্রশাসনকে আইনি ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বেশ চাপে ফেলে দিয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এই সময়ে সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনীতিক সম্পর্ক রাখতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র। অথচ, বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন জামাল খাসোগির হত্যার পর এমবিএসকে বিচারের আওতায় এনে তাঁকে একঘরে করে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েই হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেছিলেন।
কিন্তু পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতে বাইডেন তাঁর প্রতিশ্রুতির বিষয়টি চেপে যেতে বাধ্য হন। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর মাসের মাথায় সৌদি সফরে যান তিনি। সেখানে মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও বৈঠক হয় তাঁর।

সৌদি বংশোদ্ভূত মার্কিন সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যায় দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস) সম্পৃক্ততা বিষয়ে আইনি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় দ্বিধায় পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসংক্রান্ত একটি মামলার কার্যক্রম পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। দেশটির বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি গত শুক্রবার মামলার কার্যক্রম ৪৫ দিন পিছিয়ে দিতে একটি আইনি নোটিশ দাখিল করেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদালত বাইডেন প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছে, জামাল খাসোগি হত্যায় সৌদি যুবরাজ ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান জড়িত কি না, এ বিষয়ে তাদের অবস্থান কী এবং তাঁকে খাসোগি হত্যা মামলায় সার্বভৌম দায়মুক্তি দেওয়া উচিত কি না।
বিচার বিভাগের এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মোহাম্মদ বিন সালমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করার পর বাইডেন প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট জামাল খাসোগি হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে এমবিএসের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন ডিসির একটি জেলা আদালতে মামলাটি করা হয়। খাসোগির বাগ্দত্তা হাতিজে চেঙ্গিস এই মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় তাঁকে সাহায্য করে খাসোগির প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্রপন্থী গ্রুপ ডন।
মামলাটি বাইডেন প্রশাসনকে আইনি ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বেশ চাপে ফেলে দিয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এই সময়ে সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনীতিক সম্পর্ক রাখতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র। অথচ, বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন জামাল খাসোগির হত্যার পর এমবিএসকে বিচারের আওতায় এনে তাঁকে একঘরে করে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েই হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেছিলেন।
কিন্তু পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতে বাইডেন তাঁর প্রতিশ্রুতির বিষয়টি চেপে যেতে বাধ্য হন। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর মাসের মাথায় সৌদি সফরে যান তিনি। সেখানে মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও বৈঠক হয় তাঁর।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৯ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
১০ ঘণ্টা আগে