
ঢাকা: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কিছু চীনা কোম্পানিতে মার্কিন বিনিয়োগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। এ তালিকাকে আরও লম্বা করছেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গতকাল বৃহস্পতিবার এ সম্পর্কিত এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাইডেন চীনের ৫৯টি কোম্পানিতে মার্কিন বিনিয়োগ নিষিদ্ধ করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বেশ কিছু চীনা কোম্পানিতে মার্কিনিদের বিনিয়োগ নিষিদ্ধ করে নির্বাহী আদেশ দিয়েছিলেন। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে—এমন সন্দেহ থেকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এই একই সন্দেহ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৫৯টি চীনা কোম্পানিতে মার্কিনিদের বিনিয়োগ নিষিদ্ধ করে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন।
গত বছরের নভেম্বরে চীনের ৩১টি কোম্পানিতে মার্কিন বিনিয়োগ নিষিদ্ধ করে একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প প্রশাসন সে সময় বলেছিল, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চীনের সামরিক বাহিনীর যোগ রয়েছে এবং সেই সূত্রে এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য ‘সরাসরি হুমকির’ কারণ।
বৃহস্পতিবার দেওয়া বাইডেনের নির্বাহী আদেশে ৫৯টি চীনা কোম্পানিকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। চীনের নজরদারি প্রযুক্তি কথা উল্লেখ করে এগুলোকে মার্কিন নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই আদেশ আগামী ২ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।
চায়না মোবাইল, চায়না টেলিকমিউনিকেশনস ও চায়না ইউনিকমের মতো চীনের বহু বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এই কালি তালিকায় রয়েছে। তালিকায় রয়েছে হুয়াওয়ে ও হিকভিশনের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও, যারা ভিডিও সার্ভেল্যান্স সরঞ্জামের উৎপাদক ও সরবরাহকারী।
যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণার আগেই চীনের কর্মকর্তারা জানিয়ে রেখেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার পথে হাঁটলে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিক্রিয়াও এসেছে সে মোতাবেকই। বাইডেন প্রশাসনের এ পদক্ষেপের ব্যাপারে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, চীনের প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় আইন মোতাবেক পাল্টা পদক্ষেপ নেবে চীন।

ঢাকা: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কিছু চীনা কোম্পানিতে মার্কিন বিনিয়োগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। এ তালিকাকে আরও লম্বা করছেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গতকাল বৃহস্পতিবার এ সম্পর্কিত এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাইডেন চীনের ৫৯টি কোম্পানিতে মার্কিন বিনিয়োগ নিষিদ্ধ করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বেশ কিছু চীনা কোম্পানিতে মার্কিনিদের বিনিয়োগ নিষিদ্ধ করে নির্বাহী আদেশ দিয়েছিলেন। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে—এমন সন্দেহ থেকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এই একই সন্দেহ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৫৯টি চীনা কোম্পানিতে মার্কিনিদের বিনিয়োগ নিষিদ্ধ করে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন।
গত বছরের নভেম্বরে চীনের ৩১টি কোম্পানিতে মার্কিন বিনিয়োগ নিষিদ্ধ করে একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প প্রশাসন সে সময় বলেছিল, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চীনের সামরিক বাহিনীর যোগ রয়েছে এবং সেই সূত্রে এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য ‘সরাসরি হুমকির’ কারণ।
বৃহস্পতিবার দেওয়া বাইডেনের নির্বাহী আদেশে ৫৯টি চীনা কোম্পানিকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। চীনের নজরদারি প্রযুক্তি কথা উল্লেখ করে এগুলোকে মার্কিন নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই আদেশ আগামী ২ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।
চায়না মোবাইল, চায়না টেলিকমিউনিকেশনস ও চায়না ইউনিকমের মতো চীনের বহু বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এই কালি তালিকায় রয়েছে। তালিকায় রয়েছে হুয়াওয়ে ও হিকভিশনের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও, যারা ভিডিও সার্ভেল্যান্স সরঞ্জামের উৎপাদক ও সরবরাহকারী।
যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণার আগেই চীনের কর্মকর্তারা জানিয়ে রেখেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার পথে হাঁটলে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিক্রিয়াও এসেছে সে মোতাবেকই। বাইডেন প্রশাসনের এ পদক্ষেপের ব্যাপারে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, চীনের প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় আইন মোতাবেক পাল্টা পদক্ষেপ নেবে চীন।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে