
ডরোথি হফনারের জন্ম ১৯১৮ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে। সেই অর্থে শতবর্ষের ব্যবধানে তিনি স্প্যানিশ ফ্লু ও করোনাভাইরাসের মতো দুটি বৈশ্বিক মহামারি থেকে বেঁচে গেছেন। ২০১৮ সালে তিনি ১০০ বছরে পা রাখেন। সে বছরই ১০ হাজার ফুট ওপর থেকে স্কাই ডাইভ করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন। কিন্তু কে জানত—বিশ্বকে দেখানোর মতো আরও চমক রয়ে গেছে এই দাদিমার।
এবার ১০৪ বছর বয়সে সাড়ে ১৩ হাজার ফুট ওপর থেকে মাটিতে লাফ দিলেন ডরোথি। গত ১ অক্টোবর শিকাগো থেকে ১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অটোয়া নামে একটি এলাকায় এই অভিযান সম্পন্ন করেন তিনি। মাটিতে পা রেখেই বিস্মিত দর্শকদের উদ্দেশে ডরোথি বলেন, ‘বয়স একটি সংখ্যা ছাড়া কিছু নয়।’
দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লাফ দিয়ে মাটিতে পা রাখার আগ পর্যন্ত প্রায় সাত মিনিট আকাশে ভেসেছিলেন ডরোথি। লাফ দেওয়ার আগে তিনি তাঁর ওয়াকার (হাঁটার জন্য ব্যবহৃত হয়) ছুড়ে ফেলে দেন। পরে সঙ্গীদের সহযোগিতায় একটি স্কাইভ্যানে চড়ে বসেন।
ডরোথির ইনস্ট্রাক্টর জানান, ১০০ বছর বয়সে তিনি যখন স্কাই ডাইভ করেছিলেন, সে সময় স্কাইভ্যান থেকে তাঁকে পেছন থেকে হালকা ধাক্কা দিতে হয়েছিল। কিন্তু ১০৪ বছর বয়সে তাঁর ধাক্কার প্রয়োজন হয়নি। নিজে থেকেই লাফ দিয়েছেন। লাফিয়ে পড়ার আগে তাঁকে শান্ত এবং আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল।
লাফ দেওয়ার সাত মিনিট পর একটি নিখুঁত ল্যান্ডিংয়ের মধ্য দিয়ে মাটিতে পা রাখামাত্রই ডরোথিকে অভিনন্দন জানাতে তাঁর দিকে ছুটে যান বন্ধুরা। তাঁদের একজনের হাতে ছিল ডরোথির ওয়াকার।
সোজা হয়ে দাঁড়িয়েই ডরোথি তাঁর বন্ধুদের নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘দারুণ। তবে এটা ওপরেই দারুণ ছিল। সবকিছু আনন্দদায়ক আর দুর্দান্ত ছিল, এর চেয়ে ভালো আর হতে পারে না।’
স্কাই ডাইভ শিকাগো নামে একটি সংস্থার সহযোগিতায় এই কীর্তি গড়েছেন ডরোথি। এর মধ্য দিয়ে তিনি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে নাম লেখাতে যাচ্ছেন। তাঁর আগে এই রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন লিনিয়া ইনগেগার্ড লারসন নামে আরেক নারী।

ডরোথি হফনারের জন্ম ১৯১৮ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে। সেই অর্থে শতবর্ষের ব্যবধানে তিনি স্প্যানিশ ফ্লু ও করোনাভাইরাসের মতো দুটি বৈশ্বিক মহামারি থেকে বেঁচে গেছেন। ২০১৮ সালে তিনি ১০০ বছরে পা রাখেন। সে বছরই ১০ হাজার ফুট ওপর থেকে স্কাই ডাইভ করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন। কিন্তু কে জানত—বিশ্বকে দেখানোর মতো আরও চমক রয়ে গেছে এই দাদিমার।
এবার ১০৪ বছর বয়সে সাড়ে ১৩ হাজার ফুট ওপর থেকে মাটিতে লাফ দিলেন ডরোথি। গত ১ অক্টোবর শিকাগো থেকে ১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অটোয়া নামে একটি এলাকায় এই অভিযান সম্পন্ন করেন তিনি। মাটিতে পা রেখেই বিস্মিত দর্শকদের উদ্দেশে ডরোথি বলেন, ‘বয়স একটি সংখ্যা ছাড়া কিছু নয়।’
দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লাফ দিয়ে মাটিতে পা রাখার আগ পর্যন্ত প্রায় সাত মিনিট আকাশে ভেসেছিলেন ডরোথি। লাফ দেওয়ার আগে তিনি তাঁর ওয়াকার (হাঁটার জন্য ব্যবহৃত হয়) ছুড়ে ফেলে দেন। পরে সঙ্গীদের সহযোগিতায় একটি স্কাইভ্যানে চড়ে বসেন।
ডরোথির ইনস্ট্রাক্টর জানান, ১০০ বছর বয়সে তিনি যখন স্কাই ডাইভ করেছিলেন, সে সময় স্কাইভ্যান থেকে তাঁকে পেছন থেকে হালকা ধাক্কা দিতে হয়েছিল। কিন্তু ১০৪ বছর বয়সে তাঁর ধাক্কার প্রয়োজন হয়নি। নিজে থেকেই লাফ দিয়েছেন। লাফিয়ে পড়ার আগে তাঁকে শান্ত এবং আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল।
লাফ দেওয়ার সাত মিনিট পর একটি নিখুঁত ল্যান্ডিংয়ের মধ্য দিয়ে মাটিতে পা রাখামাত্রই ডরোথিকে অভিনন্দন জানাতে তাঁর দিকে ছুটে যান বন্ধুরা। তাঁদের একজনের হাতে ছিল ডরোথির ওয়াকার।
সোজা হয়ে দাঁড়িয়েই ডরোথি তাঁর বন্ধুদের নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘দারুণ। তবে এটা ওপরেই দারুণ ছিল। সবকিছু আনন্দদায়ক আর দুর্দান্ত ছিল, এর চেয়ে ভালো আর হতে পারে না।’
স্কাই ডাইভ শিকাগো নামে একটি সংস্থার সহযোগিতায় এই কীর্তি গড়েছেন ডরোথি। এর মধ্য দিয়ে তিনি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে নাম লেখাতে যাচ্ছেন। তাঁর আগে এই রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন লিনিয়া ইনগেগার্ড লারসন নামে আরেক নারী।

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলা ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে কখনোই এক হতে পারেনি ইরানের বিভক্ত বিরোধী রাজনীতি। তবে এবার দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন সর্বশেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভি।
১ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ দিয়ে কঠোর তিরস্কার করেছে ভারত। দিল্লিতে কারাবন্দী সাবেক ছাত্রনেতা উমর খালিদকে সংহতি জানিয়ে একটি ব্যক্তিগত চিরকুট পাঠানোয় মামদানির ওপর চটেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই কথিত পরিকল্পনাকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ ইউক্রেনীয়দের জীবনের প্রায় সব সিদ্ধান্তই পাল্টে দিয়েছে। সম্পর্ক, বিয়ে কিংবা সন্তান নেওয়ার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও এখন যুদ্ধের বাস্তবতায় আটকে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যতের ওপর—ইউক্রেনে কমছে বিয়ে ও জন্মহার।
৩ ঘণ্টা আগে