
প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৩০ লাখ নথির একটি নতুন কিস্তি প্রকাশ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। এই নথিগুলো প্রকাশের পর আজ শনিবার ব্রিটিশ এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রথম পাতায় রাজপরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে বিশ্বনেতা ও প্রযুক্তির ধনকুবেরদের নাম উঠে এসেছে, যা বিশ্বজুড়ে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস এবং ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপস্টেইন গৃহবন্দী থেকে মুক্তি পাওয়ার মাত্র দুই মাস পর তাঁকে বাকিংহাম প্রাসাদে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু (মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর)। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসের একটি ই-মেইলে দেখা যায়, ‘দ্য ডিউক’ নামক একটি অ্যাকাউন্ট থেকে এপস্টেইনকে প্রাসাদে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং সেখানে তাঁকে ‘সর্বোচ্চ গোপনীয়তা’ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
ই-মেইলটিতে ‘HRH Duke of York KG’ স্বাক্ষর ছিল। যদিও বিবিসি বা অন্য কোনো সংবাদমাধ্যম এই ই-মেইলগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। তবে এই তথ্য রাজপরিবারের জন্য নতুন করে অস্বস্তি তৈরি করেছে। প্রিন্স অ্যান্ড্রু অবশ্য বরাবরই এপস্টেইনের সঙ্গে কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
ডেইলি টেলিগ্রাফ এবং দ্য সান একটি ই-মেইল আদান-প্রদানের তথ্য প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যায়, এপস্টেইন ‘দ্য ডিউক’কে ২৬ বছর বয়সী এক ‘সুন্দরী’ রুশ তরুণীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছেন। ই-মেইলে এপস্টেইন লিখেছেন, ‘আপনার জন্য আমার কাছে এক রুশ বান্ধবী আছে।’ এই তথ্যগুলো এপস্টেইনের সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর ঘনিষ্ঠতা এবং লেনদেনের গভীরতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।
নথিগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের নামও উঠে এসেছে।
ডেইলি মিরর জানিয়েছে, নথিতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কিছু অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িত থাকার অভিযোগ এসেছে। তবে মার্কিন বিচার বিভাগ স্পষ্ট করেছে, এসব অভিযোগের অনেকগুলোই অসমর্থিত এবং ভিত্তিহীন। হোয়াইট হাউস এবং ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এই অভিযোগগুলোকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ ও ‘চাঞ্চল্যকর গুজব’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ফাইলে দাবি করা হয়েছে, বিল গেটস এপস্টেইনের মাধ্যমে এক রুশ মেয়ের সঙ্গে যৌন সংসর্গে এসে যৌন রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বিল গেটসের মুখপাত্র এই দাবিকে ‘চরম হাস্যকর এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ লর্ড ম্যান্ডেলসনের সঙ্গী সম্পর্কিত তথ্যে জোর দেওয়া হয়েছে। নথিতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ২০০৯ সালে এপস্টেইন ম্যান্ডেলসনের সঙ্গী রেইনালদো আভিলা দা সিলভাকে কয়েক হাজার পাউন্ড পাঠিয়েছিলেন। ম্যান্ডেলসন ইতিপূর্বে এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্বের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও নতুন এই লেনদেনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত এই লাখ লাখ পৃষ্ঠার নথি থেকে আগামী দিনগুলোতে আরও অনেক প্রভাবশালীর গোপন তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এক গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদেশগুলোর নেতৃত্বকে মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলে চলতি সপ্তাহান্তেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার অনুমোদন দিতে পারেন। একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম...
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সরকারকে অ্যানথ্রপিকের প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অস্ত্রের লক্ষ্য নির্ধারণ ও যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে নাগরিকদের ওপর নজরদারি চালানো থেকে বিরত রাখবে—এমন রক্ষাকবচ ছাড়াই।
৩ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ জানুয়ারি রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে ইরানিদের মধ্যে এক চাপা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গুজব ছড়িয়ে যায়, যেকোনো মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হামলা চালাবে। আর এই আশঙ্কা এখনো ইরানের জনগণের মধ্যে রয়ে গেছে। যদিও আলোচনার ব্যবস্থা চলছে বলে জানিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
৫ ঘণ্টা আগে
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা ও পশ্চিম এশিয়ার দেশ ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ও দর–কষাকষির সুযোগ তৈরি হয়েছে। তেহরান নিশ্চিত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আলোচনার ব্যবস্থা গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে