
পশ্চিমা বিশ্বের কিছু তরুণ পুরুষের মধ্যে বিদেশে গিয়ে ‘ঐতিহ্যবাহী’ স্ত্রী খোঁজার প্রবণতা বাড়ছে। বিষয়টি ‘পাসপোর্ট ব্রো’ নামে পরিচিত একটি নতুন সামাজিক প্রবণতা হিসেবে আলোচনায় এসেছে। আধুনিক ডেটিং নিয়ে হতাশা থেকে অনেকে এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
মাইক নামের এক আমেরিকান তরুণ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ডেটিং করতে গিয়ে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, অনেক নারী পুরুষদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেন না। ঘরে বসে কাজের সুযোগ থাকায় তিনি থাইল্যান্ডে চলে যান। সেখানে তাঁর খরচ কম এবং তিনি নিজের পছন্দমতো একজন সঙ্গীও খুঁজে পান। বর্তমানে তিনি থাই নারী পাফানের সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন করেছেন। তাঁদের সম্পর্কের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মাইকের যত্ন নিচ্ছেন পাফান। বিষয়টি মাইকের অনেক অনুসারীর কাছেও আকর্ষণীয় বলে মনে হয়েছে।
দ্য ইকোনমিস্ট জানিয়েছে, এই ‘পাসপোর্ট ব্রো’-এর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তাঁরা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কোন দেশের নারীরা বেশি ‘নারীসুলভ’, ‘ঐতিহ্যবাহী’ বা পুরুষকে বেশি গুরুত্ব দেন—এমন তালিকা তৈরি করে। এ ক্ষেত্রে থাইল্যান্ড, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনাম তাঁদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠছে। অনেকের মতে, এটি ২০২৬ সালের একধরনের ‘লাইফ হ্যাক’।
তবে এই প্রবণতা একেবারে নতুন নয়। ইতিহাসবিদ বেথ বেইলি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ও পরে অনেক আমেরিকান পুরুষ বিদেশি নারীকে বিয়ে করেছিলেন। সেই ধারার আধুনিক রূপই আজকের ‘পাসপোর্ট ব্রো’ সংস্কৃতি। পার্থক্য হলো, এখন পুরুষেরা নারীদের নিজ দেশে নিয়ে না গিয়ে নিজেরাই বিদেশে চলে যাচ্ছেন, যা সহজ হয়েছে রিমোট জব ও ডিজিটাল-নোম্যাড ভিসার কারণে।
এই প্রবণতার পেছনে ডেটিং অ্যাপগুলোর ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য। অর্থনৈতিক কারণও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রে একক আয়ে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে উঠছে, কিন্তু উন্নয়নশীল দেশে তা তুলনামূলক সহজ। ফলে কিছু পুরুষ মনে করেন, সেখানে গিয়ে একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবার গঠন করা সম্ভব।
তবে সমালোচকেরা বলছেন, এই প্রবণতা নারীদের শোষণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং কখনো কখনো এটি যৌন পর্যটনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। আবার কেউ কেউ মনে করেন, আর্থিক নিরাপত্তার কারণেও কিছু নারী এই ধরনের সম্পর্কে জড়ান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশে ভালোবাসা খোঁজা ভুল নয়। তবে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বৈষম্য সম্পর্কের ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে; যা ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি করতে পারে।

আইআরজিসির নৌ কমান্ডের পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচলের জন্য যে শর্তগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো—নির্দিষ্ট রুট: কেবল বেসামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ইরানের নির্ধারিত রুট বা পথ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে। সামরিক জাহাজে নিষেধাজ্ঞা: এই প্রণালি দিয়ে যেকোনো বিদেশি সামরিক জাহাজ চলাচল আগের মতোই কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
২ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে এটি (ইউরেনিয়াম) উদ্ধার করতে যাচ্ছি। আমরা ইরানের সঙ্গে মিলে বেশ ধীরস্থিরভাবে সেখানে যাব এবং বড় বড় যন্ত্রপাতি দিয়ে খননকাজ শুরু করব...এরপর আমরা সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসব।’
২ ঘণ্টা আগে
ইরান নিয়ে নিজের গৃহীত নীতিগুলোর সমালোচনা করায় যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর আবার চড়াও হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শুক্রবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি সংবাদমাধ্যমগুলোকে আক্রমণ করে বলেন, তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর কাজের নেতিবাচক সমালোচনা করছে।
৩ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জুনে তিনটি প্রধান ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার পর মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামকেই ট্রাম্প ‘নিউক্লিয়ার ডাস্ট’ হিসেবে অভিহিত করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে