আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফেনটানাইল মাদক তৈরির কাঁচামাল পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারত থেকে কিছু ব্যবসায়ী ও করপোরেট নির্বাহীর ভিসা বাতিল ও প্রত্যাখ্যান করেছে ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।
ফেনটানাইল প্রিকারসর হলো একটি সিনথেটিক আফিম তৈরির জন্য ব্যবহৃত রাসায়নিক। যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত ডোজের কারণে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই মাদক।
দূতাবাস গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই ব্যক্তিরা এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের জন্য অযোগ্য।
দূতাবাস আরও জানায়, যেসব কোম্পানির নির্বাহী কর্মকর্তারা ফেনটানাইল প্রিকারসর পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে পরিচিত, তাঁদের ভিসার আবেদন আরও কঠোরভাবে যাচাই করা হবে।
দূতাবাস অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করেনি। তবে নিশ্চিত করেছে যে তাঁরা ভারতীয় নাগরিক। দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জরগান অ্যান্ড্রুজ বলেন, ‘নয়াদিল্লির মার্কিন দূতাবাস অবৈধ মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ তিনি আরও বলেন, এই পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা এবং তাঁদের পরিবার ‘যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার হারানোসহ বিভিন্ন পরিণতি ভোগ করতে পারেন।’
মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, বিপজ্জনক সিনথেটিক মাদক থেকে আমেরিকানদের নিরাপদ রাখার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টের বিধান দ্বারা এই পদক্ষেপ সুরক্ষিত ও সমর্থিত। ফেনটানাইল এবং এর কাঁচামালের প্রবাহ বন্ধ করাকে শীর্ষ অগ্রাধিকার হিসেবে বর্ণনা করে দূতাবাস এই ‘যৌথ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়’ ভারতীয় কর্মকর্তাদের ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার’ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
এর আগে গত জানুয়ারিতে, মার্কিন বিচার বিভাগ দুটি ভারতভিত্তিক কোম্পানি—র্যাক্সুটার কেমিক্যালস ও অ্যাথোস কেমিক্যালসের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা ভবেশ লটিয়ার বিরুদ্ধে ফেনটানাইল কাঁচামাল বিতরণ ও আমদানির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনে। ৪ জানুয়ারি তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত মার্চে ওয়াশিংটনের ফেডারেল প্রসিকিউটররাও বসুধা ফার্মা কেমিক্যালস লিমিটেড এবং এর তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ফেনটানাইল কাঁচামাল তৈরি ও বিতরণের অভিযোগ এনেছিল বলে মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
গত সপ্তাহে মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প ২৩টি প্রধান মাদক ট্রানজিট বা অবৈধ মাদক উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় ভারতের নাম উল্লেখ করেন। যদিও তিনি এই তালিকায় থাকা দেশগুলোর মাদকবিরোধী পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন।

ফেনটানাইল মাদক তৈরির কাঁচামাল পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারত থেকে কিছু ব্যবসায়ী ও করপোরেট নির্বাহীর ভিসা বাতিল ও প্রত্যাখ্যান করেছে ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।
ফেনটানাইল প্রিকারসর হলো একটি সিনথেটিক আফিম তৈরির জন্য ব্যবহৃত রাসায়নিক। যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত ডোজের কারণে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই মাদক।
দূতাবাস গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই ব্যক্তিরা এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের জন্য অযোগ্য।
দূতাবাস আরও জানায়, যেসব কোম্পানির নির্বাহী কর্মকর্তারা ফেনটানাইল প্রিকারসর পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে পরিচিত, তাঁদের ভিসার আবেদন আরও কঠোরভাবে যাচাই করা হবে।
দূতাবাস অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করেনি। তবে নিশ্চিত করেছে যে তাঁরা ভারতীয় নাগরিক। দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জরগান অ্যান্ড্রুজ বলেন, ‘নয়াদিল্লির মার্কিন দূতাবাস অবৈধ মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ তিনি আরও বলেন, এই পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা এবং তাঁদের পরিবার ‘যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার হারানোসহ বিভিন্ন পরিণতি ভোগ করতে পারেন।’
মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, বিপজ্জনক সিনথেটিক মাদক থেকে আমেরিকানদের নিরাপদ রাখার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টের বিধান দ্বারা এই পদক্ষেপ সুরক্ষিত ও সমর্থিত। ফেনটানাইল এবং এর কাঁচামালের প্রবাহ বন্ধ করাকে শীর্ষ অগ্রাধিকার হিসেবে বর্ণনা করে দূতাবাস এই ‘যৌথ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়’ ভারতীয় কর্মকর্তাদের ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার’ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
এর আগে গত জানুয়ারিতে, মার্কিন বিচার বিভাগ দুটি ভারতভিত্তিক কোম্পানি—র্যাক্সুটার কেমিক্যালস ও অ্যাথোস কেমিক্যালসের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা ভবেশ লটিয়ার বিরুদ্ধে ফেনটানাইল কাঁচামাল বিতরণ ও আমদানির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনে। ৪ জানুয়ারি তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত মার্চে ওয়াশিংটনের ফেডারেল প্রসিকিউটররাও বসুধা ফার্মা কেমিক্যালস লিমিটেড এবং এর তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ফেনটানাইল কাঁচামাল তৈরি ও বিতরণের অভিযোগ এনেছিল বলে মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
গত সপ্তাহে মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প ২৩টি প্রধান মাদক ট্রানজিট বা অবৈধ মাদক উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় ভারতের নাম উল্লেখ করেন। যদিও তিনি এই তালিকায় থাকা দেশগুলোর মাদকবিরোধী পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৫ ঘণ্টা আগে