আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইউটাহ ভ্যালি ইউনিভার্সিটিতে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন জনপ্রিয় রক্ষণশীল চিন্তাবিদ ও বক্তা চার্লি কার্ক। ৩১ বছর বয়সী এই রক্ষণশীল কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একজন ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হতো। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তরুণ ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জাগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। রিপাবলিকান শিবিরে তিনি ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন (মাগা)’ আন্দোলনের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
কার্ক একজন জনপ্রিয় রেডিও হোস্ট ও পডকাস্টারও ছিলেন। ব্যাপক জনপ্রিয় এই ব্যক্তির রয়েছে বহু সমালোচকও। তাদের অভিযোগ—জলবায়ু পরিবর্তন, বন্দুক নিয়ন্ত্রণ, এলজিবিটিকিউ+ কমিউনিটির অধিকার ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের মতো ইস্যুতে বিতর্কিত মন্তব্য ও ষড়যন্ত্রমূলক মন্তব্য করতেন তিনি। মার্কিন কলেজ ক্যাম্পাসে তিনি নিয়মিত উন্মুক্ত বিতর্ক আয়োজন করতেন এবং তার ‘প্রুভ মি রং’ (আমাকে ভুল প্রমাণ করুন) ধাঁচের প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে রক্ষণশীল মতামত প্রচার করতেন কার্ক। গতকাল বুধবার তেমনই একটি বিতর্কে গুলিবদ্ধ হয়ে নিহত হন তিনি।
২০২৩ সালে বন্দুক সহিংসতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে একে ‘গ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছিলেন কার্ক। তার ভাষ্য—মার্কিন সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী অনুযায়ী, নাগরিকদের অস্ত্র রাখার অধিকার হরণ করা যাবে না। সংবিধানের এই সংশোধনীকে রক্ষা করার জন্য প্রতিবছর বন্দুক সহিংসতায় কিছু মৃত্যু মেনে নেওয়া যেতেই পারে!
ওই বছর ৫ এপ্রিল সল্ট লেক সিটির অ্যাওকেন চার্চে তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর বন্দুক সহিংসতায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু মৃত্যু হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও যদি দ্বিতীয় সংশোধনী আমরা রক্ষা করতে পারি, তাহলে তা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, দ্বিতীয় সংশোধনী আমাদের বাকি মৌলিক অধিকারগুলো রক্ষা করার অধিকার দেয়।’
সেবারই অর্থাৎ ২০২৩ সালে তিনি নাগরিক অধিকার নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রকে তিনি ভয়ংকর ও খারাপ মানুষ বলে অভিহিত করেন।
করোনা ভাইরাস নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় ছিলেন কার্ক। ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির শুরুর সময় কার্ক একে ‘চায়না ভাইরাস’ হিসেবে অভিহিত করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে একটি পোস্টও করেন তিনি। পরবর্তীতে ট্রাম্পও তার প্রচারিত টার্মটি ব্যবহার করেন। ২০২১ সালে তিনি মহামারীকালীন ভ্যাকসিন বাধ্যবাধকতাকে বর্ণবাদের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এ ছাড়াও ২০২৪ সালে তিনি ‘গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট’ নামে একটি বিতর্কিত ষড়যন্ত্র তত্ত্ব প্রচার করেন, যা বলে যুক্তরাষ্ট্রে অনিবন্ধিত অভিবাসীরা শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের প্রতিস্থাপন করতে আসছে।
চার্লি কার্ক প্রায়শই তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে উসকানিমূলক বর্ণবাদী মন্তব্য করতেন। ২০২৪ সালে এক পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘কোনো কৃষ্ণাঙ্গ পাইলট দেখলেই মনে মনে ভাবি আশা করি সে “যোগ্য”।’ এ ছাড়াও, তিনি ‘জুনেন্টিন্থ’কে (১৮৬৫ সালে দাসপ্রথা বিলুপ্তির দিন) ফেডারেল ছুটি হিসেবে ঘোষণার বিরোধিতা করেছিলেন।
২০১২ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে চার্লি কার্ক শিকাগো শহরে উইলিয়াম মন্টগোমেরি নামে এক রাজনৈতিক কর্মীর সঙ্গে টার্নিং পয়েন্ট নামের একটি সংগঠন গড়েন। এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন ধারণা ছড়িয়ে দেওয়া যে—সরকারের ক্ষমতা সীমিত হওয়া উচিত এবং জনগণের ওপর কর কম হওয়া উচিত।
পরে, ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন, তখন টার্নিং পয়েন্ট প্রকাশ্যে তার প্রতি সমর্থন জানায়। সেই নির্বাচনের সময় কার্ক সরাসরি ট্রাম্পের বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও কাজ করেছিলেন।
ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক টার্নিং পয়েন্টের দ্রুত উত্থানে সহায়ক হয়। খুব শীঘ্রই কার্ক ক্যাবল টিভিতে নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠেন, যেখানে সাংস্কৃতিক যুদ্ধ নিয়ে বিতর্ক করতেন এবং প্রেসিডেন্টের প্রশংসা করতেন। প্রকাশিত নথি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, টার্নিং পয়েন্টের অনুদান ২০২২ সালে ৭৯ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। সংগঠনটি প্রায় ৪ হাজার হাই স্কুল ও কলেজ ক্যাম্পাসে সক্রিয় এবং শত শত অনলাইন প্রভাবশালীকে রক্ষণশীল জীবনধারা প্রচারে ব্যবহার করছে।

ইউটাহ ভ্যালি ইউনিভার্সিটিতে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন জনপ্রিয় রক্ষণশীল চিন্তাবিদ ও বক্তা চার্লি কার্ক। ৩১ বছর বয়সী এই রক্ষণশীল কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একজন ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হতো। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তরুণ ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জাগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। রিপাবলিকান শিবিরে তিনি ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন (মাগা)’ আন্দোলনের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
কার্ক একজন জনপ্রিয় রেডিও হোস্ট ও পডকাস্টারও ছিলেন। ব্যাপক জনপ্রিয় এই ব্যক্তির রয়েছে বহু সমালোচকও। তাদের অভিযোগ—জলবায়ু পরিবর্তন, বন্দুক নিয়ন্ত্রণ, এলজিবিটিকিউ+ কমিউনিটির অধিকার ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের মতো ইস্যুতে বিতর্কিত মন্তব্য ও ষড়যন্ত্রমূলক মন্তব্য করতেন তিনি। মার্কিন কলেজ ক্যাম্পাসে তিনি নিয়মিত উন্মুক্ত বিতর্ক আয়োজন করতেন এবং তার ‘প্রুভ মি রং’ (আমাকে ভুল প্রমাণ করুন) ধাঁচের প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে রক্ষণশীল মতামত প্রচার করতেন কার্ক। গতকাল বুধবার তেমনই একটি বিতর্কে গুলিবদ্ধ হয়ে নিহত হন তিনি।
২০২৩ সালে বন্দুক সহিংসতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে একে ‘গ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছিলেন কার্ক। তার ভাষ্য—মার্কিন সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী অনুযায়ী, নাগরিকদের অস্ত্র রাখার অধিকার হরণ করা যাবে না। সংবিধানের এই সংশোধনীকে রক্ষা করার জন্য প্রতিবছর বন্দুক সহিংসতায় কিছু মৃত্যু মেনে নেওয়া যেতেই পারে!
ওই বছর ৫ এপ্রিল সল্ট লেক সিটির অ্যাওকেন চার্চে তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর বন্দুক সহিংসতায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু মৃত্যু হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও যদি দ্বিতীয় সংশোধনী আমরা রক্ষা করতে পারি, তাহলে তা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, দ্বিতীয় সংশোধনী আমাদের বাকি মৌলিক অধিকারগুলো রক্ষা করার অধিকার দেয়।’
সেবারই অর্থাৎ ২০২৩ সালে তিনি নাগরিক অধিকার নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রকে তিনি ভয়ংকর ও খারাপ মানুষ বলে অভিহিত করেন।
করোনা ভাইরাস নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় ছিলেন কার্ক। ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির শুরুর সময় কার্ক একে ‘চায়না ভাইরাস’ হিসেবে অভিহিত করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে একটি পোস্টও করেন তিনি। পরবর্তীতে ট্রাম্পও তার প্রচারিত টার্মটি ব্যবহার করেন। ২০২১ সালে তিনি মহামারীকালীন ভ্যাকসিন বাধ্যবাধকতাকে বর্ণবাদের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এ ছাড়াও ২০২৪ সালে তিনি ‘গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট’ নামে একটি বিতর্কিত ষড়যন্ত্র তত্ত্ব প্রচার করেন, যা বলে যুক্তরাষ্ট্রে অনিবন্ধিত অভিবাসীরা শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের প্রতিস্থাপন করতে আসছে।
চার্লি কার্ক প্রায়শই তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে উসকানিমূলক বর্ণবাদী মন্তব্য করতেন। ২০২৪ সালে এক পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘কোনো কৃষ্ণাঙ্গ পাইলট দেখলেই মনে মনে ভাবি আশা করি সে “যোগ্য”।’ এ ছাড়াও, তিনি ‘জুনেন্টিন্থ’কে (১৮৬৫ সালে দাসপ্রথা বিলুপ্তির দিন) ফেডারেল ছুটি হিসেবে ঘোষণার বিরোধিতা করেছিলেন।
২০১২ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে চার্লি কার্ক শিকাগো শহরে উইলিয়াম মন্টগোমেরি নামে এক রাজনৈতিক কর্মীর সঙ্গে টার্নিং পয়েন্ট নামের একটি সংগঠন গড়েন। এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন ধারণা ছড়িয়ে দেওয়া যে—সরকারের ক্ষমতা সীমিত হওয়া উচিত এবং জনগণের ওপর কর কম হওয়া উচিত।
পরে, ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন, তখন টার্নিং পয়েন্ট প্রকাশ্যে তার প্রতি সমর্থন জানায়। সেই নির্বাচনের সময় কার্ক সরাসরি ট্রাম্পের বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও কাজ করেছিলেন।
ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক টার্নিং পয়েন্টের দ্রুত উত্থানে সহায়ক হয়। খুব শীঘ্রই কার্ক ক্যাবল টিভিতে নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠেন, যেখানে সাংস্কৃতিক যুদ্ধ নিয়ে বিতর্ক করতেন এবং প্রেসিডেন্টের প্রশংসা করতেন। প্রকাশিত নথি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, টার্নিং পয়েন্টের অনুদান ২০২২ সালে ৭৯ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। সংগঠনটি প্রায় ৪ হাজার হাই স্কুল ও কলেজ ক্যাম্পাসে সক্রিয় এবং শত শত অনলাইন প্রভাবশালীকে রক্ষণশীল জীবনধারা প্রচারে ব্যবহার করছে।

পাকিস্তানের একটি বিশেষ সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি) দেশটির আটজন সুপরিচিত সাংবাদিক, ইউটিউবার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্লেষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সমর্থনে অনলাইন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) তাঁদের
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অন্তত পাঁচজন মার্কিন নাগরিককে আটক করেছে ভেনেজুয়েলার নিরাপত্তা বাহিনী। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একজন মার্কিন কর্মকর্তা সিএনএনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১৯ মিনিট আগে
গত দুই দশক ধরে মার-এ-লাগোতে নববর্ষের এই আয়োজন ট্রাম্পের একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। অতীতে মারথা স্টুয়ার্ট, সেরেনা উইলিয়ামস এবং টাইগার উডসের মতো তারকারা এখানে অংশ নিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে টানা আটবার স্বীকৃতি পেয়েছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর। তবে এবার এই পরিচ্ছন্ন শহরেই পানীয় জলের ভয়াবহ দূষণে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে