
পর্নো তারকাকে ঘুষ দেওয়ার তথ্য গোপনের মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত একটি ব্যতিক্রমী দণ্ড দিয়েছেন। তাঁকে কারাদণ্ড বা জরিমানা নয়, বরং দেওয়া হয়েছে ‘শর্তহীন মুক্তি’।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) নিউইয়র্কের বিচারক হুয়ান মারচান এ রায় ঘোষণা করেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। মুখ বন্ধ করতে পর্নো তারকাকে ঘুষ দেওয়ার এই মামলায় আইন অনুযায়ী তাঁর সর্বোচ্চ চার বছরের কারাদণ্ড হতে পারত। তবে শর্তহীন মুক্তি হলো এমন একটি দণ্ড, যেখানে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হলেও তাঁর ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা বা শর্ত আরোপ করা হয় না।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ট্রাম্পের সঙ্গে সাবেক পর্নো তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসের যৌন সম্পর্ক ছিল। ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে সেই সম্পর্কের কথা গোপন রাখতে স্টর্মিকে ঘুষ দেন ট্রাম্প। তবে ঘুষের এই তথ্য তিনি তাঁর ব্যবসায়িক নথিতে উল্লেখ করেননি। এ ঘটনায় গত বছরের মে মাসে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
বিচারক মারচান বলেন, ট্রাম্পকে দেওয়া এই দণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের বিচারিক ইতিহাসে বিরল। তিনি আরও জানান, আদালত এমন একটি অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে দেশের সর্বোচ্চ পদে থাকা ব্যক্তির ওপর আইনগতভাবে হস্তক্ষেপ না করেই শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
রায়ের সময় ট্রাম্প ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে আদালতে যুক্ত ছিলেন। শর্তহীন মুক্তি ঘোষণার আগে তিনি বলেন, ‘এটি একটি ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। নিউইয়র্ক ও এখানকার বিচার ব্যবস্থা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। এই মামলাটি আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করে নির্বাচনে পরাজিত করার জন্য করা হয়েছে।’
রায়ের বিরুদ্ধে রিপাবলিকান পার্টি উচ্চ আদালতে আপিল করেছিল এবং ট্রাম্পের আইনজীবী সাজা স্থগিতের আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে নিউইয়র্কের সহযোগী বিচারপতি এলেন জেসমার সেই আবেদন খারিজ করে দেন। ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা হয়েছে।
রায়ের দিন ম্যানহাটন আদালতের বাইরে ট্রাম্পের সমর্থক ও বিরোধীরা জড়ো হন। সমর্থকেরা ট্রাম্পের নামে ব্যানার নিয়ে অবস্থান করেন, আর বিরোধীদের হাতে ছিল ‘ট্রাম্প দোষী’ লেখা প্ল্যাকার্ড।
উল্লেখ্য, গত ৬ জানুয়ারি ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ঠিক চার বছর আগে, একই দিনে ২০২০ সালের নির্বাচনের পর ট্রাম্পের আহ্বানে মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটল হিলে হামলা চালায় তাঁর সমর্থকেরা। সেই হামলায় উসকানি দেওয়ার মামলায় অবশ্য ট্রাম্পকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

পর্নো তারকাকে ঘুষ দেওয়ার তথ্য গোপনের মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত একটি ব্যতিক্রমী দণ্ড দিয়েছেন। তাঁকে কারাদণ্ড বা জরিমানা নয়, বরং দেওয়া হয়েছে ‘শর্তহীন মুক্তি’।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) নিউইয়র্কের বিচারক হুয়ান মারচান এ রায় ঘোষণা করেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। মুখ বন্ধ করতে পর্নো তারকাকে ঘুষ দেওয়ার এই মামলায় আইন অনুযায়ী তাঁর সর্বোচ্চ চার বছরের কারাদণ্ড হতে পারত। তবে শর্তহীন মুক্তি হলো এমন একটি দণ্ড, যেখানে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হলেও তাঁর ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা বা শর্ত আরোপ করা হয় না।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ট্রাম্পের সঙ্গে সাবেক পর্নো তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসের যৌন সম্পর্ক ছিল। ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে সেই সম্পর্কের কথা গোপন রাখতে স্টর্মিকে ঘুষ দেন ট্রাম্প। তবে ঘুষের এই তথ্য তিনি তাঁর ব্যবসায়িক নথিতে উল্লেখ করেননি। এ ঘটনায় গত বছরের মে মাসে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
বিচারক মারচান বলেন, ট্রাম্পকে দেওয়া এই দণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের বিচারিক ইতিহাসে বিরল। তিনি আরও জানান, আদালত এমন একটি অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে দেশের সর্বোচ্চ পদে থাকা ব্যক্তির ওপর আইনগতভাবে হস্তক্ষেপ না করেই শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
রায়ের সময় ট্রাম্প ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে আদালতে যুক্ত ছিলেন। শর্তহীন মুক্তি ঘোষণার আগে তিনি বলেন, ‘এটি একটি ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। নিউইয়র্ক ও এখানকার বিচার ব্যবস্থা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। এই মামলাটি আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করে নির্বাচনে পরাজিত করার জন্য করা হয়েছে।’
রায়ের বিরুদ্ধে রিপাবলিকান পার্টি উচ্চ আদালতে আপিল করেছিল এবং ট্রাম্পের আইনজীবী সাজা স্থগিতের আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে নিউইয়র্কের সহযোগী বিচারপতি এলেন জেসমার সেই আবেদন খারিজ করে দেন। ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা হয়েছে।
রায়ের দিন ম্যানহাটন আদালতের বাইরে ট্রাম্পের সমর্থক ও বিরোধীরা জড়ো হন। সমর্থকেরা ট্রাম্পের নামে ব্যানার নিয়ে অবস্থান করেন, আর বিরোধীদের হাতে ছিল ‘ট্রাম্প দোষী’ লেখা প্ল্যাকার্ড।
উল্লেখ্য, গত ৬ জানুয়ারি ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ঠিক চার বছর আগে, একই দিনে ২০২০ সালের নির্বাচনের পর ট্রাম্পের আহ্বানে মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটল হিলে হামলা চালায় তাঁর সমর্থকেরা। সেই হামলায় উসকানি দেওয়ার মামলায় অবশ্য ট্রাম্পকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
১০ ঘণ্টা আগে