
রাশিয়ার বিলিয়নিয়ার ও বিখ্যাত ফুটবল ক্লাব চেলসির সাবেক মালিক রোমান আব্রামোভিচের দুটি বিমান জব্দ করার অধিকার পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির একটি আদালত গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়া রোমান আব্রামোভিচের ওই দুটি বিমান জব্দ করতে পরোয়ানা জারি করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার কর্তৃক রাশিয়া এবং রাশিয়ার অলিগার্চদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় এই জব্দ করার অধিকার পেল যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাশিয়া এবং রুশ অলিগার্চদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালত ওই পরোয়ানা জারি করে। আদালত জানিয়েছে, যেহেতু বিমান দুটি যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে তাই বিমান দুটি জব্দ করা প্রয়োজন। এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ থেকে আব্রামোভিচের ওই বিমান দুটির ব্যাপারে আদালতে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেও আদালতের এই পরোয়ানা।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৬০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের গালফস্ট্রীম জি–৬৫০ ইআর বিমান দুটির দখল নিতে পারছিল না আইনি বাঁধার কারণে। কিন্তু আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে সেই বাঁধা দূর হলো।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, এই পরোয়ানা মূলত রোমান আব্রামোভিচকে ভয় দেখানোর জন্য যাতে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেনে আক্রমণ বন্ধ করার বিষয়ে প্রভাবিত করেন।
তবে এই বিষয়ে আব্রামোভিচের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আব্রামোভিচ বরাবরই তাঁর সঙ্গে পুতিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।

রাশিয়ার বিলিয়নিয়ার ও বিখ্যাত ফুটবল ক্লাব চেলসির সাবেক মালিক রোমান আব্রামোভিচের দুটি বিমান জব্দ করার অধিকার পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির একটি আদালত গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়া রোমান আব্রামোভিচের ওই দুটি বিমান জব্দ করতে পরোয়ানা জারি করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার কর্তৃক রাশিয়া এবং রাশিয়ার অলিগার্চদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় এই জব্দ করার অধিকার পেল যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাশিয়া এবং রুশ অলিগার্চদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালত ওই পরোয়ানা জারি করে। আদালত জানিয়েছে, যেহেতু বিমান দুটি যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে তাই বিমান দুটি জব্দ করা প্রয়োজন। এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ থেকে আব্রামোভিচের ওই বিমান দুটির ব্যাপারে আদালতে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেও আদালতের এই পরোয়ানা।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৬০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের গালফস্ট্রীম জি–৬৫০ ইআর বিমান দুটির দখল নিতে পারছিল না আইনি বাঁধার কারণে। কিন্তু আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে সেই বাঁধা দূর হলো।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, এই পরোয়ানা মূলত রোমান আব্রামোভিচকে ভয় দেখানোর জন্য যাতে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেনে আক্রমণ বন্ধ করার বিষয়ে প্রভাবিত করেন।
তবে এই বিষয়ে আব্রামোভিচের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আব্রামোভিচ বরাবরই তাঁর সঙ্গে পুতিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৪৪ মিনিট আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১২ ঘণ্টা আগে