
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), রয়টার্স, হাফ পোস্ট ও জার্মান সংবাদপত্র ডের টাগেসস্পিগেলের প্রতিবেদকদের প্রবেশের অনুমতি দেয়নি হোয়াইট হাউস। গতকাল বুধবার এই বৈঠকে ছিলেন এবিসি ও নিউজম্যাক্সের টিভি ক্রু, অ্যাক্সিওস, দ্য ব্লেজ, ব্লুমবার্গ নিউজ ও এনপিআরের সংবাদদাতারা।
এর আগে মঙ্গলবার, ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, কোন কোন গণমাধ্যম ওভাল অফিস থেকে প্রেসিডেন্টকে কাভার করতে পারবে হোয়াইট হাউস নির্ধারণ করবে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যম সংস্থাগুলো এখনো প্রতিদিনের ভিত্তিতে ট্রাম্পকে কাভার করার অনুমতি পাবে, তবে প্রশাসন ছোট জায়গাগুলোর জন্য অংশগ্রহণকারী গণমাধ্যমগুলোর তালিকা পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করছে।
এর আগে হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউএইচসিএ) দ্বারা পরিচালিত পুল ব্যবস্থা নির্বাচিত টেলিভিশন, রেডিও, সংবাদ সংস্থা, প্রিন্ট ও ফটো সাংবাদিকদের ইভেন্ট কাভার করার এবং তাদের প্রতিবেদন বিস্তৃত গণমাধ্যমের সঙ্গে ভাগ করার সুযোগ দিত।
গতকাল বুধবার নতুন এই নীতির প্রতিক্রিয়ায় একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস পুলের স্থায়ী সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা তিনটি সংবাদ সংস্থা—এপি, ব্লুমবার্গ এবং রয়টার্স।
সংস্থাগুলো বলছে, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি যেন প্রেসিডেন্সি সম্পর্কে সঠিক, নিরপেক্ষ এবং সময়োপযোগী তথ্য যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের বিস্তৃত দর্শকের কাছে পৌঁছায়। বিশ্বজুড়ে যেখানে যত স্থানীয় সংবাদমাধ্যম হোয়াইট হাউসের খবর প্রকাশ করে, তার বেশির ভাগই এই সংবাদ সংস্থাগুলোর মাধ্যমে আসে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘গণতন্ত্রে জনগণের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতার মাধ্যমে তারা সরকারের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার সুযোগ রাখে।’
হাফ পোস্ট হোয়াইট হাউসের এই সিদ্ধান্তকে প্রথম সংশোধনীতে থাকা মুক্ত গণমাধ্যমের অধিকারের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে।
জার্মান সংবাদপত্র ডের টাগেসস্পিগেল মন্তব্যের অনুরোধের জবাব তাৎক্ষণিকভাবে দেয়নি।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের নতুন এই নীতির প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে ডব্লিউএইচসিএ।
ট্রাম্প প্রশাসনের এই মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ নীতির প্রথম আঘাত আসে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ওপর। এপি মেক্সিকো উপসাগরকে ‘গালফ অব আমেরিকা’ বলে উল্লেখ করতে অস্বীকৃতি জানানোয় এপিকে হোয়াইট হাউসের পুল থেকে বের করে দেয় ট্রাম্প প্রশাসন।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব লেভিট বলেন, পাঁচটি প্রধান কেবল এবং সম্প্রচার টেলিভিশন নেটওয়ার্ক তাদের রোটেটিং (পর্যায়ক্রমিক) আসন সংরক্ষণ করবে, তবে হোয়াইট হাউস এতে স্ট্রিমিং পরিষেবাগুলো যুক্ত করবে। রোটেটিং প্রিন্ট এবং রেডিও সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্ত করা অব্যাহত থাকবে, পাশাপাশি নতুন সংবাদ সংস্থা ও রেডিও উপস্থাপক যুক্ত করা হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), রয়টার্স, হাফ পোস্ট ও জার্মান সংবাদপত্র ডের টাগেসস্পিগেলের প্রতিবেদকদের প্রবেশের অনুমতি দেয়নি হোয়াইট হাউস। গতকাল বুধবার এই বৈঠকে ছিলেন এবিসি ও নিউজম্যাক্সের টিভি ক্রু, অ্যাক্সিওস, দ্য ব্লেজ, ব্লুমবার্গ নিউজ ও এনপিআরের সংবাদদাতারা।
এর আগে মঙ্গলবার, ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, কোন কোন গণমাধ্যম ওভাল অফিস থেকে প্রেসিডেন্টকে কাভার করতে পারবে হোয়াইট হাউস নির্ধারণ করবে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যম সংস্থাগুলো এখনো প্রতিদিনের ভিত্তিতে ট্রাম্পকে কাভার করার অনুমতি পাবে, তবে প্রশাসন ছোট জায়গাগুলোর জন্য অংশগ্রহণকারী গণমাধ্যমগুলোর তালিকা পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করছে।
এর আগে হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউএইচসিএ) দ্বারা পরিচালিত পুল ব্যবস্থা নির্বাচিত টেলিভিশন, রেডিও, সংবাদ সংস্থা, প্রিন্ট ও ফটো সাংবাদিকদের ইভেন্ট কাভার করার এবং তাদের প্রতিবেদন বিস্তৃত গণমাধ্যমের সঙ্গে ভাগ করার সুযোগ দিত।
গতকাল বুধবার নতুন এই নীতির প্রতিক্রিয়ায় একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস পুলের স্থায়ী সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা তিনটি সংবাদ সংস্থা—এপি, ব্লুমবার্গ এবং রয়টার্স।
সংস্থাগুলো বলছে, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি যেন প্রেসিডেন্সি সম্পর্কে সঠিক, নিরপেক্ষ এবং সময়োপযোগী তথ্য যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের বিস্তৃত দর্শকের কাছে পৌঁছায়। বিশ্বজুড়ে যেখানে যত স্থানীয় সংবাদমাধ্যম হোয়াইট হাউসের খবর প্রকাশ করে, তার বেশির ভাগই এই সংবাদ সংস্থাগুলোর মাধ্যমে আসে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘গণতন্ত্রে জনগণের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতার মাধ্যমে তারা সরকারের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার সুযোগ রাখে।’
হাফ পোস্ট হোয়াইট হাউসের এই সিদ্ধান্তকে প্রথম সংশোধনীতে থাকা মুক্ত গণমাধ্যমের অধিকারের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে।
জার্মান সংবাদপত্র ডের টাগেসস্পিগেল মন্তব্যের অনুরোধের জবাব তাৎক্ষণিকভাবে দেয়নি।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের নতুন এই নীতির প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে ডব্লিউএইচসিএ।
ট্রাম্প প্রশাসনের এই মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ নীতির প্রথম আঘাত আসে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ওপর। এপি মেক্সিকো উপসাগরকে ‘গালফ অব আমেরিকা’ বলে উল্লেখ করতে অস্বীকৃতি জানানোয় এপিকে হোয়াইট হাউসের পুল থেকে বের করে দেয় ট্রাম্প প্রশাসন।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব লেভিট বলেন, পাঁচটি প্রধান কেবল এবং সম্প্রচার টেলিভিশন নেটওয়ার্ক তাদের রোটেটিং (পর্যায়ক্রমিক) আসন সংরক্ষণ করবে, তবে হোয়াইট হাউস এতে স্ট্রিমিং পরিষেবাগুলো যুক্ত করবে। রোটেটিং প্রিন্ট এবং রেডিও সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্ত করা অব্যাহত থাকবে, পাশাপাশি নতুন সংবাদ সংস্থা ও রেডিও উপস্থাপক যুক্ত করা হবে।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
১ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৩ ঘণ্টা আগে