
গাজায় চলমান গণহত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নীতির প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন তারই প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা। গতকাল বুধবার পদত্যাগ করেন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগের পরিকল্পনা, মূল্যায়ন ও নীতি উন্নয়ন বিষয়ক কার্যালয়ের বিশেষ সহকারী তারিক হাবাশ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ খবর বলা হয়েছে।
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্বিচারে গণহত্যা চললেও বাইডেন প্রশাসনের ইসরায়েল-ঘেঁষা নীতির সমালোচনা চলছে সর্বত্র। অসন্তোষ বাড়ছে বাইডেনের প্রশাসনেও। তারই সর্বশেষ ইঙ্গিত ছিল তারিক হাবাসের পদত্যাগ। এ ছাড়াও, গাজা ইস্যুতে বাইডেন ভোটার হারাতে পারেন বলে গতকালই এক বেনামি চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করেছে বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত ১৭ জন কর্মী।
শিক্ষামন্ত্রী মিগুয়েল কর্ডোনার কাছে লেখা এক চিঠিতে তারিক হাবাশ বলেছেন, ‘নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতা যেভাবে দেখেও না দেখার ভান করছে এই (বাইডেন) প্রশাসন তাতে আমি নীরব থাকতে পারি না। শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছেন।’
ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নাগরিক তারিক হাবাশ শিক্ষার্থী ঋণের বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ। জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দিকে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগে শিক্ষার্থীদের ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাইডেন প্রশাসনের প্রতি বেনামি চিঠিতে আহ্বান জানিয়েছে তার নির্বাচনী প্রচারণার ১৭ কর্মী। চিঠিতে বলা হয়, ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচনী প্রচারণা সঙ্গে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবকদের দলে দলে প্রচারণা ছেড়ে চলে যেতে দেখা গেছে। যারা কয়েক দশক ধরে ডেমোক্রেটিক পার্টিকে ভোট দিয়ে আসছে তারাও গাজায় চলমান সহিংসতার কারণে প্রথমবারের মতো নীল দলে ভোট দেওয়ার ব্যাপারে অনিশ্চয়তায় ভুগছে।
এ সম্পর্কে মন্তব্যের জন্য অনুরোধ করেও বাইডেনের প্রচারণা চালানো দলের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অবশ্য বাইডেন প্রশাসনের নীতির প্রতিবাদ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তার পদত্যাগের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। গত অক্টোবরে ইসরায়েলের প্রতি অন্ধ সমর্থনের অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করেছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা জশ পল।
এ ছাড়া গত বছরের নভেম্বরে ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) এক হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে বাইডেন প্রশাসনকে লেখা এক খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। ওই কর্মকর্তারা পেশাগতভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অংশ ছিলেন।
আর গত ডিসেম্বরে বাইডেন প্রশাসনের কিছু কর্মী গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে হোয়াইট হাউসের কাছে একটি কর্মসূচি পালন করেছিলেন।
এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার গতকাল বুধবার বলেছেন যে, গাজায় গণহত্যা চলছে এমন কোনো কর্মকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্র পর্যবেক্ষণ করেনি।

গাজায় চলমান গণহত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নীতির প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন তারই প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা। গতকাল বুধবার পদত্যাগ করেন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগের পরিকল্পনা, মূল্যায়ন ও নীতি উন্নয়ন বিষয়ক কার্যালয়ের বিশেষ সহকারী তারিক হাবাশ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ খবর বলা হয়েছে।
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্বিচারে গণহত্যা চললেও বাইডেন প্রশাসনের ইসরায়েল-ঘেঁষা নীতির সমালোচনা চলছে সর্বত্র। অসন্তোষ বাড়ছে বাইডেনের প্রশাসনেও। তারই সর্বশেষ ইঙ্গিত ছিল তারিক হাবাসের পদত্যাগ। এ ছাড়াও, গাজা ইস্যুতে বাইডেন ভোটার হারাতে পারেন বলে গতকালই এক বেনামি চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করেছে বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত ১৭ জন কর্মী।
শিক্ষামন্ত্রী মিগুয়েল কর্ডোনার কাছে লেখা এক চিঠিতে তারিক হাবাশ বলেছেন, ‘নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতা যেভাবে দেখেও না দেখার ভান করছে এই (বাইডেন) প্রশাসন তাতে আমি নীরব থাকতে পারি না। শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছেন।’
ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নাগরিক তারিক হাবাশ শিক্ষার্থী ঋণের বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ। জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দিকে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগে শিক্ষার্থীদের ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাইডেন প্রশাসনের প্রতি বেনামি চিঠিতে আহ্বান জানিয়েছে তার নির্বাচনী প্রচারণার ১৭ কর্মী। চিঠিতে বলা হয়, ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচনী প্রচারণা সঙ্গে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবকদের দলে দলে প্রচারণা ছেড়ে চলে যেতে দেখা গেছে। যারা কয়েক দশক ধরে ডেমোক্রেটিক পার্টিকে ভোট দিয়ে আসছে তারাও গাজায় চলমান সহিংসতার কারণে প্রথমবারের মতো নীল দলে ভোট দেওয়ার ব্যাপারে অনিশ্চয়তায় ভুগছে।
এ সম্পর্কে মন্তব্যের জন্য অনুরোধ করেও বাইডেনের প্রচারণা চালানো দলের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অবশ্য বাইডেন প্রশাসনের নীতির প্রতিবাদ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তার পদত্যাগের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। গত অক্টোবরে ইসরায়েলের প্রতি অন্ধ সমর্থনের অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করেছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা জশ পল।
এ ছাড়া গত বছরের নভেম্বরে ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) এক হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে বাইডেন প্রশাসনকে লেখা এক খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। ওই কর্মকর্তারা পেশাগতভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অংশ ছিলেন।
আর গত ডিসেম্বরে বাইডেন প্রশাসনের কিছু কর্মী গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে হোয়াইট হাউসের কাছে একটি কর্মসূচি পালন করেছিলেন।
এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার গতকাল বুধবার বলেছেন যে, গাজায় গণহত্যা চলছে এমন কোনো কর্মকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্র পর্যবেক্ষণ করেনি।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৯ ঘণ্টা আগে