আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন কয়েক দিনের মধ্যেই যুদ্ধ বন্ধে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। এমনকি এই সপ্তাহের মধ্যেই এই চুক্তি হতে পারে। ট্রাম্প মনে করেন, এরপর দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যে মনযোগ দিতে পারবে।
রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প কিছুদিন আগেই হুমকি দিয়েছিলেন অতি দ্রুত ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়ে মস্কো ও কিয়েভ কোনো সিদ্ধান্তে না আসলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা থেকে সরে আসতে পারে। একই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্পের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সেই জায়গা থেকে সরে এসে ট্রাম্প এখন আবার এই মন্তব্য করলেন।
স্থানীয় সময় গতকাল রোববার নিজ মালিকানাধীন সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেন, ‘আশা করি রাশিয়া (এবং) ইউক্রেন এই সপ্তাহেই একটি চুক্তি করবে। এরপর উভয় দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় ব্যবসা শুরু করবে। যুক্তরাষ্ট্র সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং উভয় পক্ষই প্রচুর লাভ করবে।’
এদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গতকাল রোববার ৩০ ঘণ্টার ‘ইস্টার যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণা করেছিলেন। স্থানীয় সময় রোববার দিবাগত মধ্যরাতের পর এর মেয়াদ শেষ হয়। ক্রেমলিন নিশ্চিত করেছে, যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ছুটির দিনে যুদ্ধবিরতি চলাকালে প্রায় ১ হাজার ৩০০ বার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কামানের গোলা ও ড্রোন হামলাও ছিল।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ট্রাম্প বারবার ইউক্রেন সংঘাত ‘যত দ্রুত সম্ভব’ শেষ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁর প্রশাসন সে লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে। গত মাসে জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বন্ধে ৩০ দিনের স্থগিতাদেশও দেওয়া হয়েছিল। তবে মস্কো ও কিয়েভ পরে একে অপরের বিরুদ্ধে সেই চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ‘পূর্ণাঙ্গ ও ব্যাপক যুদ্ধবিরতির’ বিষয়ে ‘সিদ্ধান্ত’ নিতে চাইছে। গত শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে মস্কো ও কিয়েভ একটি সম্ভাব্য চুক্তিতে কতটা আগ্রহী, তা মূল্যায়ন করাই এর লক্ষ্য।
এর আগে, রুবিও সতর্ক করে দিয়ে বলেন—আলোচনা ভেঙে গেলে ওয়াশিংটন শান্তি উদ্যোগ বাদ দিতে পারে। শুক্রবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের কয়েক দিনের মধ্যেই বের করতে হবে যে এটা সম্ভব কিনা। যদি সম্ভব না হয়, তাহলে আমার মনে হয় না, আমরা আর এগিয়ে যাব।’ ট্রাম্প রুবিওর মন্তব্যের প্রশংসা করে বলেন, ওয়াশিংটন চায় সংঘাতের অবসান হোক এবং ‘সমস্যা সমাধানের ভালো সম্ভাবনা আছে।’
অপরদিকে, মস্কো জোর দিয়ে বলেছে—যেকোনো শান্তি চুক্তিতে সংঘাতের ‘মূল কারণগুলো’ সমাধান করতে হবে। এর মধ্যে ন্যাটোর পূর্বমুখী সম্প্রসারণ এবং ইউক্রেনের মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা অন্তর্ভুক্ত। পুতিন আরও দাবি করেছেন, কিয়েভকে রাশিয়ার নতুন সীমান্তকে স্বীকৃতি দিতে হবে। তবে ইউক্রেনীয় নেতারা এখনো প্রত্যাখ্যান করেছেন।
গত মাসে পুতিন বলেছিলেন, কার্যকর যুদ্ধবিরতি অর্জনের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোকে ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে হবে এবং কিয়েভকে রাশিয়ার অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জাতিসংঘে রাশিয়ার দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া পূর্ণ যুদ্ধবিরতিকে ‘এই পর্যায়ে কেবল অবাস্তব’ বলে অভিহিত করেন। তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে আলোচনার আড়ালে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পুনরায় সজ্জিত করার অভিযোগ এনেছেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন কয়েক দিনের মধ্যেই যুদ্ধ বন্ধে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। এমনকি এই সপ্তাহের মধ্যেই এই চুক্তি হতে পারে। ট্রাম্প মনে করেন, এরপর দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যে মনযোগ দিতে পারবে।
রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প কিছুদিন আগেই হুমকি দিয়েছিলেন অতি দ্রুত ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়ে মস্কো ও কিয়েভ কোনো সিদ্ধান্তে না আসলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা থেকে সরে আসতে পারে। একই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্পের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সেই জায়গা থেকে সরে এসে ট্রাম্প এখন আবার এই মন্তব্য করলেন।
স্থানীয় সময় গতকাল রোববার নিজ মালিকানাধীন সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেন, ‘আশা করি রাশিয়া (এবং) ইউক্রেন এই সপ্তাহেই একটি চুক্তি করবে। এরপর উভয় দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় ব্যবসা শুরু করবে। যুক্তরাষ্ট্র সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং উভয় পক্ষই প্রচুর লাভ করবে।’
এদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গতকাল রোববার ৩০ ঘণ্টার ‘ইস্টার যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণা করেছিলেন। স্থানীয় সময় রোববার দিবাগত মধ্যরাতের পর এর মেয়াদ শেষ হয়। ক্রেমলিন নিশ্চিত করেছে, যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ছুটির দিনে যুদ্ধবিরতি চলাকালে প্রায় ১ হাজার ৩০০ বার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কামানের গোলা ও ড্রোন হামলাও ছিল।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ট্রাম্প বারবার ইউক্রেন সংঘাত ‘যত দ্রুত সম্ভব’ শেষ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁর প্রশাসন সে লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে। গত মাসে জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বন্ধে ৩০ দিনের স্থগিতাদেশও দেওয়া হয়েছিল। তবে মস্কো ও কিয়েভ পরে একে অপরের বিরুদ্ধে সেই চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ‘পূর্ণাঙ্গ ও ব্যাপক যুদ্ধবিরতির’ বিষয়ে ‘সিদ্ধান্ত’ নিতে চাইছে। গত শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে মস্কো ও কিয়েভ একটি সম্ভাব্য চুক্তিতে কতটা আগ্রহী, তা মূল্যায়ন করাই এর লক্ষ্য।
এর আগে, রুবিও সতর্ক করে দিয়ে বলেন—আলোচনা ভেঙে গেলে ওয়াশিংটন শান্তি উদ্যোগ বাদ দিতে পারে। শুক্রবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের কয়েক দিনের মধ্যেই বের করতে হবে যে এটা সম্ভব কিনা। যদি সম্ভব না হয়, তাহলে আমার মনে হয় না, আমরা আর এগিয়ে যাব।’ ট্রাম্প রুবিওর মন্তব্যের প্রশংসা করে বলেন, ওয়াশিংটন চায় সংঘাতের অবসান হোক এবং ‘সমস্যা সমাধানের ভালো সম্ভাবনা আছে।’
অপরদিকে, মস্কো জোর দিয়ে বলেছে—যেকোনো শান্তি চুক্তিতে সংঘাতের ‘মূল কারণগুলো’ সমাধান করতে হবে। এর মধ্যে ন্যাটোর পূর্বমুখী সম্প্রসারণ এবং ইউক্রেনের মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা অন্তর্ভুক্ত। পুতিন আরও দাবি করেছেন, কিয়েভকে রাশিয়ার নতুন সীমান্তকে স্বীকৃতি দিতে হবে। তবে ইউক্রেনীয় নেতারা এখনো প্রত্যাখ্যান করেছেন।
গত মাসে পুতিন বলেছিলেন, কার্যকর যুদ্ধবিরতি অর্জনের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোকে ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে হবে এবং কিয়েভকে রাশিয়ার অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জাতিসংঘে রাশিয়ার দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া পূর্ণ যুদ্ধবিরতিকে ‘এই পর্যায়ে কেবল অবাস্তব’ বলে অভিহিত করেন। তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে আলোচনার আড়ালে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পুনরায় সজ্জিত করার অভিযোগ এনেছেন।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
১ ঘণ্টা আগে
যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়তে যাচ্ছে রাইড শেয়ার কোম্পানি উবার। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে চলতি সপ্তাহে শুরু হচ্ছে একটি যৌন নিপীড়ন মামলার শুনানি, যেখানে উবারের মাধ্যমে বুক করা গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক নারী।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভে একাধিক ‘সহিংস দাঙ্গায়’ বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির পর স্থানীয় সময় রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। নিহত ইরানিদের স্মরণে প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভা শোক পালন করছে বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের দপ্তর।
৪ ঘণ্টা আগে