
পাকিস্তানের বন্দর শহর গাদারের অবকাঠামো প্রকল্পে কর্মরত চীনা প্রকৌশলীদের গাড়িবহরে দুই অস্ত্রধারী হামলা করেছে। দুজনকেই গুলি করে হত্যা করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। এ ঘটনায় কোনো চীনা প্রকৌশলী বা পাকিস্তানি নাগরিক আহত হয়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বর্তমানে গাদারে বেশ কিছু চীনা কাজ করছেন। গাদার হলো বেলুচিস্তান অঞ্চলের একটি বন্দর। এটি ৬ হাজার কোটি ডলারের চীন–পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর প্রকল্পের অংশ। এই প্রকল্প চীনের জিনজিয়াং রাজ্যের সঙ্গে বেলুচিস্তানকে যুক্ত করবে।
আজ রোববারের এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি। সংগঠনটি এই এলাকায় চীনা বিনিয়োগের বিরোধিতা করে আসছে। তারা বলছে, এই বিনিয়োগ স্থানীয় মানুষের কোনো উপকারে আসবে না।
বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি এর আগেও চীন–পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রকল্পে হামলা করেছে।
আজ সকালে বিচ্ছিন্নতাবাদী দলটি এক বিবৃতিতে বলে, ‘আর্মির আত্মঘাতী দল মজিদ ব্রিগেড আজ গাদারের চীনা প্রকৌশলীদের গাড়িবহরে হামলা করেছে। এই হামলা চলবে।’
পাকিস্তানি সিনেটর সরফরাজ বুগতি টুইটারে বলেন, ‘আমি গাদারে চীনা কর্মীদের গাড়িবহরে জঘন্য জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সৌভাগ্যবশত কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। খবর এসেছে যে হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। আক্রমণকারীদের হত্যা করা হয়েছে।’
বুগতি আরও বলেন, ‘আমাদের সেনাবাহিনী সাহসের সঙ্গে তাদের হীন পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় জঙ্গি বাহিনী দিনদিন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। পাকিস্তানে যারা কুনজর দেবে তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
এদিকে চীন–পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছে ভারত। ভারতের দাবি এটি দিল্লি নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের অংশ। তবে চীন বলছে, এই প্রকল্পে সীমান্ত বিরোধের কিছু নেই।
এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিলে করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটে যাওয়ার সময় পাকিস্তানি চালকসহ তিন চীনা নাগরিক আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত হন। বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি এই হামলার দায় স্বীকার করেছিল।
বেলুচিস্তান পাকিস্তানের কম জনবসতিপূর্ণ এবং খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ একটি প্রদেশ।

পাকিস্তানের বন্দর শহর গাদারের অবকাঠামো প্রকল্পে কর্মরত চীনা প্রকৌশলীদের গাড়িবহরে দুই অস্ত্রধারী হামলা করেছে। দুজনকেই গুলি করে হত্যা করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। এ ঘটনায় কোনো চীনা প্রকৌশলী বা পাকিস্তানি নাগরিক আহত হয়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বর্তমানে গাদারে বেশ কিছু চীনা কাজ করছেন। গাদার হলো বেলুচিস্তান অঞ্চলের একটি বন্দর। এটি ৬ হাজার কোটি ডলারের চীন–পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর প্রকল্পের অংশ। এই প্রকল্প চীনের জিনজিয়াং রাজ্যের সঙ্গে বেলুচিস্তানকে যুক্ত করবে।
আজ রোববারের এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি। সংগঠনটি এই এলাকায় চীনা বিনিয়োগের বিরোধিতা করে আসছে। তারা বলছে, এই বিনিয়োগ স্থানীয় মানুষের কোনো উপকারে আসবে না।
বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি এর আগেও চীন–পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রকল্পে হামলা করেছে।
আজ সকালে বিচ্ছিন্নতাবাদী দলটি এক বিবৃতিতে বলে, ‘আর্মির আত্মঘাতী দল মজিদ ব্রিগেড আজ গাদারের চীনা প্রকৌশলীদের গাড়িবহরে হামলা করেছে। এই হামলা চলবে।’
পাকিস্তানি সিনেটর সরফরাজ বুগতি টুইটারে বলেন, ‘আমি গাদারে চীনা কর্মীদের গাড়িবহরে জঘন্য জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সৌভাগ্যবশত কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। খবর এসেছে যে হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। আক্রমণকারীদের হত্যা করা হয়েছে।’
বুগতি আরও বলেন, ‘আমাদের সেনাবাহিনী সাহসের সঙ্গে তাদের হীন পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় জঙ্গি বাহিনী দিনদিন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। পাকিস্তানে যারা কুনজর দেবে তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
এদিকে চীন–পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছে ভারত। ভারতের দাবি এটি দিল্লি নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের অংশ। তবে চীন বলছে, এই প্রকল্পে সীমান্ত বিরোধের কিছু নেই।
এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিলে করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটে যাওয়ার সময় পাকিস্তানি চালকসহ তিন চীনা নাগরিক আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত হন। বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি এই হামলার দায় স্বীকার করেছিল।
বেলুচিস্তান পাকিস্তানের কম জনবসতিপূর্ণ এবং খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ একটি প্রদেশ।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
৩৭ মিনিট আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৩ ঘণ্টা আগে