
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) যেন দ্রুত পাকিস্তানকে ঋণের অর্থ পাঠায়, তার অনুরোধ জানাতে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন পাকিস্তানের সেনা প্রধান জেনারেল কামার বাজওয়া। স্থানীয় সময় শুক্রবার কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন।
এদিকে জাপানভিত্তিক গণমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া জানিয়েছে, পাকিস্তানের বৈদেশিক রিজার্ভ দ্রুত কমছে। বড় ধরনের ধাক্কা সামলাতে ইসলামাবাদ বিভিন্ন জায়গা থেকে তহবিল সংগ্রহ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। জেনারেল বাজওয়া ইতিমধ্যে মার্কিন ডেপুটি সেক্রেটারি অফ স্টেট ওয়েন্ডি শেরম্যানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।
এ ব্যাপারে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র আসিম ইফতিখারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি বুঝতে পারছি, তাঁদের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। কিন্তু কী বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে, সে ব্যাপারে আমি জ্ঞাত নই।
ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছে ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য জিজ্ঞেস করলে একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘মার্কিন কর্মকর্তারা নিয়মিত পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। কিন্তু নিয়মানুযায়ী আমরা ব্যক্তিগত কূটনৈতিক কথোপকথনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করি না।’
নিক্কেই এশিয়া বলেছে, অবিলম্বে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ঋণ সরবরাহ করার জন্য আইএমএফকে চাপ দিতে হোয়াইট হাউস ও ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টকে অনুরোধ করেছেন জেনারেল বাজওয়া। একটি নতুন ঋণ কর্মসূচির আওতায় এ তহবিল পাওয়া কথা রয়েছে পাকিস্তানের। ইতিমধ্যে ঋণের জন্য ‘স্টাফ-লেভেল অনুমোদন’ দেওয়া হয়েছে। এখন আইএমএফের ঋণদাতা বোর্ড চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পরেই ঋণ ছাড়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
আইএমএফের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, আগামী তিন সপ্তাহের জন্য ‘কর্ম অবকাশে’ যাচ্ছে আইএমএফ। ফলে আইএমএফের বোর্ড আগস্টের শেষ পর্যন্ত কোনো সভা করবে না। পাকিস্তানের ঋণ অনুমোদনের জন্য এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) যেন দ্রুত পাকিস্তানকে ঋণের অর্থ পাঠায়, তার অনুরোধ জানাতে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন পাকিস্তানের সেনা প্রধান জেনারেল কামার বাজওয়া। স্থানীয় সময় শুক্রবার কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন।
এদিকে জাপানভিত্তিক গণমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া জানিয়েছে, পাকিস্তানের বৈদেশিক রিজার্ভ দ্রুত কমছে। বড় ধরনের ধাক্কা সামলাতে ইসলামাবাদ বিভিন্ন জায়গা থেকে তহবিল সংগ্রহ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। জেনারেল বাজওয়া ইতিমধ্যে মার্কিন ডেপুটি সেক্রেটারি অফ স্টেট ওয়েন্ডি শেরম্যানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।
এ ব্যাপারে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র আসিম ইফতিখারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি বুঝতে পারছি, তাঁদের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। কিন্তু কী বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে, সে ব্যাপারে আমি জ্ঞাত নই।
ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছে ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য জিজ্ঞেস করলে একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘মার্কিন কর্মকর্তারা নিয়মিত পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। কিন্তু নিয়মানুযায়ী আমরা ব্যক্তিগত কূটনৈতিক কথোপকথনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করি না।’
নিক্কেই এশিয়া বলেছে, অবিলম্বে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ঋণ সরবরাহ করার জন্য আইএমএফকে চাপ দিতে হোয়াইট হাউস ও ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টকে অনুরোধ করেছেন জেনারেল বাজওয়া। একটি নতুন ঋণ কর্মসূচির আওতায় এ তহবিল পাওয়া কথা রয়েছে পাকিস্তানের। ইতিমধ্যে ঋণের জন্য ‘স্টাফ-লেভেল অনুমোদন’ দেওয়া হয়েছে। এখন আইএমএফের ঋণদাতা বোর্ড চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পরেই ঋণ ছাড়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
আইএমএফের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, আগামী তিন সপ্তাহের জন্য ‘কর্ম অবকাশে’ যাচ্ছে আইএমএফ। ফলে আইএমএফের বোর্ড আগস্টের শেষ পর্যন্ত কোনো সভা করবে না। পাকিস্তানের ঋণ অনুমোদনের জন্য এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফরাসি মদ ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। বিশ্বজুড়ে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে তাঁর প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ যোগ দিতে চাপ দিতেই এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, ফরাসি
২৫ মিনিট আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লার কাছে এক বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরক মজুত করেছে এবং সেখানে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ বন্দিশালা পরিচালনা করছে, এমন অভিযোগ করেছেন ইয়েমেন সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রিটেনের চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনাকে ‘চরম বোকামি’ এবং ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশাল হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প এমন বার্তা দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের শ্রমবাজারে স্থানীয় নাগরিকদের অংশীদারত্ব বাড়াতে এবং বেকারত্ব হ্রাসে বড় ধরনের এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিপণন ও বিক্রয় সংক্রান্ত ১৮টি বিশেষ পেশায় এখন থেকে অন্তত ৬০ শতাংশ সৌদি নাগরিক নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে