
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের চেয়ারম্যান ও পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দেশটির পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) ভাইস প্রেসিডেন্ট মরিয়াম নওয়াজকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েছেন। পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা ইমরানকে ‘যৌনবাদী ও নারী বিদ্বেষী’ বলে অভিহিত করছেন। বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে এসব বলা হয়েছে।
সম্প্রতি মুলতানের এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে ইমরান খান সারগোধা জনসভার উল্লেখ করে বলেন, ‘ওই জনসভায় মরিয়াম যেভাবে আবেগ নিয়ে বারবার আমার নাম উচ্চারণ করছিল, তাতে আমি সন্দিহান। আমি তাঁকে বলতে চাই, একটু সতর্ক হও মরিয়াম। এভাবে বারবার আমার নাম নিয়ো না। এতে তোমার স্বামীর মন খারাপ হতে পারে।’
এমন মন্তব্যের পর ভীষণ তোপের মুখে পড়েছেন ইমরান খান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ টুইটার পোস্টে লিখেছেন, মরিয়াম নওয়াজকে লক্ষ্য করে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। ইমরানের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতির, বিশেষ করে নারী জাতির তীব্র নিন্দা জানানো উচিত।
ইমরান খানকে উদ্দেশ্য করে শাহবাজ শরিফ টুইটারে লিখেছেন, দেশ ও জাতির সঙ্গে আপনি যে অপরাধ করেছেন তা হীন হাস্যরস দিয়ে আড়াল করা যাবে না। যারা মসজিদে নববীর পবিত্রতাকে সম্মান করে না, তাদের কাছ থেকে মা বোনেরা কীভাবে শ্রদ্ধা আশা করতে পারে? শাহবাজ আরও বলেন, ‘ইতিহাসে ইমরানই প্রথম ব্যক্তি যিনি একটি দলের নেতা হিসেবে অভদ্রতার অতলে তলিয়ে গেছেন। একটি জাতি গঠনের উদ্দেশ্য নিয়ে তাঁর দল যাত্রা শুরু করেছিল, কিন্তু তার পরিবর্তে তারা জনগণের নৈতিকতা নষ্ট করছে (ইন্না লিল্লাহ...)।
পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, ইমরানের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। তিনি ইমরানের ভাষাকে ‘অবমাননাকর ভাষা’ বলেছেন। পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) এই কো-চেয়ারম্যান বলেন, ‘যাদের বাড়িতে মা-বোন আছে তারা অন্য নারীদের বিরুদ্ধে এমন ভাষা ব্যবহার করতে পারেন না। দয়া করে রাজনীতিকে এত নিচে নামবেন না।’
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী মরিয়ম আওরঙ্গজেব টুইটারে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘প্রত্যেক ব্যক্তির মা, বোন এবং কন্যা সম্মানের যোগ্য। এটিই ছিল জাতির উদ্দেশ্যে শহীদ বেনজির ভুট্টোর বার্তা।’

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের চেয়ারম্যান ও পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দেশটির পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) ভাইস প্রেসিডেন্ট মরিয়াম নওয়াজকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েছেন। পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা ইমরানকে ‘যৌনবাদী ও নারী বিদ্বেষী’ বলে অভিহিত করছেন। বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে এসব বলা হয়েছে।
সম্প্রতি মুলতানের এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে ইমরান খান সারগোধা জনসভার উল্লেখ করে বলেন, ‘ওই জনসভায় মরিয়াম যেভাবে আবেগ নিয়ে বারবার আমার নাম উচ্চারণ করছিল, তাতে আমি সন্দিহান। আমি তাঁকে বলতে চাই, একটু সতর্ক হও মরিয়াম। এভাবে বারবার আমার নাম নিয়ো না। এতে তোমার স্বামীর মন খারাপ হতে পারে।’
এমন মন্তব্যের পর ভীষণ তোপের মুখে পড়েছেন ইমরান খান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ টুইটার পোস্টে লিখেছেন, মরিয়াম নওয়াজকে লক্ষ্য করে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। ইমরানের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতির, বিশেষ করে নারী জাতির তীব্র নিন্দা জানানো উচিত।
ইমরান খানকে উদ্দেশ্য করে শাহবাজ শরিফ টুইটারে লিখেছেন, দেশ ও জাতির সঙ্গে আপনি যে অপরাধ করেছেন তা হীন হাস্যরস দিয়ে আড়াল করা যাবে না। যারা মসজিদে নববীর পবিত্রতাকে সম্মান করে না, তাদের কাছ থেকে মা বোনেরা কীভাবে শ্রদ্ধা আশা করতে পারে? শাহবাজ আরও বলেন, ‘ইতিহাসে ইমরানই প্রথম ব্যক্তি যিনি একটি দলের নেতা হিসেবে অভদ্রতার অতলে তলিয়ে গেছেন। একটি জাতি গঠনের উদ্দেশ্য নিয়ে তাঁর দল যাত্রা শুরু করেছিল, কিন্তু তার পরিবর্তে তারা জনগণের নৈতিকতা নষ্ট করছে (ইন্না লিল্লাহ...)।
পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, ইমরানের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। তিনি ইমরানের ভাষাকে ‘অবমাননাকর ভাষা’ বলেছেন। পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) এই কো-চেয়ারম্যান বলেন, ‘যাদের বাড়িতে মা-বোন আছে তারা অন্য নারীদের বিরুদ্ধে এমন ভাষা ব্যবহার করতে পারেন না। দয়া করে রাজনীতিকে এত নিচে নামবেন না।’
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী মরিয়ম আওরঙ্গজেব টুইটারে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘প্রত্যেক ব্যক্তির মা, বোন এবং কন্যা সম্মানের যোগ্য। এটিই ছিল জাতির উদ্দেশ্যে শহীদ বেনজির ভুট্টোর বার্তা।’

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
২ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৬ ঘণ্টা আগে