আজকের পত্রিকা ডেস্ক

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রদেশের উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মীর আলী এলাকায় আত্মঘাতী হামলায় ১৩ নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এই হামলায় ভারতের হাত রয়েছে ইঙ্গিত করে জানায়, গতকাল শনিবার এই হামলা চালিয়েছে ভারতীয় মদদপুষ্ট একটি সংগঠন।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের খবরে বলা হয়েছে, আইএসপিআর জানিয়েছে, বিস্ফোরকবোঝাই একটি যান নিরাপত্তা বাহিনীর বহর লক্ষ্য করে হামলা চালায়। বহরের সামনের গাড়ি হামলাটি থামানোর চেষ্টা করে।
গত বছরের জুলাই মাসে নিষিদ্ধঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) ‘ফিতনা-আল-খারিজ’ হিসেবে ঘোষণা দেয় সরকার। একই সঙ্গে দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ‘খারিজি’ বা সমাজচ্যুত আখ্যা দিতে বলা হয়। আইএসপিআর বলেছে, ‘হতাশায় ভারতীয় মদদপুষ্ট খারিজিরা বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি আমাদের বহরের একটি গাড়িতে আঘাত করে। এতে দেশের ১৩ জন বীর সন্তান শহীদ হন। ওই নৃশংস ঘটনায় দুজন শিশু ও এক নারী গুরুতর আহত হয়।’
এরপর এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৪ জন খারিজিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর। আরও বলা হয়, ওই এলাকায় অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এই কাপুরুষোচিত হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী জাতির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভারতীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণ নির্মূলের সংকল্পে অটল। আমাদের বীর সেনাসদস্য ও নিরীহ নাগরিকদের এই আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি অটল প্রতিশ্রুতিকে আরও দৃঢ় করে।’
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এই হামলার নিন্দা জানিয়ে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘মাতৃভূমির নিরাপত্তার জন্য প্রাণ দিয়েছেন শহীদেরা। যাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দেন, তাঁরাই আমাদের প্রকৃত নায়ক।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের কাপুরুষোচিত হামলা জাতির মনোবল নষ্ট করতে পারবে না।’ প্রেসিডেন্ট হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৪ সন্ত্রাসী নিহত হওয়ার ঘটনাকেও সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের জাতি ও নিরাপত্তা বাহিনী ভারতীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ সমূলে উৎখাত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যত দিন পর্যন্ত সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণ নির্মূল না হবে, তত দিন পর্যন্ত অভিযান চলবে।’
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। আহত নিরীহ নাগরিকদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীরা কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে। পুরো জাতি শহীদদের প্রতি সালাম জানায়। আমরা সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ।’
এদিকে খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, হামলায় আট নিরাপত্তাকর্মী শহীদ হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী আলি আমিন গান্দাপুর এই হামলার নিন্দা জানান এবং শহীদদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, ‘দেশ ও জাতির জন্য জীবন উৎসর্গকারী নিরাপত্তা সদস্যদের আমি স্যালুট জানাই। দেশের শান্তি ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে নিরাপত্তা বাহিনী অভূতপূর্ব ত্যাগ স্বীকার করেছে। এই ত্যাগ জাতির মনোবল আরও বাড়িয়ে তুলবে।’ গান্দাপুর আরও বলেন, ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পুরো জাতি নিরাপত্তা বাহিনীর পাশে রয়েছে।’

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রদেশের উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মীর আলী এলাকায় আত্মঘাতী হামলায় ১৩ নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এই হামলায় ভারতের হাত রয়েছে ইঙ্গিত করে জানায়, গতকাল শনিবার এই হামলা চালিয়েছে ভারতীয় মদদপুষ্ট একটি সংগঠন।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের খবরে বলা হয়েছে, আইএসপিআর জানিয়েছে, বিস্ফোরকবোঝাই একটি যান নিরাপত্তা বাহিনীর বহর লক্ষ্য করে হামলা চালায়। বহরের সামনের গাড়ি হামলাটি থামানোর চেষ্টা করে।
গত বছরের জুলাই মাসে নিষিদ্ধঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) ‘ফিতনা-আল-খারিজ’ হিসেবে ঘোষণা দেয় সরকার। একই সঙ্গে দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ‘খারিজি’ বা সমাজচ্যুত আখ্যা দিতে বলা হয়। আইএসপিআর বলেছে, ‘হতাশায় ভারতীয় মদদপুষ্ট খারিজিরা বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি আমাদের বহরের একটি গাড়িতে আঘাত করে। এতে দেশের ১৩ জন বীর সন্তান শহীদ হন। ওই নৃশংস ঘটনায় দুজন শিশু ও এক নারী গুরুতর আহত হয়।’
এরপর এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৪ জন খারিজিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর। আরও বলা হয়, ওই এলাকায় অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এই কাপুরুষোচিত হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী জাতির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভারতীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণ নির্মূলের সংকল্পে অটল। আমাদের বীর সেনাসদস্য ও নিরীহ নাগরিকদের এই আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি অটল প্রতিশ্রুতিকে আরও দৃঢ় করে।’
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এই হামলার নিন্দা জানিয়ে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘মাতৃভূমির নিরাপত্তার জন্য প্রাণ দিয়েছেন শহীদেরা। যাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দেন, তাঁরাই আমাদের প্রকৃত নায়ক।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের কাপুরুষোচিত হামলা জাতির মনোবল নষ্ট করতে পারবে না।’ প্রেসিডেন্ট হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৪ সন্ত্রাসী নিহত হওয়ার ঘটনাকেও সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের জাতি ও নিরাপত্তা বাহিনী ভারতীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ সমূলে উৎখাত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যত দিন পর্যন্ত সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণ নির্মূল না হবে, তত দিন পর্যন্ত অভিযান চলবে।’
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। আহত নিরীহ নাগরিকদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীরা কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে। পুরো জাতি শহীদদের প্রতি সালাম জানায়। আমরা সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ।’
এদিকে খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, হামলায় আট নিরাপত্তাকর্মী শহীদ হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী আলি আমিন গান্দাপুর এই হামলার নিন্দা জানান এবং শহীদদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, ‘দেশ ও জাতির জন্য জীবন উৎসর্গকারী নিরাপত্তা সদস্যদের আমি স্যালুট জানাই। দেশের শান্তি ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে নিরাপত্তা বাহিনী অভূতপূর্ব ত্যাগ স্বীকার করেছে। এই ত্যাগ জাতির মনোবল আরও বাড়িয়ে তুলবে।’ গান্দাপুর আরও বলেন, ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পুরো জাতি নিরাপত্তা বাহিনীর পাশে রয়েছে।’

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
২ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
২ ঘণ্টা আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৫ ঘণ্টা আগে