আজকের পত্রিকা ডেস্ক

পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও মিয়ানমারে দূতাবাস ‘পরিচালনাগত ও কৌশলগত কারণ’ দেখিয়ে বন্ধ করতে যাচ্ছে ফিনল্যান্ড।
গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিনা ভালটোনেন বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০২৬ সালে ইসলামাবাদ, কাবুল ও ইয়াঙ্গুনে ফিনল্যান্ডের দূতাবাসগুলো বন্ধ করা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, দূতাবাসগুলো বন্ধের সিদ্ধান্তের কারণ মূলত পরিচালনাগত ও কৌশলগত, যা ওইসব দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং ফিনল্যান্ডের সঙ্গে সীমিত বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির ডিক্রির মাধ্যমে গৃহীত হয়। এটি ফিনল্যান্ডের বিদেশ ও নিরাপত্তানীতি এবং রপ্তানি প্রচার কার্যক্রমের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত। লক্ষ্য ফিনল্যান্ডের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে সম্পদ কেন্দ্রীভূত করা।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তিনটি দেশের দূতাবাস বন্ধের প্রস্তুতি ‘ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে’ এবং এই মিশনগুলো ২০২৬ সালের মধ্যে বন্ধ করা হবে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই পদক্ষেপ ফিনল্যান্ডের কূটনৈতিক মিশনগুলোর কৌশলগত পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এসেছে।
ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিদেশে ফিনল্যান্ডের মিশন নেটওয়ার্ককে পরিকল্পিতভাবে উন্নত করব, যাতে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যায়।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের পরিচালন পরিবেশ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলো ফিনল্যান্ডকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সাহায্য করবে এবং আমাদের বাইরের সম্পর্কগুলোকে অগ্রাধিকার অনুসারে পরিচালনা করতে সহায়ক হবে।’
এর আগে ২০১২ সালে বাজেট সীমাবদ্ধতার কারণে পাকিস্তানে কার্যক্রম বন্ধ করেছিল ফিনল্যান্ড। ২০২২ সালে মিশনটি পুনরায় চালু করা হয়।
২০২৩ সালে সুইডেনও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে তাদের ইসলামাবাদ দূতাবাসটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছিল।

পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও মিয়ানমারে দূতাবাস ‘পরিচালনাগত ও কৌশলগত কারণ’ দেখিয়ে বন্ধ করতে যাচ্ছে ফিনল্যান্ড।
গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিনা ভালটোনেন বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০২৬ সালে ইসলামাবাদ, কাবুল ও ইয়াঙ্গুনে ফিনল্যান্ডের দূতাবাসগুলো বন্ধ করা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, দূতাবাসগুলো বন্ধের সিদ্ধান্তের কারণ মূলত পরিচালনাগত ও কৌশলগত, যা ওইসব দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং ফিনল্যান্ডের সঙ্গে সীমিত বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির ডিক্রির মাধ্যমে গৃহীত হয়। এটি ফিনল্যান্ডের বিদেশ ও নিরাপত্তানীতি এবং রপ্তানি প্রচার কার্যক্রমের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত। লক্ষ্য ফিনল্যান্ডের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে সম্পদ কেন্দ্রীভূত করা।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তিনটি দেশের দূতাবাস বন্ধের প্রস্তুতি ‘ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে’ এবং এই মিশনগুলো ২০২৬ সালের মধ্যে বন্ধ করা হবে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই পদক্ষেপ ফিনল্যান্ডের কূটনৈতিক মিশনগুলোর কৌশলগত পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এসেছে।
ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিদেশে ফিনল্যান্ডের মিশন নেটওয়ার্ককে পরিকল্পিতভাবে উন্নত করব, যাতে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যায়।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের পরিচালন পরিবেশ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলো ফিনল্যান্ডকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সাহায্য করবে এবং আমাদের বাইরের সম্পর্কগুলোকে অগ্রাধিকার অনুসারে পরিচালনা করতে সহায়ক হবে।’
এর আগে ২০১২ সালে বাজেট সীমাবদ্ধতার কারণে পাকিস্তানে কার্যক্রম বন্ধ করেছিল ফিনল্যান্ড। ২০২২ সালে মিশনটি পুনরায় চালু করা হয়।
২০২৩ সালে সুইডেনও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে তাদের ইসলামাবাদ দূতাবাসটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফরাসি মদ ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। বিশ্বজুড়ে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে তাঁর প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ যোগ দিতে চাপ দিতেই এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, ফরাসি
৪ মিনিট আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লার কাছে এক বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরক মজুত করেছে এবং সেখানে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ বন্দিশালা পরিচালনা করছে, এমন অভিযোগ করেছেন ইয়েমেন সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রিটেনের চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনাকে ‘চরম বোকামি’ এবং ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশাল হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প এমন বার্তা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের শ্রমবাজারে স্থানীয় নাগরিকদের অংশীদারত্ব বাড়াতে এবং বেকারত্ব হ্রাসে বড় ধরনের এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিপণন ও বিক্রয় সংক্রান্ত ১৮টি বিশেষ পেশায় এখন থেকে অন্তত ৬০ শতাংশ সৌদি নাগরিক নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে