পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বন্দী থাকা আদিয়ালা কারাগারে সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। তবে পাকিস্তানের পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ (সিটিডি) যৌথ চেষ্টায় এ হামলা বানচাল করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় গতকাল বুধবার রাতেই তিনজনকে আটক করেছে। আটক সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ভারী অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের অজ্ঞাত জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
রাওয়ালপিন্ডি পুলিশের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, পুলিশ ও সিটিডি আদিয়ালা কারাগারে হামলার চেষ্টা বানচাল করেছে। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটক তিন ব্যক্তি আফগানিস্তানের বাসিন্দা।
রাওয়ালপিন্ডি পুলিশের প্রধান সাইদ খালিদ হামদানি বলেন, তাঁদের কাছ থেকে স্বয়ংক্রিয় ভারী অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁদের কাছে হ্যান্ড গ্রেনেড, ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ও কারাগারের মানচিত্রও পাওয়া গেছে।
তিনি জানান, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো বর্তমানে কারাগার ও তার আশপাশের এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আদিয়ালা কারাগার বর্তমানে বন্দীতে ঠাসা। এটিতে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ বন্দী রয়েছে। কারাগারটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীও রয়েছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে ব্যাপক বোমা হামলার হুমকি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকর্তাদের সামনে এক অস্বস্তিকর প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন—আদেশ অমান্য করবেন, নাকি যুদ্ধাপরাধে অংশ নেবেন?
১ ঘণ্টা আগে
চিকিৎসকদের ধর্মঘট পালনের কারণে গত তিন বছরে ব্রিটেনের হাসপাতালগুলোর ৩০০ কোটি পাউন্ডের বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস)। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল সোমবার হুমকি দেন যে, আজ মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসির স্থানীয় সময় রাত ৮টার মধ্যে যদি ইরান কোনো চুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে তিনি ‘এক রাতেই’ ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারেন। তাঁর শর্ত ছিল, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দিতে হবে।
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন ফিলিপাইনের হাজার হাজার অভিবাসী শ্রমিক। ইসরায়েল, লেবানন ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজ করতে যাওয়ার কথা থাকলেও প্রায় ৪০ হাজারেরও বেশি ফিলিপিনো কর্মী এখন দেশ ছাড়তে পারছেন না।
৫ ঘণ্টা আগে