
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান অভিযোগ করে বলেছেন, ‘ক্ষমতাসীন জোট পিএমএল-এন ও পিপিপির নেতারা আমার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনার চেষ্টা করছেন এবং আমাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে চাইছেন।’ গতকাল শুক্রবার নেতা-কর্মীদের এক অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিযোগ করেছেন বলে পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।
ইমরান খান বলেছেন, ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দুই সাবেক শাসক ৩০ বছর ধরে পাকিস্তানকে লুট করেছেন। বিদেশি ব্যাংকে তাঁদের অবৈধ সম্পদ রেখেছেন এবং আদালতে তাঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাঁরা এখন আমার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন। আমি তাঁদের স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমি এমন কেউ নই যে আমদানি করা সরকার বা কোনো পরাশক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করব।’
ওই অনুষ্ঠানে প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী মাহমুদ খান, প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পারভেজ খট্টক, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ গিলের সহযোগী ও স্থানীয় এমএনএসহ সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
ইমরান খান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন জোটের নেতারা তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা বাতিল করতে চান। তাঁরা (জারদারি ও শরিফ) এমন একটি শাসনব্যবস্থা চালু করতে চান, যেখানে শুধু ছোট চোরদের শাস্তি দেওয়া হবে আর বড় চোরেরা ঘুরে বেড়াবে। আমরা যারা দেশপ্রেমিক নাগরিক, তাদের অবশ্যই সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।’
সম্প্রতি ইসলামাবাদে ইমরানের দলের আজাদি মার্চের সময় ‘আমদানি করা সরকার’ পিটিআই কর্মীদের ওপর নজিরবিহীন নির্যাতন চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন পাকিস্তানের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এমন নিষ্ঠুরতা ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরেও ঘটেনি। আমাদের বিক্ষোভ শেষ হওয়ার পরদিন আমি এটি সম্পর্কে জানতে পেরেছি।’
ইমরান খান আরও বলেন, ভারত, ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনোই একটি ‘শক্তিশালী পাকিস্তান’ দেখতে চায় না। তাই তারা দেশটিকে দুর্বল করার জন্য তাঁর (ইমরানের) সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। ভারতীয় টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্র প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর ক্ষমতাচ্যুতি উদ্যাপন করেছে। তিনি দাবি করেন, ভারতীয় ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সঙ্গে ক্ষমতাসীন শরিফ পরিবারের দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান অভিযোগ করে বলেছেন, ‘ক্ষমতাসীন জোট পিএমএল-এন ও পিপিপির নেতারা আমার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনার চেষ্টা করছেন এবং আমাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে চাইছেন।’ গতকাল শুক্রবার নেতা-কর্মীদের এক অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিযোগ করেছেন বলে পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।
ইমরান খান বলেছেন, ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দুই সাবেক শাসক ৩০ বছর ধরে পাকিস্তানকে লুট করেছেন। বিদেশি ব্যাংকে তাঁদের অবৈধ সম্পদ রেখেছেন এবং আদালতে তাঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাঁরা এখন আমার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন। আমি তাঁদের স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমি এমন কেউ নই যে আমদানি করা সরকার বা কোনো পরাশক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করব।’
ওই অনুষ্ঠানে প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী মাহমুদ খান, প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পারভেজ খট্টক, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ গিলের সহযোগী ও স্থানীয় এমএনএসহ সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
ইমরান খান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন জোটের নেতারা তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা বাতিল করতে চান। তাঁরা (জারদারি ও শরিফ) এমন একটি শাসনব্যবস্থা চালু করতে চান, যেখানে শুধু ছোট চোরদের শাস্তি দেওয়া হবে আর বড় চোরেরা ঘুরে বেড়াবে। আমরা যারা দেশপ্রেমিক নাগরিক, তাদের অবশ্যই সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।’
সম্প্রতি ইসলামাবাদে ইমরানের দলের আজাদি মার্চের সময় ‘আমদানি করা সরকার’ পিটিআই কর্মীদের ওপর নজিরবিহীন নির্যাতন চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন পাকিস্তানের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এমন নিষ্ঠুরতা ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরেও ঘটেনি। আমাদের বিক্ষোভ শেষ হওয়ার পরদিন আমি এটি সম্পর্কে জানতে পেরেছি।’
ইমরান খান আরও বলেন, ভারত, ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনোই একটি ‘শক্তিশালী পাকিস্তান’ দেখতে চায় না। তাই তারা দেশটিকে দুর্বল করার জন্য তাঁর (ইমরানের) সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। ভারতীয় টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্র প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর ক্ষমতাচ্যুতি উদ্যাপন করেছে। তিনি দাবি করেন, ভারতীয় ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সঙ্গে ক্ষমতাসীন শরিফ পরিবারের দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি শক্তিশালী ‘সনিক উইপন’ (শব্দাস্ত্র) ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অস্ত্রটি বিশেষ। এটা আর কারও কাছে নেই। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির...
৭ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা এবং লবস্টারসহ (একধরনের সামুদ্রিক মাছে) নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের
৯ ঘণ্টা আগে
ফোরামে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি আছি। আমি বিশ্বাস করি, তাঁরা এখন এমন এক জায়গায় আছে, যেখান থেকে এক হয়ে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারে। আর যদি তাঁরা তা না করে, তবে তাঁরা স্টুপিড। আমি জানি তাঁরা আসলে নির্বোধ নন, কিন্তু এই সমাধান করতে না পারলে তাঁদের নির্বোধই বলতে হবে।’
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার ফোরামে দেওয়া ভাষণে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি হুঁশিয়ারি...
৯ ঘণ্টা আগে