
প্রায় ৪৭০ দিন পর উত্তর গাজায় নিজ আবাসস্থলে ফিরলেন ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া ৩ লাখ ৭৬ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ওসিএইচএর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। সংস্থাটি জানিয়েছে, নেটজারিম করিডোর বরাবর দুটি প্রধান রাস্তা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের পর উত্তর গাজাবাসীরা নিজ আবাসস্থলে ফিরেছেন।
ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয়েছে উত্তর গাজা। বাস্তুচ্যুত হয়ে দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় আশ্রয় নিয়েছিলেন এ অঞ্চলের বাসিন্দারা। ফিরে এসে নিজেদের আবাসস্থলের অবস্থা থেকে মিশ্র অনুভূতি প্রকাশ করেন তারা। গত ১৫ মাসে গাজা যুদ্ধে শুধু ঘরবাড়ি নয়, পরিবারের সদস্য, বন্ধু, প্রতিবেশীসহ অনেককে হারিয়েছেন তারা। ফিরে আসা উত্তর গাজাবাসীরা বলছেন, তাদের কাছে সব ‘অপরিচিত’ মনে হচ্ছে। তবে বাড়িঘর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও ফিরে আসতে পেরে খুশি।
গত ১৯ জানুয়ারি হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, হামাসের হাতে জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে উত্তর গাজায় নিজ বাসভূমে ফিরে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন ফিলিস্তিনিরা। হামাস এক বেসামরিক ইসরায়েলি নাগরিককে শনিবার মুক্তি না দেওয়ায় উত্তর গাজায় প্রবেশের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে হামাস তিন জিম্মিকে মুক্তি দিতে রাজি হলে আবার প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়।
এদিকে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েলের জাতিসংঘ দূত ড্যানি দানন আবারও জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) কার্যক্রম বন্ধ করতে এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের এলাকা থেকে তাদের দপ্তর খালি করতে বলেন। ট্রাম্প প্রশাসনও ইসরায়েলের পূর্ব জেরুজালেমে এই সংস্থাটির কার্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে।
ইউএনআরডব্লিউএ প্রধান ফিলিপ লাজারিনি বলেন, ‘২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে আমরা খাদ্য সহায়তার দুই-তৃতীয়াংশ বিতরণ করেছি। এক মিলিয়নেরও বেশি বাস্তুচ্যুত ব্যক্তির আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছি। ২ লাখ ৫০ হাজার শিশুকে পোলিও টিকা দিয়েছি।’
এ সময় তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসরায়েল। লাজারিনি বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার থেকে যদি এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়, তাহলে লাখো মানুষ ভুক্তভোগী হবে। গাজা যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ ‘অনিশ্চিত’ হয়ে পড়বে।
যুক্তরাজ্য গাজার পুনর্গঠনের জন্য ২১ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তবে তারা সতর্ক করে দিয়েছে, ইউএনআরডব্লিউএর নিষিদ্ধ হওয়া যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে মানবিক সহায়তার প্রচেষ্টাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৭ হাজার ৩৫৪ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ১১ হাজার ৫৬৩ জন আহত হয়েছেন। এর আগে একই দিনে ইসরায়েলে হামাসের চালানো হামলায় অন্তত ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হন এবং ২০০-র বেশি মানুষকে জিম্মি করা হয়।

প্রায় ৪৭০ দিন পর উত্তর গাজায় নিজ আবাসস্থলে ফিরলেন ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া ৩ লাখ ৭৬ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ওসিএইচএর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। সংস্থাটি জানিয়েছে, নেটজারিম করিডোর বরাবর দুটি প্রধান রাস্তা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের পর উত্তর গাজাবাসীরা নিজ আবাসস্থলে ফিরেছেন।
ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয়েছে উত্তর গাজা। বাস্তুচ্যুত হয়ে দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় আশ্রয় নিয়েছিলেন এ অঞ্চলের বাসিন্দারা। ফিরে এসে নিজেদের আবাসস্থলের অবস্থা থেকে মিশ্র অনুভূতি প্রকাশ করেন তারা। গত ১৫ মাসে গাজা যুদ্ধে শুধু ঘরবাড়ি নয়, পরিবারের সদস্য, বন্ধু, প্রতিবেশীসহ অনেককে হারিয়েছেন তারা। ফিরে আসা উত্তর গাজাবাসীরা বলছেন, তাদের কাছে সব ‘অপরিচিত’ মনে হচ্ছে। তবে বাড়িঘর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও ফিরে আসতে পেরে খুশি।
গত ১৯ জানুয়ারি হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, হামাসের হাতে জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে উত্তর গাজায় নিজ বাসভূমে ফিরে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন ফিলিস্তিনিরা। হামাস এক বেসামরিক ইসরায়েলি নাগরিককে শনিবার মুক্তি না দেওয়ায় উত্তর গাজায় প্রবেশের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে হামাস তিন জিম্মিকে মুক্তি দিতে রাজি হলে আবার প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়।
এদিকে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েলের জাতিসংঘ দূত ড্যানি দানন আবারও জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) কার্যক্রম বন্ধ করতে এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের এলাকা থেকে তাদের দপ্তর খালি করতে বলেন। ট্রাম্প প্রশাসনও ইসরায়েলের পূর্ব জেরুজালেমে এই সংস্থাটির কার্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে।
ইউএনআরডব্লিউএ প্রধান ফিলিপ লাজারিনি বলেন, ‘২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে আমরা খাদ্য সহায়তার দুই-তৃতীয়াংশ বিতরণ করেছি। এক মিলিয়নেরও বেশি বাস্তুচ্যুত ব্যক্তির আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছি। ২ লাখ ৫০ হাজার শিশুকে পোলিও টিকা দিয়েছি।’
এ সময় তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসরায়েল। লাজারিনি বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার থেকে যদি এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়, তাহলে লাখো মানুষ ভুক্তভোগী হবে। গাজা যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ ‘অনিশ্চিত’ হয়ে পড়বে।
যুক্তরাজ্য গাজার পুনর্গঠনের জন্য ২১ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তবে তারা সতর্ক করে দিয়েছে, ইউএনআরডব্লিউএর নিষিদ্ধ হওয়া যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে মানবিক সহায়তার প্রচেষ্টাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৭ হাজার ৩৫৪ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ১১ হাজার ৫৬৩ জন আহত হয়েছেন। এর আগে একই দিনে ইসরায়েলে হামাসের চালানো হামলায় অন্তত ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হন এবং ২০০-র বেশি মানুষকে জিম্মি করা হয়।

গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
১ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ,শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে বর্তমান শাসনকাঠামো ও নেতৃত্ব পরিবর্তনের সময় এসে গেছে। গতকাল শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ৩৭ বছরের শাসনের অবসান ঘটানোর এই আহ্বান জানান। খবর পলিটিকোর
২ ঘণ্টা আগে