
মার্কিন হামলার আশঙ্কার মধ্যে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অবকাঠামোর চারপাশে ‘মানবঢাল’ গড়ে তুলছে সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে তেহরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি এসব স্থাপনায় হামলা চালায়, তাহলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।
মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, তাবরিজের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও দেজফুলের একটি সেতুর কাছে মানুষ হাতে হাত ধরে মানবশৃঙ্খল তৈরি করছে। দেশটির বার্তা সংস্থা তাসনিম জানায়, সম্ভাব্য মার্কিন হামলার হুমকির প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো রক্ষার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইরানের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশটির তরুণদের মানবশৃঙ্খল গঠনের আহ্বান জানিয়েছে। মন্ত্রী আলিরেজা রহিমি একে ‘উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য ইরানি যুবকদের মানবশৃঙ্খল’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এটি দেশের অবকাঠামো রক্ষায় জনগণের ঐক্যের প্রতীক।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান তার শর্ত পূরণ না করলে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হতে পারে। এ অবস্থায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। একটি জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তান এখনো দুই দেশের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানে ভূমিকা রাখছে, তবে ওয়াশিংটনের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, চাপের মুখে তারা কোনো আলোচনা করবে না। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করেছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায়, তাহলে সৌদি আরবসহ পুরো অঞ্চল অন্ধকারে ডুবে যেতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে বাব এল-মান্দেব প্রণালিও বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিশ্চিত করেছেন, তাঁর দেশের বাহিনী ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ব্যবহৃত রেললাইন ও সেতু লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এসব অভিযান বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে নয়, বরং সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থা দুর্বল করার জন্য পরিচালিত হচ্ছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র খার্গ দ্বীপে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়, যা ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র। পাশাপাশি ইসরায়েলও ইরানের বিভিন্ন রেল নেটওয়ার্ক, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় আঘাত হেনেছে।

অবশেষে মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে জ্বালানি পরিবহনের বাধা কাটল। লেবাননের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছে ইরান। এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা পাকিস্তানে শুরু হবে চলতি সপ্তাহেই।
৪ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমা বিশ্বের কিছু তরুণ পুরুষের মধ্যে বিদেশে গিয়ে ‘ঐতিহ্যবাহী’ স্ত্রী খোঁজার প্রবণতা বাড়ছে। বিষয়টি ‘পাসপোর্ট ব্রো’ নামে পরিচিত একটি নতুন সামাজিক প্রবণতা হিসেবে আলোচনায় এসেছে। আধুনিক ডেটিং নিয়ে হতাশা থেকে অনেকে এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
৮ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসির নৌ কমান্ডের পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচলের জন্য যে শর্তগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো—নির্দিষ্ট রুট: কেবল বেসামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ইরানের নির্ধারিত রুট বা পথ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে। সামরিক জাহাজে নিষেধাজ্ঞা: এই প্রণালি দিয়ে যেকোনো বিদেশি সামরিক জাহাজ চলাচল আগের মতোই কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
৮ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে এটি (ইউরেনিয়াম) উদ্ধার করতে যাচ্ছি। আমরা ইরানের সঙ্গে মিলে বেশ ধীরস্থিরভাবে সেখানে যাব এবং বড় বড় যন্ত্রপাতি দিয়ে খননকাজ শুরু করব...এরপর আমরা সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসব।’
৮ ঘণ্টা আগে