
গাজায় চলমান ইসরায়েলি গণহত্যার নিন্দা জানিয়েছিলেন ইয়েমেনের নোবেল বিজয়ী মানবাধিকার কর্মী তাওয়াক্কুল কারমান। ভ্যাটিকানে পোপ ফ্রান্সিসের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইসরায়েলকে গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত করেন তিনি। হলি সিতে ইসরায়েলি দূতাবাস কারমানের এই অভিযোগের বিরুদ্ধে আজ সোমবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
ইসরায়েলি দূতাবাস বলেছে যে, পোপ ফ্রান্সিসের তৈরি করা ফ্রেটেলি তুত্তি ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গত শনিবার সন্ধ্যায় মানবাধিকার কর্মী ও নোবেল বিজয়ী তাওয়াক্কুল কারমানের করা মন্তব্য তাদের কাছে ধাক্কা হিসেবে এসেছে। এই মন্তব্য তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
আরব বসন্তে ভূমিকার জন্য ২০১১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন তাওয়াক্কুল কারমান। গত শনিবার পোপ ফ্রান্সিস আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় দাঁড়িয়ে উপস্থিত শ্রোতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চালানো গণহত্যা এবং জাতিগত নির্মূলের সামনে নীরব হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্ব।’
গাজার কথা উল্লেখ করার পর কারমানের বক্তব্যকে করতালি দিয়ে অভিবাদন জানান শ্রোতারা। আর সেখানে শ্রোতাদের মধ্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, রাজনীতিবিদ এবং গির্জার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে পোপ নিজে উপস্থিত ছিলেন না।
কারমানের এই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসরায়েল। আজ সোমবার সামাজিক প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইসরায়েলি দূতাবাস কারমানের অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
পোস্টে ইসরায়েলি দূতাবাস আরও বলেছে, ‘সাইটটি স্পষ্টভাবেই ইহুদি বিরোধী বক্তব্য দিয়ে দূষিত। আমরা খেদ প্রকাশ করছি এই জন্য যে, এ রকম একটি বক্তব্য উচ্চারিত হলেও তা বন্ধ করার নৈতিক দায়িত্ব কেউ অনুভব করেনি।’
গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ভ্যাটিকান এবং ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমশ উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পোপ ফ্রান্সিসের বিরুদ্ধে ইহুদি গোষ্ঠীগুলোর অভিযোগ হচ্ছে, ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞকে পোপ ইসরায়েলের আত্মরক্ষামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

গাজায় চলমান ইসরায়েলি গণহত্যার নিন্দা জানিয়েছিলেন ইয়েমেনের নোবেল বিজয়ী মানবাধিকার কর্মী তাওয়াক্কুল কারমান। ভ্যাটিকানে পোপ ফ্রান্সিসের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইসরায়েলকে গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত করেন তিনি। হলি সিতে ইসরায়েলি দূতাবাস কারমানের এই অভিযোগের বিরুদ্ধে আজ সোমবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
ইসরায়েলি দূতাবাস বলেছে যে, পোপ ফ্রান্সিসের তৈরি করা ফ্রেটেলি তুত্তি ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গত শনিবার সন্ধ্যায় মানবাধিকার কর্মী ও নোবেল বিজয়ী তাওয়াক্কুল কারমানের করা মন্তব্য তাদের কাছে ধাক্কা হিসেবে এসেছে। এই মন্তব্য তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
আরব বসন্তে ভূমিকার জন্য ২০১১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন তাওয়াক্কুল কারমান। গত শনিবার পোপ ফ্রান্সিস আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় দাঁড়িয়ে উপস্থিত শ্রোতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চালানো গণহত্যা এবং জাতিগত নির্মূলের সামনে নীরব হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্ব।’
গাজার কথা উল্লেখ করার পর কারমানের বক্তব্যকে করতালি দিয়ে অভিবাদন জানান শ্রোতারা। আর সেখানে শ্রোতাদের মধ্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, রাজনীতিবিদ এবং গির্জার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে পোপ নিজে উপস্থিত ছিলেন না।
কারমানের এই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসরায়েল। আজ সোমবার সামাজিক প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইসরায়েলি দূতাবাস কারমানের অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
পোস্টে ইসরায়েলি দূতাবাস আরও বলেছে, ‘সাইটটি স্পষ্টভাবেই ইহুদি বিরোধী বক্তব্য দিয়ে দূষিত। আমরা খেদ প্রকাশ করছি এই জন্য যে, এ রকম একটি বক্তব্য উচ্চারিত হলেও তা বন্ধ করার নৈতিক দায়িত্ব কেউ অনুভব করেনি।’
গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ভ্যাটিকান এবং ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমশ উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পোপ ফ্রান্সিসের বিরুদ্ধে ইহুদি গোষ্ঠীগুলোর অভিযোগ হচ্ছে, ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞকে পোপ ইসরায়েলের আত্মরক্ষামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৮ ঘণ্টা আগে