
গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধ শুরু করেছে ইসরায়েল। হামাসকে নির্মূল করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে যুদ্ধে নামলেও প্রায় তিন মাস যুদ্ধ চালিয়ে সংগঠনটির মাত্র ২০-৩০ শতাংশ সদস্যকে হত্যা করতে পেরেছে। যা তাদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
গত শনিবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুসারে, হামাস এখনো ‘কয়েক মাস ধরে’ ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে লড়াই করতে এবং ইসরায়েলে রকেট ছুড়তে সক্ষম।
প্রতিবেদনটি বলছে, ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিশ্বাস প্রায় ১৬ হাজার হামাস যোদ্ধা আহত হয়েছেন এবং তাঁদের প্রায় অর্ধেকের যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এমনটি মনে করে না। দেশটির গোয়েন্দাদের অনুমান ১০ হাজার ৫০০ থেকে ১১ হাজার ৭০০ যোদ্ধা নিহত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আবার যুদ্ধের ময়দানে ফিরে আসতে পারেন।
মার্কিন সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, বাইডেন প্রশাসন এই যুদ্ধে প্রত্যাশা কমিয়ে দিয়েছে। যুদ্ধের কৌশল পরিবর্তন ও হামাস নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করে অভিযান চালানোর জন্য ইসরায়েলকে আহ্বান জানিয়েছে।
একজন সিনিয়র ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, হামাসের লক্ষ্য ‘হেরে যাওয়া নয়’ এবং জয়ের চেয়ে সংঘাতে টিকে থাকা।
ইসরায়েলের সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার ফলে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ৬৯৫ জন ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক এবং ৩৭৩ জন যোদ্ধা রয়েছে। এ ছাড়া বেসামরিক ও সৈন্যসহ দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে বন্দী হিসেবে গাজায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গাজায় পরবর্তী ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ২৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। ফলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং যুদ্ধ বন্ধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে একটি মামলা করেছে।
গাজার ২৩ লাখ জনসংখ্যার বেশির ভাগই যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনগুলো বলছে, ইসরায়েলের অবরোধে উপত্যকাটির অধিবাসী দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।
হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসেম ব্রিগেড তাদের মোট যোদ্ধা বা শত্রুতার সময় নিহতের মোট সংখ্যা ঘোষণা করেনি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অনুসারে, জানুয়ারিতে এক মার্কিন প্রতিবেদনে অনুমান করা হয় যুদ্ধের আগে হামাসের ২৫ থেকে ৩০ হাজার যোদ্ধা ছিল। ইসরায়েলের অনুমানও ছিল ৩০ হাজারের মতো।

গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধ শুরু করেছে ইসরায়েল। হামাসকে নির্মূল করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে যুদ্ধে নামলেও প্রায় তিন মাস যুদ্ধ চালিয়ে সংগঠনটির মাত্র ২০-৩০ শতাংশ সদস্যকে হত্যা করতে পেরেছে। যা তাদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
গত শনিবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুসারে, হামাস এখনো ‘কয়েক মাস ধরে’ ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে লড়াই করতে এবং ইসরায়েলে রকেট ছুড়তে সক্ষম।
প্রতিবেদনটি বলছে, ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিশ্বাস প্রায় ১৬ হাজার হামাস যোদ্ধা আহত হয়েছেন এবং তাঁদের প্রায় অর্ধেকের যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এমনটি মনে করে না। দেশটির গোয়েন্দাদের অনুমান ১০ হাজার ৫০০ থেকে ১১ হাজার ৭০০ যোদ্ধা নিহত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আবার যুদ্ধের ময়দানে ফিরে আসতে পারেন।
মার্কিন সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, বাইডেন প্রশাসন এই যুদ্ধে প্রত্যাশা কমিয়ে দিয়েছে। যুদ্ধের কৌশল পরিবর্তন ও হামাস নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করে অভিযান চালানোর জন্য ইসরায়েলকে আহ্বান জানিয়েছে।
একজন সিনিয়র ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, হামাসের লক্ষ্য ‘হেরে যাওয়া নয়’ এবং জয়ের চেয়ে সংঘাতে টিকে থাকা।
ইসরায়েলের সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার ফলে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ৬৯৫ জন ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক এবং ৩৭৩ জন যোদ্ধা রয়েছে। এ ছাড়া বেসামরিক ও সৈন্যসহ দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে বন্দী হিসেবে গাজায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গাজায় পরবর্তী ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ২৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। ফলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং যুদ্ধ বন্ধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে একটি মামলা করেছে।
গাজার ২৩ লাখ জনসংখ্যার বেশির ভাগই যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনগুলো বলছে, ইসরায়েলের অবরোধে উপত্যকাটির অধিবাসী দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।
হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসেম ব্রিগেড তাদের মোট যোদ্ধা বা শত্রুতার সময় নিহতের মোট সংখ্যা ঘোষণা করেনি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অনুসারে, জানুয়ারিতে এক মার্কিন প্রতিবেদনে অনুমান করা হয় যুদ্ধের আগে হামাসের ২৫ থেকে ৩০ হাজার যোদ্ধা ছিল। ইসরায়েলের অনুমানও ছিল ৩০ হাজারের মতো।

লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৩ ঘণ্টা আগে
লাতিন আমেরিকায় দেশ ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন সামরিক হস্তক্ষেপের পর নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কিউবার প্রেসিডেন্ট করার একটি প্রস্তাবের জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, বিষয়টি তাঁর কাছে বেশ পছন্দ হয়েছে। আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল
৩ ঘণ্টা আগে