
ঐক্যবদ্ধভাবে গাজা শাসন করার বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে ফিলিস্তিনের দুই স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ফাতাহ। মিসরের রাজধানী কায়রোতে উভয় পক্ষ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। সেই চুক্তির একটি অনুলিপি লেবাননের সম্প্রচারমাধ্যম আল-মায়েদিনের হাতে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, হামাস ও ফাতাহের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি শিগগির গাজায় তাদের কার্যক্রম শুরু করবে।
সমঝোতা স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় বেসামরিক বিষয়ে শাসনের দায়িত্ব পালন করবে ‘গাজা উপত্যকা সমাজকল্যাণ কমিটি’। এই কমিটি ফিলিস্তিনি সরকারের তত্ত্বাবধানে কাজ করবে। নথি অনুসারে, এই কমিটি পশ্চিম তীর, আল-কুদস ও গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের অধীনস্থ থাকবে। এর অর্থ হলো, ভবিষ্যতে গাজা উপত্যকা আর অন্যান্য ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকবে না।
পক্ষগুলো একমত হয়েছে যে, এই কমিটি ১০ থেকে ১৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে। এতে স্বাধীন ও বিশেষজ্ঞ ফিলিস্তিনি ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ ছাড়া, এই কমিটি গাজা উপত্যকায় বেসামরিক সব বিষয়ে শাসন পরিচালনা করবে এবং ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বার্থ সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে। কমিটির ক্ষমতা থাকবে ফিলিস্তিনি সরকার এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক সংস্থাগুলোর অধীনে। তাদের কাজ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করা হবে।
আল-মায়েদিনের কাছে আসা নথি অনুসারে, কায়রোতে সব ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে একটি বৈঠকের পর এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করবে। ওই বৈঠকে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে কমিটির সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, কোনো ধরনের বাধা না থাকলে এই কমিটি শিগগির কাজ শুরু করবে।
এদিকে, এক শীর্ষস্থানীয় ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা আল-মায়েদিনকে জানিয়েছেন, কায়রোতে অনুষ্ঠিত আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধপরবর্তী গাজা শাসনের জন্য গঠিত কমিটি সরকার ও প্রশাসনিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত হবে। কমিটির সদস্যরা গাজা থেকেই নেওয়া হবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, রামাল্লায় ফিলিস্তিনি সরকার এই কমিটির কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবে।
ফাতাহ ও হামাস উভয়েই সম্মত হয়েছে যে, কমিটি পেশাদার ও নিরপেক্ষ থাকবে এবং এতে কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি আরব দেশ এই শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ফিলিস্তিনি দলগুলোর সাম্প্রতিক আলোচনায় জাতীয় ঐক্যের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এর ফলে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অভিন্ন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। চীন, মিসরসহ একাধিক দেশ এই আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছে। এর আগে ফিলিস্তিনের দুই অঞ্চল পশ্চিম তীর ও গাজা শাসন করত দুই কর্তৃপক্ষ। যেখানে গাজার নিয়ন্ত্রণ ছিল হামাসের হাতে এবং পশ্চিম তীরের নিয়ন্ত্রণ ফাতাহর হাতে।
চলতি বছরের জুলাই মাসে ফিলিস্তিনি দলগুলো বেইজিংয়ে বৈঠক করে জাতীয় বিভক্তি নিরসনের প্রচেষ্টা এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পুনর্মিলনের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে। ওই বৈঠকে ফাতাহ, হামাস, ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ, পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন এবং ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইনসহ ১৪টি ফিলিস্তিনি দল অংশ নেয়।
বেইজিং ঘোষণারও একটি কপি আল-মায়েদিনের হাতে এসেছে। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ফিলিস্তিনের জাতীয় বিভক্তি নিরসন এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রচেষ্টা একত্রিত করার পাশাপাশি গণহত্যা বন্ধের চেষ্টা করা হবে।

ঐক্যবদ্ধভাবে গাজা শাসন করার বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে ফিলিস্তিনের দুই স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ফাতাহ। মিসরের রাজধানী কায়রোতে উভয় পক্ষ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। সেই চুক্তির একটি অনুলিপি লেবাননের সম্প্রচারমাধ্যম আল-মায়েদিনের হাতে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, হামাস ও ফাতাহের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি শিগগির গাজায় তাদের কার্যক্রম শুরু করবে।
সমঝোতা স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় বেসামরিক বিষয়ে শাসনের দায়িত্ব পালন করবে ‘গাজা উপত্যকা সমাজকল্যাণ কমিটি’। এই কমিটি ফিলিস্তিনি সরকারের তত্ত্বাবধানে কাজ করবে। নথি অনুসারে, এই কমিটি পশ্চিম তীর, আল-কুদস ও গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের অধীনস্থ থাকবে। এর অর্থ হলো, ভবিষ্যতে গাজা উপত্যকা আর অন্যান্য ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকবে না।
পক্ষগুলো একমত হয়েছে যে, এই কমিটি ১০ থেকে ১৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে। এতে স্বাধীন ও বিশেষজ্ঞ ফিলিস্তিনি ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ ছাড়া, এই কমিটি গাজা উপত্যকায় বেসামরিক সব বিষয়ে শাসন পরিচালনা করবে এবং ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বার্থ সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে। কমিটির ক্ষমতা থাকবে ফিলিস্তিনি সরকার এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক সংস্থাগুলোর অধীনে। তাদের কাজ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করা হবে।
আল-মায়েদিনের কাছে আসা নথি অনুসারে, কায়রোতে সব ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে একটি বৈঠকের পর এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করবে। ওই বৈঠকে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে কমিটির সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, কোনো ধরনের বাধা না থাকলে এই কমিটি শিগগির কাজ শুরু করবে।
এদিকে, এক শীর্ষস্থানীয় ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা আল-মায়েদিনকে জানিয়েছেন, কায়রোতে অনুষ্ঠিত আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধপরবর্তী গাজা শাসনের জন্য গঠিত কমিটি সরকার ও প্রশাসনিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত হবে। কমিটির সদস্যরা গাজা থেকেই নেওয়া হবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, রামাল্লায় ফিলিস্তিনি সরকার এই কমিটির কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবে।
ফাতাহ ও হামাস উভয়েই সম্মত হয়েছে যে, কমিটি পেশাদার ও নিরপেক্ষ থাকবে এবং এতে কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি আরব দেশ এই শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ফিলিস্তিনি দলগুলোর সাম্প্রতিক আলোচনায় জাতীয় ঐক্যের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এর ফলে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অভিন্ন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। চীন, মিসরসহ একাধিক দেশ এই আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছে। এর আগে ফিলিস্তিনের দুই অঞ্চল পশ্চিম তীর ও গাজা শাসন করত দুই কর্তৃপক্ষ। যেখানে গাজার নিয়ন্ত্রণ ছিল হামাসের হাতে এবং পশ্চিম তীরের নিয়ন্ত্রণ ফাতাহর হাতে।
চলতি বছরের জুলাই মাসে ফিলিস্তিনি দলগুলো বেইজিংয়ে বৈঠক করে জাতীয় বিভক্তি নিরসনের প্রচেষ্টা এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পুনর্মিলনের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে। ওই বৈঠকে ফাতাহ, হামাস, ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ, পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন এবং ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইনসহ ১৪টি ফিলিস্তিনি দল অংশ নেয়।
বেইজিং ঘোষণারও একটি কপি আল-মায়েদিনের হাতে এসেছে। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ফিলিস্তিনের জাতীয় বিভক্তি নিরসন এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রচেষ্টা একত্রিত করার পাশাপাশি গণহত্যা বন্ধের চেষ্টা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৪ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে