আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েলি বর্বরতায় গাজায় প্রাণহানি বেড়ে সাড়ে তিন শ ছুঁই ছুঁই। সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, উপত্যকাটিতে নিহত হয়েছে ৩৪২ ফিলিস্তিনি, যাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আলজাজিরা।
আলজাজিরার তথ্যমতে, সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। বেছে বেছে আবাসিক ভবন আর শরণার্থীশিবিরগুলোকে টার্গেট করে বিমান থেকে বোমা ফেলা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, অসুস্থদের চিকিৎসার জন্য যুদ্ধবিরতির সময় খুলে দেওয়া রাফাহ ক্রসিংও বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। এর দুই দিন আগেই উপত্যকায় ঢোকার সব পথ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। ফলে উপত্যকায় ঢুকতে পারছে না কোনো ত্রাণসহায়তা।
নতুন করে গাজায় হামলা শুরুর পক্ষে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের সাফাই—হামাস শান্তি চায় না। যুদ্ধবিরতি চালিয়ে যেতে মার্কিন প্রতিনিধি ও মধ্যস্থতাকারীরা যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, তার সবই প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই হামলার পথ বেছে নিয়েছে ইসরায়েল।
এই হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, গাজায় হামলা শুরুর অর্থ হলো জিম্মিদের মৃত্যু। হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইজ্জাত আল-রিশেক সিএনএনকে বলেন, ‘হামাসের কাছে এখনো যাঁরা জিম্মি আছেন তাঁদের জীবন বিপন্ন করছে ইসরায়েল নিজেই। নেতানিয়াহুর যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত মূলত জিম্মিদের জন্য মৃত্যুদণ্ড।’
তিনি আরও বলেন, ‘আলোচনার মধ্য দিয়ে যা অর্জন করা সম্ভব হতো, তা যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে কখনোই পাবে না ইসরায়েল। আলোচনাকে তারাই ব্যর্থ করেছে, হামাস নয়।’
গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর (আইডিএফ) হামলায় ক্ষুব্ধ ইসরায়েলের সাধারণ নাগরিকেরাও। এই হামলার মধ্য দিয়ে বাকি জিম্মিদের জীবন অনিশ্চয়তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে তাঁর পদত্যাগ চাইছেন তাঁরা। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস–ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করে আসছেন সাধারণ ইসরায়েলিরা। প্রায় দেড় বছর সময় পেরিয়ে গেলেও সব জিম্মিকে মুক্ত করতে না পারায় ক্ষোভ আরও বাড়ছে।
এদিকে বিশ্লেষকেরা বলছেন, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে কখনোই আন্তরিক ছিলেন না। দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিসের অধ্যাপক মোহাম্মাদ ইলমাসরি বলেন, ‘শুরু থেকেই ইসরায়েল চায়নি যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর হোক। আত্মরক্ষার বুলি আউড়িয়ে কেবল যুদ্ধের মাঠে ফেরার যুক্তি দিয়ে গেছে। ৪২ দিন করে তিন ধাপের যে যুদ্ধবিরতির কথা প্রথমে হয়েছিল তা বাস্তবায়ন সম্ভব হলে একপর্যায়ে যুদ্ধ শেষ হয়ে যেত, যা ইসরায়েল চায় না। প্রথম ধাপের ১৬তম দিন থেকে বিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা নিয়ে টালবাহানা করতে করতে একেবারে শেষ পর্যায়ে আলোচনায় বসতে রাজি হলো ইসরায়েল। তবে, আলোচনার শুরু থেকেই তারা কেবল প্রথম ধাপ বর্ধিত করার প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।’
নেতানিয়াহু নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে যুদ্ধ জিইয়ে রাখতে চান—এমন কথা অনেক বিশ্লেষকই বহুবার বলেছেন। এবার যেন তারই কিছুটা প্রমাণ মিলল। গাজায় হামলা শুরুর পর স্থগিত হয়েছে নেতানিয়াহুর দুর্নীতি মামলার শুনানি।

ইসরায়েলি বর্বরতায় গাজায় প্রাণহানি বেড়ে সাড়ে তিন শ ছুঁই ছুঁই। সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, উপত্যকাটিতে নিহত হয়েছে ৩৪২ ফিলিস্তিনি, যাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আলজাজিরা।
আলজাজিরার তথ্যমতে, সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। বেছে বেছে আবাসিক ভবন আর শরণার্থীশিবিরগুলোকে টার্গেট করে বিমান থেকে বোমা ফেলা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, অসুস্থদের চিকিৎসার জন্য যুদ্ধবিরতির সময় খুলে দেওয়া রাফাহ ক্রসিংও বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। এর দুই দিন আগেই উপত্যকায় ঢোকার সব পথ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। ফলে উপত্যকায় ঢুকতে পারছে না কোনো ত্রাণসহায়তা।
নতুন করে গাজায় হামলা শুরুর পক্ষে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের সাফাই—হামাস শান্তি চায় না। যুদ্ধবিরতি চালিয়ে যেতে মার্কিন প্রতিনিধি ও মধ্যস্থতাকারীরা যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, তার সবই প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই হামলার পথ বেছে নিয়েছে ইসরায়েল।
এই হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, গাজায় হামলা শুরুর অর্থ হলো জিম্মিদের মৃত্যু। হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইজ্জাত আল-রিশেক সিএনএনকে বলেন, ‘হামাসের কাছে এখনো যাঁরা জিম্মি আছেন তাঁদের জীবন বিপন্ন করছে ইসরায়েল নিজেই। নেতানিয়াহুর যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত মূলত জিম্মিদের জন্য মৃত্যুদণ্ড।’
তিনি আরও বলেন, ‘আলোচনার মধ্য দিয়ে যা অর্জন করা সম্ভব হতো, তা যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে কখনোই পাবে না ইসরায়েল। আলোচনাকে তারাই ব্যর্থ করেছে, হামাস নয়।’
গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর (আইডিএফ) হামলায় ক্ষুব্ধ ইসরায়েলের সাধারণ নাগরিকেরাও। এই হামলার মধ্য দিয়ে বাকি জিম্মিদের জীবন অনিশ্চয়তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে তাঁর পদত্যাগ চাইছেন তাঁরা। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস–ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করে আসছেন সাধারণ ইসরায়েলিরা। প্রায় দেড় বছর সময় পেরিয়ে গেলেও সব জিম্মিকে মুক্ত করতে না পারায় ক্ষোভ আরও বাড়ছে।
এদিকে বিশ্লেষকেরা বলছেন, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে কখনোই আন্তরিক ছিলেন না। দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিসের অধ্যাপক মোহাম্মাদ ইলমাসরি বলেন, ‘শুরু থেকেই ইসরায়েল চায়নি যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর হোক। আত্মরক্ষার বুলি আউড়িয়ে কেবল যুদ্ধের মাঠে ফেরার যুক্তি দিয়ে গেছে। ৪২ দিন করে তিন ধাপের যে যুদ্ধবিরতির কথা প্রথমে হয়েছিল তা বাস্তবায়ন সম্ভব হলে একপর্যায়ে যুদ্ধ শেষ হয়ে যেত, যা ইসরায়েল চায় না। প্রথম ধাপের ১৬তম দিন থেকে বিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা নিয়ে টালবাহানা করতে করতে একেবারে শেষ পর্যায়ে আলোচনায় বসতে রাজি হলো ইসরায়েল। তবে, আলোচনার শুরু থেকেই তারা কেবল প্রথম ধাপ বর্ধিত করার প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।’
নেতানিয়াহু নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে যুদ্ধ জিইয়ে রাখতে চান—এমন কথা অনেক বিশ্লেষকই বহুবার বলেছেন। এবার যেন তারই কিছুটা প্রমাণ মিলল। গাজায় হামলা শুরুর পর স্থগিত হয়েছে নেতানিয়াহুর দুর্নীতি মামলার শুনানি।

রেনেসাঁ যুগের মহাবিস্ময় লিওনার্দো দা ভিঞ্চির সঙ্গে যুক্ত একটি শিল্পকর্মে তাঁর ডিএনএ–এর সম্ভাব্য উপস্থিতির দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ এক দশকের গবেষণার ফল হিসেবে এই আবিষ্কারকে তাঁরা ‘উল্লেখযোগ্য মাইলফলক’ হিসেবে দেখছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা চালানো হলে কঠোর ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির নবগঠিত ‘ইরানি প্রতিরক্ষা পরিষদ’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান কেবল আক্রান্ত হওয়ার পর পাল্টা জবাব দেওয়ার নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং
৭ ঘণ্টা আগে
সিরিয়ার বৃহত্তম শহর আলেপ্পোতে সরকারি বাহিনী ও কুর্দি যোদ্ধাদের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘর্ষ আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। টানা দ্বিতীয় দিনের এই লড়াইয়ে আজ বুধবার পর্যন্ত দুই নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছে। এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ।
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীন ও রাশিয়া শুধু যুক্তরাষ্ট্রকেই ভয় ও সম্মান করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ন্যাটো, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং নিজের ভূমিকা নিয়ে একাধিক দাবি করেন।
৭ ঘণ্টা আগে