
ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্রে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে চার ব্যক্তিকে শূলে চড়িয়েছে ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান। আজ শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) তাঁদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা।
দেশটির বিচার বিভাগের বরাতে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, দুই সপ্তাহ আগে ঠিক একই অভিযোগে এক ইসরায়েলি গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছিল ইরান। ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরও চার গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।
ইরানের বিচারিক বিভাগের অনলাইন ওয়েবসাইট মিজানে চার ব্যক্তিকে ফাঁসিতে ঝুলানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘ইহুদিবাদী সরকারের (ইসরায়েলের) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নাশকতাকারী দলের চার সদস্যের মৃত্যুদণ্ড আজ কার্যকর করা হয়েছে।’
চারজনের মধ্যে তিনজন হলেন পুরুষ। বাকি একজন নারী। তবে তাঁরা কোন দেশের নাগরিক তা উল্লেখ করা হয়নি।
তাঁদের বিরুদ্ধে ‘দুনিয়ায় দুর্নীতি’ ও ‘আল্লাহর বিরুদ্ধে শত্রুতা’ করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। অভিযোগ প্রমাণ হওয়ার পর তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইহুদিবাদীদের সহযোগিতার মাধ্যমে এ অপরাধ সংঘটিত করেছেন তাঁরা।
বিচারিক বিভাগের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ব্যক্তিরা ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের নির্দেশনায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন।
পারমাণবিক শক্তি সমৃদ্ধ দেশ ইরান প্রায়ই গুপ্তচরবৃত্তির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে থাকে। ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সঙ্গে নিজ নাগরিকদের যে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে দেশটি।

ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্রে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে চার ব্যক্তিকে শূলে চড়িয়েছে ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান। আজ শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) তাঁদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা।
দেশটির বিচার বিভাগের বরাতে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, দুই সপ্তাহ আগে ঠিক একই অভিযোগে এক ইসরায়েলি গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছিল ইরান। ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরও চার গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।
ইরানের বিচারিক বিভাগের অনলাইন ওয়েবসাইট মিজানে চার ব্যক্তিকে ফাঁসিতে ঝুলানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘ইহুদিবাদী সরকারের (ইসরায়েলের) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নাশকতাকারী দলের চার সদস্যের মৃত্যুদণ্ড আজ কার্যকর করা হয়েছে।’
চারজনের মধ্যে তিনজন হলেন পুরুষ। বাকি একজন নারী। তবে তাঁরা কোন দেশের নাগরিক তা উল্লেখ করা হয়নি।
তাঁদের বিরুদ্ধে ‘দুনিয়ায় দুর্নীতি’ ও ‘আল্লাহর বিরুদ্ধে শত্রুতা’ করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। অভিযোগ প্রমাণ হওয়ার পর তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইহুদিবাদীদের সহযোগিতার মাধ্যমে এ অপরাধ সংঘটিত করেছেন তাঁরা।
বিচারিক বিভাগের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ব্যক্তিরা ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের নির্দেশনায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন।
পারমাণবিক শক্তি সমৃদ্ধ দেশ ইরান প্রায়ই গুপ্তচরবৃত্তির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে থাকে। ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সঙ্গে নিজ নাগরিকদের যে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে দেশটি।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে