
গাজার নিয়ন্ত্রক গোষ্ঠী হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জুদ্দিন আল-কাসাম ব্রিগেড জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের সময় আরও তিন ইসরায়েলি জিম্মি নিহত হয়েছেন। গাজার নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরে অভিযানের সময় এক মার্কিন নাগরিকসহ ওই তিনজন নিহত হন বলে জানিয়েছে হামাস। ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যম আল-কুদসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসরায়েলি বাহিনী গাজার কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরে চারজন জিম্মিকে উদ্ধারে অভিযান চালায়। হামাসের ঘোষণা অনুসারে, সেই অভিযানেই তিন জিম্মি নিহত হন। বিষয়টি উল্লেখ করে এক ভিডিও বার্তায় আল-কাসাম ব্রিগেড ইসরায়েলিদের উদ্দেশে বলেছে, ‘গতকাল (রোববার) চার জিম্মিকে উদ্ধার করতে এসে আপনাদের সেনাবাহিনী নুসেইরাত ক্যাম্পে যে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, সে সময় একই শিবিরে তারা তিন জিম্মিকে হত্যা করেছে। নিহতদের মধ্যে একজন মার্কিন নাগরিকও আছেন।’
আল-কাসাম ব্রিগেড নিহত জিম্মিদের ছবি সম্প্রচার করে দেওয়া এক ভিডিওতে বলেছে, আপনাদের (ইসরায়েলি) সরকার অন্য জিম্মিদের বাঁচাতে অনেক জিম্মিকেই হত্যা করছে। এ সময় আল-কাসাম ব্রিগেড জোর দিয়ে বলেছে, আমাদের বন্দীদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত আপনাদের জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে না। সামাজিক মাধ্যমে আল-কাসাম ব্রিগেড এই ভিডিও ক্যাপশনে হ্যাশট্যাগ দিয়ে বলেছে, ‘সময় শেষ হচ্ছে’।
এর আগে, গত শনিবার ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরের কেন্দ্রস্থলে দুটি পৃথক এলাকা থেকে চার ইসরায়েলি জিম্মিকে উদ্ধারের ঘোষণা দেয়। সেই অভিযানে ৬৪ শিশু এবং ৫৭ জন নারী মারা গেছেন এবং ৬৯৮ জন আহত হয়েছে।
সেই অভিযানের পর আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা বলেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড চালিয়ে তাদের কিছু জিম্মিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু একই সময়ে তারা তাদের কয়েকজন জিম্মিকেও হত্যা করেছে। সে সময় অবশ্য আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র নিহত জিম্মিদের সংখ্যা উল্লেখ করেননি।

গাজার নিয়ন্ত্রক গোষ্ঠী হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জুদ্দিন আল-কাসাম ব্রিগেড জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের সময় আরও তিন ইসরায়েলি জিম্মি নিহত হয়েছেন। গাজার নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরে অভিযানের সময় এক মার্কিন নাগরিকসহ ওই তিনজন নিহত হন বলে জানিয়েছে হামাস। ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যম আল-কুদসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসরায়েলি বাহিনী গাজার কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরে চারজন জিম্মিকে উদ্ধারে অভিযান চালায়। হামাসের ঘোষণা অনুসারে, সেই অভিযানেই তিন জিম্মি নিহত হন। বিষয়টি উল্লেখ করে এক ভিডিও বার্তায় আল-কাসাম ব্রিগেড ইসরায়েলিদের উদ্দেশে বলেছে, ‘গতকাল (রোববার) চার জিম্মিকে উদ্ধার করতে এসে আপনাদের সেনাবাহিনী নুসেইরাত ক্যাম্পে যে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, সে সময় একই শিবিরে তারা তিন জিম্মিকে হত্যা করেছে। নিহতদের মধ্যে একজন মার্কিন নাগরিকও আছেন।’
আল-কাসাম ব্রিগেড নিহত জিম্মিদের ছবি সম্প্রচার করে দেওয়া এক ভিডিওতে বলেছে, আপনাদের (ইসরায়েলি) সরকার অন্য জিম্মিদের বাঁচাতে অনেক জিম্মিকেই হত্যা করছে। এ সময় আল-কাসাম ব্রিগেড জোর দিয়ে বলেছে, আমাদের বন্দীদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত আপনাদের জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে না। সামাজিক মাধ্যমে আল-কাসাম ব্রিগেড এই ভিডিও ক্যাপশনে হ্যাশট্যাগ দিয়ে বলেছে, ‘সময় শেষ হচ্ছে’।
এর আগে, গত শনিবার ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরের কেন্দ্রস্থলে দুটি পৃথক এলাকা থেকে চার ইসরায়েলি জিম্মিকে উদ্ধারের ঘোষণা দেয়। সেই অভিযানে ৬৪ শিশু এবং ৫৭ জন নারী মারা গেছেন এবং ৬৯৮ জন আহত হয়েছে।
সেই অভিযানের পর আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা বলেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড চালিয়ে তাদের কিছু জিম্মিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু একই সময়ে তারা তাদের কয়েকজন জিম্মিকেও হত্যা করেছে। সে সময় অবশ্য আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র নিহত জিম্মিদের সংখ্যা উল্লেখ করেননি।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
২ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে