
আবারও লেবাননের রাজধানী বৈরুতকে গাজার মতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, হিজবুল্লাহ যদি হামাসের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলে, তবে ছাড় দেওয়া হবে না।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ স্থানীয় সময় শুক্রবার ইসরায়েলি সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডের সদর দপ্তর পরিদর্শনকালে হিজবুল্লাহ ও লেবাননের প্রতি এই হুমকি উচ্চারণ করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ‘যদি হিজবুল্লাহ ইসরায়েলকে নতুন আরেকটি ফ্রন্টে যুদ্ধ করতে বাধ্য করে, তবে তা নিজ হাতে বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননকে গাজা ও খান ইউনিসে (ধ্বংসস্তূপে) পরিণত করবে। কারণ এটি এখান থেকে খুব বেশি দূরে নয়।’
এর আগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত হুমকি দেন, প্রয়োজনে লেবাননের রাজধানী বৈরুতকেও গাজায় পরিণত করা হবে, অর্থাৎ গাজার মতো বিধ্বস্ত অঞ্চলে পরিণত করা হবে। তিনি বলেছেন, লেবাননভিত্তিক গেরিলা গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তে হামলা বন্ধ না করে, তবে তার মূল্য চোকাতে হবে সাধারণ লেবানিজদের।
গ্যালান্ত বলেন, ‘হিজবুল্লাহ লেবাননকে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধের দিকে টেনে আনছে এবং এটি করার মাধ্যমে তারা ভুল করছে। তারা যদি এমন কোনো ভুল করেই, তবে প্রথমেই তার মূল্য চোকাতে হবে লেবাননের সাধারণ জনগণকে।’ এ সময় তিনি লেবাননের রাজধানী বৈরুতকেও গাজার পরিণতি দেওয়া হবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা গাজায় যা করছি, আমরা জানি এই কাজগুলো কীভাবে বৈরুতে করতে হবে।’
উল্লেখ্য, অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু ও নারী। গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে অন্তত ১৭ হাজার ১৭৭ জন। এই সময়ে আহত হয়েছে আরও অন্তত ৪৬ হাজার।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ১৭৭।’
আশরাফ আল-কুদরা বলেন, ‘নিহতদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশই শিশু ও নারী।’ এ সময় তিনি আরও জানান, অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৪৬ হাজার ফিলিস্তিনি। এ ছাড়া গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগের ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

আবারও লেবাননের রাজধানী বৈরুতকে গাজার মতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, হিজবুল্লাহ যদি হামাসের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলে, তবে ছাড় দেওয়া হবে না।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ স্থানীয় সময় শুক্রবার ইসরায়েলি সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডের সদর দপ্তর পরিদর্শনকালে হিজবুল্লাহ ও লেবাননের প্রতি এই হুমকি উচ্চারণ করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ‘যদি হিজবুল্লাহ ইসরায়েলকে নতুন আরেকটি ফ্রন্টে যুদ্ধ করতে বাধ্য করে, তবে তা নিজ হাতে বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননকে গাজা ও খান ইউনিসে (ধ্বংসস্তূপে) পরিণত করবে। কারণ এটি এখান থেকে খুব বেশি দূরে নয়।’
এর আগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত হুমকি দেন, প্রয়োজনে লেবাননের রাজধানী বৈরুতকেও গাজায় পরিণত করা হবে, অর্থাৎ গাজার মতো বিধ্বস্ত অঞ্চলে পরিণত করা হবে। তিনি বলেছেন, লেবাননভিত্তিক গেরিলা গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তে হামলা বন্ধ না করে, তবে তার মূল্য চোকাতে হবে সাধারণ লেবানিজদের।
গ্যালান্ত বলেন, ‘হিজবুল্লাহ লেবাননকে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধের দিকে টেনে আনছে এবং এটি করার মাধ্যমে তারা ভুল করছে। তারা যদি এমন কোনো ভুল করেই, তবে প্রথমেই তার মূল্য চোকাতে হবে লেবাননের সাধারণ জনগণকে।’ এ সময় তিনি লেবাননের রাজধানী বৈরুতকেও গাজার পরিণতি দেওয়া হবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা গাজায় যা করছি, আমরা জানি এই কাজগুলো কীভাবে বৈরুতে করতে হবে।’
উল্লেখ্য, অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু ও নারী। গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে অন্তত ১৭ হাজার ১৭৭ জন। এই সময়ে আহত হয়েছে আরও অন্তত ৪৬ হাজার।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ১৭৭।’
আশরাফ আল-কুদরা বলেন, ‘নিহতদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশই শিশু ও নারী।’ এ সময় তিনি আরও জানান, অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৪৬ হাজার ফিলিস্তিনি। এ ছাড়া গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগের ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৫ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে