
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়া যেসব হামাস সদস্য গত ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলে হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সেই সব আরব মায়েদের জেনে রাখা উচিত, যদি তাদের সন্তান ৭ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে থাকে, তবে তাদের হাতও তাদের নিজ নিজ সন্তানের রক্তে রঞ্জিত হবে।’
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোসাদের সাবেক ও প্রয়াত প্রধান ইজ্ভি জামারের শোকসভায় কথা বলতে গিয়ে ডেভিড বার্নিয়া এ কথা বলেন। ইজ্ভি জামার গত মঙ্গলবার মৃত্যুবরণ করেন।
মোসাদের প্রধান এমন এক সময়ে এই হুমকি দিলেন, যার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই লেবাননের রাজধানী বৈরুতে এক ড্রোন হামলায় হামাসের উপপ্রধান সালেহ আল-আরৌরি নিহত হন। যদিও ডেভিড বার্নিয়া আরৌরির নাম উল্লেখ করেননি, তবে এটি বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় যে, তিনি তাঁকে ইঙ্গিত করেই এই হুমকি দিয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী নিজ থেকে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি আনুষ্ঠানিকভাবে। তবে মোসাদপ্রধানের এই মন্তব্য থেকে অনেকটাই নিশ্চিত যে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ইসরায়েলের হাত রয়েছে। হামাস ও লেবানিজ সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও এই হামলার পেছনে ইসরায়েলকেই দায়ী করেছে।
ডেভিড বার্নিয়া আরও বলেছেন, ‘আজ আমরা একটা যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যে আছি। ৫০ বছর আগেও আমরা যেমনটা ছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘মোসাদ গত ৭ অক্টোবরের ঘটনায় যারা অংশগ্রহণ করেছে, যারা পরিকল্পনা করেছে, যারা বার্তা বহন করেছে সেই সব খুনিকে স্রেফ সংখ্যায় পরিণত করবে।’
মোসাদপ্রধান বলেন, ‘এটি করতে হয়তো অনেক সময় লাগবে। যেমনটা সময় লেগেছিল মিউনিখ অলিম্পিকের হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে। তবে আমাদের দীর্ঘ হাত অবশ্যই তাদের ধরে ফেলবে, তারা যেখানেই থাকুক না কেন।’

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়া যেসব হামাস সদস্য গত ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলে হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সেই সব আরব মায়েদের জেনে রাখা উচিত, যদি তাদের সন্তান ৭ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে থাকে, তবে তাদের হাতও তাদের নিজ নিজ সন্তানের রক্তে রঞ্জিত হবে।’
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোসাদের সাবেক ও প্রয়াত প্রধান ইজ্ভি জামারের শোকসভায় কথা বলতে গিয়ে ডেভিড বার্নিয়া এ কথা বলেন। ইজ্ভি জামার গত মঙ্গলবার মৃত্যুবরণ করেন।
মোসাদের প্রধান এমন এক সময়ে এই হুমকি দিলেন, যার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই লেবাননের রাজধানী বৈরুতে এক ড্রোন হামলায় হামাসের উপপ্রধান সালেহ আল-আরৌরি নিহত হন। যদিও ডেভিড বার্নিয়া আরৌরির নাম উল্লেখ করেননি, তবে এটি বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় যে, তিনি তাঁকে ইঙ্গিত করেই এই হুমকি দিয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী নিজ থেকে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি আনুষ্ঠানিকভাবে। তবে মোসাদপ্রধানের এই মন্তব্য থেকে অনেকটাই নিশ্চিত যে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ইসরায়েলের হাত রয়েছে। হামাস ও লেবানিজ সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও এই হামলার পেছনে ইসরায়েলকেই দায়ী করেছে।
ডেভিড বার্নিয়া আরও বলেছেন, ‘আজ আমরা একটা যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যে আছি। ৫০ বছর আগেও আমরা যেমনটা ছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘মোসাদ গত ৭ অক্টোবরের ঘটনায় যারা অংশগ্রহণ করেছে, যারা পরিকল্পনা করেছে, যারা বার্তা বহন করেছে সেই সব খুনিকে স্রেফ সংখ্যায় পরিণত করবে।’
মোসাদপ্রধান বলেন, ‘এটি করতে হয়তো অনেক সময় লাগবে। যেমনটা সময় লেগেছিল মিউনিখ অলিম্পিকের হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে। তবে আমাদের দীর্ঘ হাত অবশ্যই তাদের ধরে ফেলবে, তারা যেখানেই থাকুক না কেন।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে