
ঢাকা: অবরুদ্ধ পূর্ব জেরুজালেমের নিকটবর্তী শেখ জাররাহ এলাকায় বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহের সময় স্থানীয় সময় শনিবার (৫ জুলাই) আল জাজিরার এক নারী সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে ইসরায়েলি পুলিশ। গ্রেপ্তার সাংবাদিকের নাম গিভারা বুদেইরি। গায়ে প্রেস লেখা জ্যাকেট থাকলেও কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ক্যামেরাম্যান নাবিল মাজাউইও আক্রমণের শিকার হন। তবে এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুরু হলে গ্রেপ্তার সাংবাদিককে (গিভারা বুদেইরি) কয়েক ঘণ্টা পরেই শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারের সময় সাংবাদিক গিভারা বুদেইরিকে লাঞ্ছনা, মারধর এবং সংবাদ সংগ্রহে ব্যবহৃত জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়। গিভারা বুদেইরি আল জাজিরার জেরুজালেম প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০০০ সাল থেকে আল জাজিরাতে কাজ করছেন।
মুক্তির পর সাংবাদিক গিভারা বুদেইরি আল জাজিরাকে বলেন, তাঁরা চারদিক থেকে ছুটে আসে। তাঁরা চারদিক থেকে খুব বাজে ভাবে আমাকে লাথি মারছিল। তিনি আরও বলেন, শেখ জাররাহ এলাকায় আগামী ১৫ দিন না যাওয়ার শর্তে তাঁরা আমাকে মুক্তি দেয়।
এক বিবৃতিতে আল জাজিরার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মোস্তফা সওজ বলেন, আন্তর্জাতিক সকল নিয়মনীতি উপেক্ষা করে তাঁরা বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে আমাদের সাংবাদিকদের টার্গেট করছে। আজ ইসরায়েলি বাহিনী সাংবাদিক গিভারা বুদেইরি এবং নাবিল মাজাউইয়ের সঙ্গে যে আচরণ করেছে সেটি সাংবাদিকদের মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন।
এর আগে আল জাজিরার আরেক সংবাদকর্মী হোদা আবদেল হামিদ জানান, গিভারা বুদেইরিকে বিনা কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তখন তাঁর গায়ে ‘প্রেস’ লেখা জ্যাকেট ছিল। এমনকি হয়রানি এড়াতে তিনি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রেস কার্ডও দেখিয়েছিলেন।
হোদা আবদেল হামিদ বলেন, তাঁকে (গিভারা বুদেইরি) ক্রমাগত ধাক্কানো হচ্ছিল। তখন সঙ্গে থাকা ক্যামেরাম্যান তার কাছে যাওয়ার চেষ্টা করলে ক্যামেরাটিও ভেঙে ফেলা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে আবদেল হামিদ আরও বলেন, ইসরায়েলি পুলিশের চড়াও হওয়ার মতো কোনো ঘটনাই সেখানে ঘটেনি। তবুও তারা কেন বুদেইরির ওপর চড়াও হলো তা পরিষ্কার না।
আন্তর্জাতিক প্রেস ইনস্টিটিউটের বারবারা ট্রিয়ানফি বলেন, ইসরায়েলি পুলিশের এমন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
রিপোর্টার উইথ আউট বর্ডারসের মুখপাত্র সাবরিনা বেনোই আল জাজিরাকে বলেন, মুক্ত গণমাধ্যমের বিপক্ষে এটি একটি সুস্পষ্ট বাঁধা। কেননা গ্রেপ্তার সাংবাদিক ‘প্রেস’ জ্যাকেট পরা ছিলেন এবং তিনি স্বীকৃত একটি প্রতিষ্ঠানের গণমাধ্যমকর্মী।
রিপোর্টার উইথ আউট বর্ডারস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ফিলিস্তিনের প্রায় ১৪ জন সাংবাদিককে বন্দী করে আটকে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে শেখ জাররাহ এলাকাতেই জেইনা হালওয়ানি ও ওয়াব মিকিয়াহকে লাঞ্ছিত করে আটক করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী।
এর আগে ইসরায়েল-হামাস মধ্যকার ১১ দিনের যুদ্ধ চলাকালে গত ১৫ মে গাজায় আল-জাজিরার ভবন গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ইসরায়েল।

ঢাকা: অবরুদ্ধ পূর্ব জেরুজালেমের নিকটবর্তী শেখ জাররাহ এলাকায় বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহের সময় স্থানীয় সময় শনিবার (৫ জুলাই) আল জাজিরার এক নারী সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে ইসরায়েলি পুলিশ। গ্রেপ্তার সাংবাদিকের নাম গিভারা বুদেইরি। গায়ে প্রেস লেখা জ্যাকেট থাকলেও কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ক্যামেরাম্যান নাবিল মাজাউইও আক্রমণের শিকার হন। তবে এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুরু হলে গ্রেপ্তার সাংবাদিককে (গিভারা বুদেইরি) কয়েক ঘণ্টা পরেই শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারের সময় সাংবাদিক গিভারা বুদেইরিকে লাঞ্ছনা, মারধর এবং সংবাদ সংগ্রহে ব্যবহৃত জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়। গিভারা বুদেইরি আল জাজিরার জেরুজালেম প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০০০ সাল থেকে আল জাজিরাতে কাজ করছেন।
মুক্তির পর সাংবাদিক গিভারা বুদেইরি আল জাজিরাকে বলেন, তাঁরা চারদিক থেকে ছুটে আসে। তাঁরা চারদিক থেকে খুব বাজে ভাবে আমাকে লাথি মারছিল। তিনি আরও বলেন, শেখ জাররাহ এলাকায় আগামী ১৫ দিন না যাওয়ার শর্তে তাঁরা আমাকে মুক্তি দেয়।
এক বিবৃতিতে আল জাজিরার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মোস্তফা সওজ বলেন, আন্তর্জাতিক সকল নিয়মনীতি উপেক্ষা করে তাঁরা বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে আমাদের সাংবাদিকদের টার্গেট করছে। আজ ইসরায়েলি বাহিনী সাংবাদিক গিভারা বুদেইরি এবং নাবিল মাজাউইয়ের সঙ্গে যে আচরণ করেছে সেটি সাংবাদিকদের মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন।
এর আগে আল জাজিরার আরেক সংবাদকর্মী হোদা আবদেল হামিদ জানান, গিভারা বুদেইরিকে বিনা কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তখন তাঁর গায়ে ‘প্রেস’ লেখা জ্যাকেট ছিল। এমনকি হয়রানি এড়াতে তিনি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রেস কার্ডও দেখিয়েছিলেন।
হোদা আবদেল হামিদ বলেন, তাঁকে (গিভারা বুদেইরি) ক্রমাগত ধাক্কানো হচ্ছিল। তখন সঙ্গে থাকা ক্যামেরাম্যান তার কাছে যাওয়ার চেষ্টা করলে ক্যামেরাটিও ভেঙে ফেলা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে আবদেল হামিদ আরও বলেন, ইসরায়েলি পুলিশের চড়াও হওয়ার মতো কোনো ঘটনাই সেখানে ঘটেনি। তবুও তারা কেন বুদেইরির ওপর চড়াও হলো তা পরিষ্কার না।
আন্তর্জাতিক প্রেস ইনস্টিটিউটের বারবারা ট্রিয়ানফি বলেন, ইসরায়েলি পুলিশের এমন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
রিপোর্টার উইথ আউট বর্ডারসের মুখপাত্র সাবরিনা বেনোই আল জাজিরাকে বলেন, মুক্ত গণমাধ্যমের বিপক্ষে এটি একটি সুস্পষ্ট বাঁধা। কেননা গ্রেপ্তার সাংবাদিক ‘প্রেস’ জ্যাকেট পরা ছিলেন এবং তিনি স্বীকৃত একটি প্রতিষ্ঠানের গণমাধ্যমকর্মী।
রিপোর্টার উইথ আউট বর্ডারস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ফিলিস্তিনের প্রায় ১৪ জন সাংবাদিককে বন্দী করে আটকে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে শেখ জাররাহ এলাকাতেই জেইনা হালওয়ানি ও ওয়াব মিকিয়াহকে লাঞ্ছিত করে আটক করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী।
এর আগে ইসরায়েল-হামাস মধ্যকার ১১ দিনের যুদ্ধ চলাকালে গত ১৫ মে গাজায় আল-জাজিরার ভবন গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ইসরায়েল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১৪ মিনিট আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
৩৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে