
গাজায় থাকা হামাসের সেনাদের অর্ধেকের বেশি ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় নিহত হয়েছেন কিংবা গুরুতর আহত হয়েছেন। গাজায় হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। হামাসের সেনাদের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগও নেই। এমনটাই দাবি করেছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল দেশটির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, গাজায় হামাসকে নির্মূল করা এখন মাত্র কয়েক মাসের ব্যাপার। এই অভিযানে আর খুব বেশি সময় লাগবে না। বছর লাগার প্রশ্নই আসে না।
বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত দিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামাসের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণাঙ্গ জয়ের’ প্রতিজ্ঞা করেছেন। যদিও গাজায় বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো হামাসের সদস্যরা তীব্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে যেসব এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী হামাসকে তাড়িয়ে দিয়েছিল, সেসব এলাকায় গোষ্ঠীটির সদস্যরা আবারও ফিরে এসে লড়াই করছেন।
এই পরিস্থিতিতে গতকাল সোমবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত উত্তর গাজা ছাড়িয়ে দক্ষিণ গাজার রাফায় অভিযান শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছেন। যদিও উত্তর গাজায় এখনো হামাসের সদস্যরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। গ্যালান্ত বলেছেন, ‘ইয়াহিয়া সিনওয়ার গাজায় এক গুপ্তস্থান থেকে আরেক গুপ্তস্থানে লুকিয়ে বেড়াচ্ছেন। হামাসের সেনাদের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ নেই।’
এদিকে, গতকাল সোমবার ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া এক ভাষণে নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘আমরা হামাসের প্রত্যেক নেতাকে হত্যা করব। তাই আমাদের গাজা উপত্যকায় অভিযান চালিয়ে যেতে হবে। লক্ষ্য অর্জিত হওয়ার আগে আমরা থামব না। আমরা সময় নেব। প্রয়োজনে কয়েক মাস কিংবা কয়েক বছর।’
সেদিনই ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল লাতরুনে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনীর একটি ইউনিট পরিদর্শনকালে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হামাসের ২৪টি ব্যাটালিয়নের মধ্যে ১৮টিই ধ্বংস করা হয়েছে। আর পরিপূর্ণ জয়ের কোনো বিকল্প নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘গাজায় আমাদের নিরাপত্তার শর্ত নিশ্চিত না করার আগ পর্যন্ত আমাদের লক্ষ্য অর্জিত হবে না এবং এর আগে আমরা যুদ্ধও থামাব না।’

গাজায় থাকা হামাসের সেনাদের অর্ধেকের বেশি ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় নিহত হয়েছেন কিংবা গুরুতর আহত হয়েছেন। গাজায় হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। হামাসের সেনাদের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগও নেই। এমনটাই দাবি করেছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল দেশটির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, গাজায় হামাসকে নির্মূল করা এখন মাত্র কয়েক মাসের ব্যাপার। এই অভিযানে আর খুব বেশি সময় লাগবে না। বছর লাগার প্রশ্নই আসে না।
বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত দিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামাসের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণাঙ্গ জয়ের’ প্রতিজ্ঞা করেছেন। যদিও গাজায় বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো হামাসের সদস্যরা তীব্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে যেসব এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী হামাসকে তাড়িয়ে দিয়েছিল, সেসব এলাকায় গোষ্ঠীটির সদস্যরা আবারও ফিরে এসে লড়াই করছেন।
এই পরিস্থিতিতে গতকাল সোমবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত উত্তর গাজা ছাড়িয়ে দক্ষিণ গাজার রাফায় অভিযান শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছেন। যদিও উত্তর গাজায় এখনো হামাসের সদস্যরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। গ্যালান্ত বলেছেন, ‘ইয়াহিয়া সিনওয়ার গাজায় এক গুপ্তস্থান থেকে আরেক গুপ্তস্থানে লুকিয়ে বেড়াচ্ছেন। হামাসের সেনাদের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ নেই।’
এদিকে, গতকাল সোমবার ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া এক ভাষণে নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘আমরা হামাসের প্রত্যেক নেতাকে হত্যা করব। তাই আমাদের গাজা উপত্যকায় অভিযান চালিয়ে যেতে হবে। লক্ষ্য অর্জিত হওয়ার আগে আমরা থামব না। আমরা সময় নেব। প্রয়োজনে কয়েক মাস কিংবা কয়েক বছর।’
সেদিনই ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল লাতরুনে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনীর একটি ইউনিট পরিদর্শনকালে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হামাসের ২৪টি ব্যাটালিয়নের মধ্যে ১৮টিই ধ্বংস করা হয়েছে। আর পরিপূর্ণ জয়ের কোনো বিকল্প নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘গাজায় আমাদের নিরাপত্তার শর্ত নিশ্চিত না করার আগ পর্যন্ত আমাদের লক্ষ্য অর্জিত হবে না এবং এর আগে আমরা যুদ্ধও থামাব না।’

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৮ ঘণ্টা আগে