
ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহতা ও তীব্রতার মুখে নানা সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে গাজার সবচেয়ে বড় হাসপাতালটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়াই আল-শিফা হাসপাতাল বন্ধ হওয়ার মূল কারণ। আর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, হাসপাতালটিতে জ্বালানি সরবরাহ করার প্রস্তাব দিয়েছিল ইসরায়েল। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস।
গাজার প্রধান ও সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল-শিফায় স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের একটি সামরিক ঘাঁটি আছে। ইসরায়েলের এমন অভিযোগ কি অসংখ্য অসুস্থ মানুষ এবং শিশুদের জীবনকে বিপন্ন করে তোলার জন্য যৌক্তিক ব্যাখ্যা কি না—গত রোববার এনবিসি নিউজে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলেন নেতানিয়াহু। জবাবে তিনি বলেন, হামাস যোদ্ধারা লুকিয়ে আছে হাসপাতালটিতে। তারা হাসপাতালের জন্য জ্বালানি চায় না। তারা এমন জ্বালানি চায় যেটা নিজেদের সুড়ঙ্গে নিয়ে যেতে পারবে।
নেতানিয়াহু বলেন, গত রাতে (শনিবার) আমরা হাসপাতাল চালানো এবং ইনকিউবেটরকে কার্যক্ষম রাখার জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কারণ, রোগী কিংবা বেসামরিকদের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ করছি না। কিন্তু তা ফিরিয়ে দিয়েছে হামাস।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলেছে যে, তারা গত রোববার আল-শিফা থেকে শিশুদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলেছেন, ভেতরে মানুষজন তখনো আটকা পড়ে ছিল। তিন নবজাতকের মৃত্যু হয়েছিল এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মৃত্যুঝুঁকির মুখে ছিল আরও কয়েক ডজন রোগী। আর, হাসপাতালের কাছেই চলছিল যুদ্ধ।
নেতানিয়াহুর মন্তব্যের বিষয়ে হামাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। আল-শিফা কিংবা গাজার অন্য কোনো হাসপাতালে সামরিক ঘাঁটি থাকার অভিযোগ আগেই অস্বীকার করেছিল হামাস।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানম ঘেব্রেইয়েসুস বলেছেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা আল-শিফা হাসপাতালে থাকা চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছে। তাঁরা জানিয়েছেন, হাসপাতালের আশপাশে ব্যাপক গোলাগুলি ও বোমাবর্ষণের ফলে আগে থেকেই ভয়াবহ হয়ে থাকা পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক পোস্টে বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে রোগীদের মারা যাওয়ার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আল-শিফা আর এখন কোনো হাসপাতাল হিসেবে কাজ করতে পারছে না।’ জায়গাটি স্রেফ আশ্রয়কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পোস্টে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান।
এদিকে, অবিলম্বে গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরবসহ মুসলিম দেশগুলো। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড আত্মরক্ষার্থে–এমন যুক্তি নাকচ করে দিয়ে গতকাল শনিবার রিয়াদ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়। আরব ও মুসলিম নেতাদের নিয়ে বিশেষ এই যৌথ শীর্ষ সম্মেলনে ফিলিস্তিন অঞ্চলে ইসরায়েলের সংঘটিত মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধ ও অপরাধের তদন্ত করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে আহ্বান জানানো হয়।

ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহতা ও তীব্রতার মুখে নানা সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে গাজার সবচেয়ে বড় হাসপাতালটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়াই আল-শিফা হাসপাতাল বন্ধ হওয়ার মূল কারণ। আর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, হাসপাতালটিতে জ্বালানি সরবরাহ করার প্রস্তাব দিয়েছিল ইসরায়েল। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস।
গাজার প্রধান ও সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল-শিফায় স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের একটি সামরিক ঘাঁটি আছে। ইসরায়েলের এমন অভিযোগ কি অসংখ্য অসুস্থ মানুষ এবং শিশুদের জীবনকে বিপন্ন করে তোলার জন্য যৌক্তিক ব্যাখ্যা কি না—গত রোববার এনবিসি নিউজে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলেন নেতানিয়াহু। জবাবে তিনি বলেন, হামাস যোদ্ধারা লুকিয়ে আছে হাসপাতালটিতে। তারা হাসপাতালের জন্য জ্বালানি চায় না। তারা এমন জ্বালানি চায় যেটা নিজেদের সুড়ঙ্গে নিয়ে যেতে পারবে।
নেতানিয়াহু বলেন, গত রাতে (শনিবার) আমরা হাসপাতাল চালানো এবং ইনকিউবেটরকে কার্যক্ষম রাখার জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কারণ, রোগী কিংবা বেসামরিকদের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ করছি না। কিন্তু তা ফিরিয়ে দিয়েছে হামাস।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলেছে যে, তারা গত রোববার আল-শিফা থেকে শিশুদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলেছেন, ভেতরে মানুষজন তখনো আটকা পড়ে ছিল। তিন নবজাতকের মৃত্যু হয়েছিল এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মৃত্যুঝুঁকির মুখে ছিল আরও কয়েক ডজন রোগী। আর, হাসপাতালের কাছেই চলছিল যুদ্ধ।
নেতানিয়াহুর মন্তব্যের বিষয়ে হামাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। আল-শিফা কিংবা গাজার অন্য কোনো হাসপাতালে সামরিক ঘাঁটি থাকার অভিযোগ আগেই অস্বীকার করেছিল হামাস।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানম ঘেব্রেইয়েসুস বলেছেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা আল-শিফা হাসপাতালে থাকা চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছে। তাঁরা জানিয়েছেন, হাসপাতালের আশপাশে ব্যাপক গোলাগুলি ও বোমাবর্ষণের ফলে আগে থেকেই ভয়াবহ হয়ে থাকা পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক পোস্টে বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে রোগীদের মারা যাওয়ার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আল-শিফা আর এখন কোনো হাসপাতাল হিসেবে কাজ করতে পারছে না।’ জায়গাটি স্রেফ আশ্রয়কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পোস্টে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান।
এদিকে, অবিলম্বে গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরবসহ মুসলিম দেশগুলো। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড আত্মরক্ষার্থে–এমন যুক্তি নাকচ করে দিয়ে গতকাল শনিবার রিয়াদ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়। আরব ও মুসলিম নেতাদের নিয়ে বিশেষ এই যৌথ শীর্ষ সম্মেলনে ফিলিস্তিন অঞ্চলে ইসরায়েলের সংঘটিত মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধ ও অপরাধের তদন্ত করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে আহ্বান জানানো হয়।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
৩৬ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে