আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজা ও ইসরায়েলের দুই প্রতিবেশী লেবানন ও সিরিয়ায় দেশটির সেনারা অনির্দিষ্টকাল অবস্থান করবে। এমনটাই জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। গতকাল বুধবার তিনি বলেছেন, গাজা, লেবানন ও সিরিয়ার তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ ইসরায়েলি সেনারা অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে। কেবল তাই নয়, তিনি বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী যেসব এলাকা দখল করেছে তা আর ছাড়বে না।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, এই মন্তব্য হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি নিয়ে আলোচনা আরও জটিল করে তুলতে পারে।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যার আগের ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২২ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এমনটাই জানিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে এক বছরও হয়নি এমন এক মেয়েও রয়েছে। আহত অবস্থায় মেয়েটির মা তার রক্তমাখা নীল পোশাক পরা মেয়ের দেহ জড়িয়ে ধরেছিলেন। পরে তাকে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
গত মাসে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি শেষ করার পর জিম্মিদের মুক্তির জন্য হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে নতুন করে অভিযান শুরু করে। ইসরায়েলি বাহিনী গাজার অর্ধেকেরও বেশি এলাকা দখল করে নিয়েছে। এ ছাড়া, গত বছর লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল লেবাননের কিছু এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে রাজি হয়নি। ডিসেম্বরে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে বিদ্রোহীরা ক্ষমতাচ্যুত করার পর ইসরায়েল দক্ষিণ সিরিয়ায় একটি বাফার জোন দখল করে নেয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘অতীতে যা ঘটত তার বিপরীতে (ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী) যেসব এলাকা খালি ও দখল করেছে, সেগুলো আর ছেড়ে দেবে না। গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় যেকোনো অস্থায়ী বা স্থায়ী পরিস্থিতিতে শত্রু ও (ইসরায়েলি) সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি বাফার হিসেবে সামরিক বাহিনী নিরাপত্তা অঞ্চলে থাকবে।’
ফিলিস্তিন, লেবানন ও সিরিয়া ইসরায়েলি সেনাদের এই উপস্থিতি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং সামরিক দখলদারিত্ব হিসেবে দেখে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, ইসরায়েলের অব্যাহত উপস্থিতির কারণে লেবাননের সেনাবাহিনী ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে হওয়া যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী পুরোপুরি মোতায়েন হতে পারছে না। এটি ‘বাধা’ সৃষ্টি করছে।
গতকাল বুধবারও দক্ষিণ লেবাননে দুটি ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। জাতিসংঘ বলেছে, নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৭০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
হামাস বলেছে, গাজা থেকে ইসরায়েলের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ছাড়া তারা বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেবে না। জিম্মি পরিবারের প্রধান সংগঠন এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘তারা (ইসরায়েল সরকার) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, জিম্মিরাই অগ্রাধিকার। বাস্তবে, ইসরায়েল জিম্মিদের আগে ভূখণ্ড দখল করতে চাইছে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘একটি সমাধানই কাম্য ও সম্ভব, আর তা হলো—একটি চুক্তির মাধ্যমে একসঙ্গে সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া, এমনকি যুদ্ধ শেষ করার বিনিময়েও।’
ইসরায়েল বলছে, হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে তাদের তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা জরুরি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অঞ্চলটিতে বিগত দেড় বছর ধরে ইসরায়েলি হামলায় ৫১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজা ও ইসরায়েলের দুই প্রতিবেশী লেবানন ও সিরিয়ায় দেশটির সেনারা অনির্দিষ্টকাল অবস্থান করবে। এমনটাই জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। গতকাল বুধবার তিনি বলেছেন, গাজা, লেবানন ও সিরিয়ার তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ ইসরায়েলি সেনারা অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে। কেবল তাই নয়, তিনি বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী যেসব এলাকা দখল করেছে তা আর ছাড়বে না।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, এই মন্তব্য হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি নিয়ে আলোচনা আরও জটিল করে তুলতে পারে।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যার আগের ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২২ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এমনটাই জানিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে এক বছরও হয়নি এমন এক মেয়েও রয়েছে। আহত অবস্থায় মেয়েটির মা তার রক্তমাখা নীল পোশাক পরা মেয়ের দেহ জড়িয়ে ধরেছিলেন। পরে তাকে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
গত মাসে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি শেষ করার পর জিম্মিদের মুক্তির জন্য হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে নতুন করে অভিযান শুরু করে। ইসরায়েলি বাহিনী গাজার অর্ধেকেরও বেশি এলাকা দখল করে নিয়েছে। এ ছাড়া, গত বছর লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল লেবাননের কিছু এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে রাজি হয়নি। ডিসেম্বরে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে বিদ্রোহীরা ক্ষমতাচ্যুত করার পর ইসরায়েল দক্ষিণ সিরিয়ায় একটি বাফার জোন দখল করে নেয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘অতীতে যা ঘটত তার বিপরীতে (ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী) যেসব এলাকা খালি ও দখল করেছে, সেগুলো আর ছেড়ে দেবে না। গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় যেকোনো অস্থায়ী বা স্থায়ী পরিস্থিতিতে শত্রু ও (ইসরায়েলি) সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি বাফার হিসেবে সামরিক বাহিনী নিরাপত্তা অঞ্চলে থাকবে।’
ফিলিস্তিন, লেবানন ও সিরিয়া ইসরায়েলি সেনাদের এই উপস্থিতি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং সামরিক দখলদারিত্ব হিসেবে দেখে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, ইসরায়েলের অব্যাহত উপস্থিতির কারণে লেবাননের সেনাবাহিনী ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে হওয়া যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী পুরোপুরি মোতায়েন হতে পারছে না। এটি ‘বাধা’ সৃষ্টি করছে।
গতকাল বুধবারও দক্ষিণ লেবাননে দুটি ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। জাতিসংঘ বলেছে, নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৭০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
হামাস বলেছে, গাজা থেকে ইসরায়েলের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ছাড়া তারা বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেবে না। জিম্মি পরিবারের প্রধান সংগঠন এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘তারা (ইসরায়েল সরকার) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, জিম্মিরাই অগ্রাধিকার। বাস্তবে, ইসরায়েল জিম্মিদের আগে ভূখণ্ড দখল করতে চাইছে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘একটি সমাধানই কাম্য ও সম্ভব, আর তা হলো—একটি চুক্তির মাধ্যমে একসঙ্গে সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া, এমনকি যুদ্ধ শেষ করার বিনিময়েও।’
ইসরায়েল বলছে, হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে তাদের তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা জরুরি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অঞ্চলটিতে বিগত দেড় বছর ধরে ইসরায়েলি হামলায় ৫১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ইরানে বিক্ষোভ আরও বড় আকার ধারণ করছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় বাড়ছে হতাহতের ঘটনা। এ পর্যন্ত ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলা থেকে গ্রেপ্তারের পর নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এক ভয়ংকর কারাগারে নেওয়া হয়েছে। শিগগির তাঁর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিচার শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। এদিকে মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি শপ
৬ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর পরিবারকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবার নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য প্রকাশিত অভিযোগপত্রে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো, তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস এবং ছেলে নিকোলাস এরনেস্তো মাদুরো গেরার বিরুদ্ধে মাদক পাচার, নার্কো-সন্ত্রাসবাদ এবং
৭ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে আটক করার পর দেশটি বর্তমানে কে পরিচালনা করছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। রোববার (৪ জানুয়ারি) এনবিসির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেস’-এ অংশ নিয়ে তিনি এই প্রশ্ন
৯ ঘণ্টা আগে