
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে অঞ্চলটির ৯০ শতাংশ মানুষই বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সেই হিসাবে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই নিজ নিজ বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ হয়েছে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থা ইউএন অফিস ফল কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্সের ফিলিস্তিন অঞ্চলের প্রধান আন্দ্রেয়া দে দোমিনিকো গতকাল বুধবার জানিয়েছেন, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে অন্তত ১৯ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
আন্দ্রেয়া দে দোমিনিকো বলেন, ‘আমাদের অনুমান, গাজা উপত্যকায় গত বছরের অক্টোবর থেকে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই অভ্যন্তরীণভাবে অন্তত একবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে।’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, অনেকে হয়তো এই সময়ের মধ্যে ১০ বারের বেশি বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আগে আমাদের অনুমান ছিল ১৭ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। কিন্তু আমরা রাফাহে (ইসরায়েলি অভিযান) অপারেশন দেখেছি, যার কারণে অতিরিক্ত মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এরপর আবারও আমরা উত্তরাঞ্চলে (ইসরায়েলি) অভিযান দেখেছি, যার ফলে আবারও কিছু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।’
আন্দ্রেয়া দে দোমিনিকো জানান, এ ধরনের সামরিক অভিযান স্থানীয়দের বারবার নিজ আশ্রয় ছেড়ে যেতে বাধ্য করছে। তিনি বলেন, ‘বাস্তুচ্যুতদের এই সংখ্যার পেছনে এমন সব মানুষ আছে যারা ভীত, যাদের অভিযোগ আছে জীবন নিয়ে এবং তাদের সম্ভবত স্বপ্ন ও আশা ছিল। দুর্ভাগ্যবশত, আমি আজ ভয় পাই যে, তাদের সেসব আশা ও স্বপ্ন ভেঙে গেছে। গত ৯ মাস ধরে তারা দাবার বোড়ের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে।’

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে অঞ্চলটির ৯০ শতাংশ মানুষই বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সেই হিসাবে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই নিজ নিজ বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ হয়েছে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থা ইউএন অফিস ফল কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্সের ফিলিস্তিন অঞ্চলের প্রধান আন্দ্রেয়া দে দোমিনিকো গতকাল বুধবার জানিয়েছেন, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে অন্তত ১৯ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
আন্দ্রেয়া দে দোমিনিকো বলেন, ‘আমাদের অনুমান, গাজা উপত্যকায় গত বছরের অক্টোবর থেকে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই অভ্যন্তরীণভাবে অন্তত একবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে।’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, অনেকে হয়তো এই সময়ের মধ্যে ১০ বারের বেশি বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আগে আমাদের অনুমান ছিল ১৭ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। কিন্তু আমরা রাফাহে (ইসরায়েলি অভিযান) অপারেশন দেখেছি, যার কারণে অতিরিক্ত মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এরপর আবারও আমরা উত্তরাঞ্চলে (ইসরায়েলি) অভিযান দেখেছি, যার ফলে আবারও কিছু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।’
আন্দ্রেয়া দে দোমিনিকো জানান, এ ধরনের সামরিক অভিযান স্থানীয়দের বারবার নিজ আশ্রয় ছেড়ে যেতে বাধ্য করছে। তিনি বলেন, ‘বাস্তুচ্যুতদের এই সংখ্যার পেছনে এমন সব মানুষ আছে যারা ভীত, যাদের অভিযোগ আছে জীবন নিয়ে এবং তাদের সম্ভবত স্বপ্ন ও আশা ছিল। দুর্ভাগ্যবশত, আমি আজ ভয় পাই যে, তাদের সেসব আশা ও স্বপ্ন ভেঙে গেছে। গত ৯ মাস ধরে তারা দাবার বোড়ের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে।’

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৩ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৬ ঘণ্টা আগে