
ঢাকা: অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার সীমান্ত এলাকায় উভয় পক্ষ আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দিবাগত রাত ২টা থেকে যুদ্ধবিরতিতে যাচ্ছে বলে হামাসের এক নেতা জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মিসরের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। হামাসের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির সময় উল্লেখ করা হলেও ইসরায়েল পক্ষ এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।
ইসরায়েলের পক্স থেকে জানানো হয়েছে, দেশটির নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রিসভা বৈঠকে হওয়া ভোটে মধ্যস্থতাকারী মিসরের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব বিনা শর্তে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। তবে এই যুদ্ধবিরতি কখন থেকে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
একটানা ১১ দিন ভয়াবহ সংঘাতের পর দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও এটি কার্যকরের সময় নিয়ে এখনো একটি অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধবিরতি উভয় পক্ষ সমঝোতার ভিত্তিতে একসঙ্গে করবে।
ফিলিস্তিন ইস্যু বহু বছর ধরেই গোটা বিশ্বে বড় সমস্যা হয়ে থাকলেও গত বেশ কয়েক বছরের মধ্যে অঞ্চলটিতে এমন সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি। গত ১০ মে অধিকৃত পূর্ব জেরুসালেমে কয়েকটি ফিলিস্তিনি পরিবারকে উচ্ছেদের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে মসজিদ আল আকসায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ফিলিস্তিনি নাগরিক ও ইসরায়েলের পুলিশ। আল আকসা থেকে পুলিশ প্রত্যাহারের আলটিমেটাম দেয় হামাস। তাতে সাড়া না দেওয়ায় হামাসের পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে রকেট ছোড়া হলে গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল।
গাজায় ইসরায়েলের করা হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৫ শিশু ও ৩৯ নারীসহ ২৩২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজা কর্তৃপক্ষ। হামলায় ১ হাজার ৯০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে। অবশ্য ইসরায়েল বলছে, তারা ১৬০ জনকে হত্যা করেছে।
ইসরায়লের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাদের হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত ১৬০ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তবে হামাসের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। এদিকে হামাসের রকেট হামলায় ইসরায়েলের এ পর্যন্ত ১২ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। হামাসের ছোড়া রকেটে অঞ্চলটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বহু লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানায় অঞ্চলটির কর্তৃপক্ষ।
গত ১০ মে এই সংঘাত শুরুর পর থেকেই বিশ্ব নেতৃবৃন্দ উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা উভয় পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকও ডাকে জাতিসংঘ। শুরু থেকেই উভয় পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসে মিসর, কাতার ও জাতিসংঘ। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। বিশেষ দূত পাঠানোর পরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে উত্তেজনা প্রশ্নের আহ্বান জানালে আশা দেখা দেয়। বৃহস্পতিবার গাজা পরিস্থিতি নিয়ে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে আলোচনা করেন বাইডেন। পরে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে আশা প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা: অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার সীমান্ত এলাকায় উভয় পক্ষ আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দিবাগত রাত ২টা থেকে যুদ্ধবিরতিতে যাচ্ছে বলে হামাসের এক নেতা জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মিসরের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। হামাসের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির সময় উল্লেখ করা হলেও ইসরায়েল পক্ষ এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।
ইসরায়েলের পক্স থেকে জানানো হয়েছে, দেশটির নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রিসভা বৈঠকে হওয়া ভোটে মধ্যস্থতাকারী মিসরের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব বিনা শর্তে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। তবে এই যুদ্ধবিরতি কখন থেকে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
একটানা ১১ দিন ভয়াবহ সংঘাতের পর দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও এটি কার্যকরের সময় নিয়ে এখনো একটি অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধবিরতি উভয় পক্ষ সমঝোতার ভিত্তিতে একসঙ্গে করবে।
ফিলিস্তিন ইস্যু বহু বছর ধরেই গোটা বিশ্বে বড় সমস্যা হয়ে থাকলেও গত বেশ কয়েক বছরের মধ্যে অঞ্চলটিতে এমন সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি। গত ১০ মে অধিকৃত পূর্ব জেরুসালেমে কয়েকটি ফিলিস্তিনি পরিবারকে উচ্ছেদের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে মসজিদ আল আকসায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ফিলিস্তিনি নাগরিক ও ইসরায়েলের পুলিশ। আল আকসা থেকে পুলিশ প্রত্যাহারের আলটিমেটাম দেয় হামাস। তাতে সাড়া না দেওয়ায় হামাসের পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে রকেট ছোড়া হলে গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল।
গাজায় ইসরায়েলের করা হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৫ শিশু ও ৩৯ নারীসহ ২৩২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজা কর্তৃপক্ষ। হামলায় ১ হাজার ৯০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে। অবশ্য ইসরায়েল বলছে, তারা ১৬০ জনকে হত্যা করেছে।
ইসরায়লের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাদের হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত ১৬০ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তবে হামাসের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। এদিকে হামাসের রকেট হামলায় ইসরায়েলের এ পর্যন্ত ১২ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। হামাসের ছোড়া রকেটে অঞ্চলটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বহু লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানায় অঞ্চলটির কর্তৃপক্ষ।
গত ১০ মে এই সংঘাত শুরুর পর থেকেই বিশ্ব নেতৃবৃন্দ উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা উভয় পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকও ডাকে জাতিসংঘ। শুরু থেকেই উভয় পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসে মিসর, কাতার ও জাতিসংঘ। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। বিশেষ দূত পাঠানোর পরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে উত্তেজনা প্রশ্নের আহ্বান জানালে আশা দেখা দেয়। বৃহস্পতিবার গাজা পরিস্থিতি নিয়ে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে আলোচনা করেন বাইডেন। পরে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে আশা প্রকাশ করা হয়।

সিরীয় সরকার এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে এসডিএফ তাদের বাহিনীকে ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর পশ্চিম তীরবর্তী এলাকাগুলো থেকে প্রত্যাহার করে নেবে। গতকাল রোববার এই চুক্তি হয়।
১ ঘণ্টা আগে
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুটি উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৩০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
২ ঘণ্টা আগে
মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১০ ঘণ্টা আগে