
গাজায় যুদ্ধবিরতি হলেও হামলা বাড়ছে ফিলিস্তিনের অপর অংশ পশ্চিম তীরে। এর মধ্যেই গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনার দ্বিতীয় ধাপ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের চলমান ‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’-এর অংশ হিসেবে অঞ্চলটির হাজার হাজার মানুষকে তাদের পিতৃপুরুষের ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ইসরায়েলি বাহিনীর এই অভিযানে প্রায় ৩৫ হাজার ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জেনিন, তুলকারাম, নুর শামস, তুবাস, ফারা’আ, তামুনসহ বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশ্রয়শিবিরগুলো থেকেও বিতাড়িত করা হচ্ছে ফিলিস্তিনিদের।
এদিকে গাজা উপত্যকায়ও যুদ্ধ শেষ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নিয়ে আলাপকালে তিনি বলেন, এই যুদ্ধবিরতি একটি অস্থায়ী পদক্ষেপ এবং এর মেয়াদ কখন শেষ হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে তেল আবিব।
যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাওয়ায় সেটি বিলম্বিত হয়। তাঁর ওই সফরের পরই ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে মিসর ও জর্ডানে পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানান ট্রাম্প।
এদিকে ট্রাম্পের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখলের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন রুশ প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘যদি আমরা একটি সুসংগত কর্মপরিকল্পনার কথা বলি, তাহলে বিস্তারিত জানার জন্য অপেক্ষা করা উচিত। আমরা গাজায় বসবাসকারী প্রায় ১২ লাখ ফিলিস্তিনিদের কথা বলছি। এরা সেই সব লোক, যাদেরকে নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য সমস্যার দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এই ধরনের অনেক প্রশ্ন রয়েছে। তবে আমরা এখনো পরিকল্পনার বিস্তারিত জানি না, তাই আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে।’
রাশিয়া বা অন্য দেশগুলো যাই বলুক, হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের উপস্থিতি দৃশ্যত ইসরায়েলের জন্য স্বস্তির। বিবিসির খবরে বলা হয়, ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যে সন্তুষ্ট, সে ব্যাপারে তাঁর কোনো লুকোছাপা নেই। তিনি প্রকাশ্যেই ট্রাম্পকে বলেছেন, ‘হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্ধু আপনি।’ যুদ্ধবিরতির চুক্তির মধ্য দিয়ে ইসরায়েলি জিম্মিদের বাড়ি ফেরার পথ সুগম করায় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নেতানিয়াহু বলেন, ‘বাইডেন প্রশাসনের অধীনে যেসব অস্ত্র আটকে ছিল, ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর সেগুলোর সরবরাহ পুনরায় চালু করেছেন। তিনি নির্দিষ্ট কিছু ইহুদি বসতির ওপর আরোপিত “অন্যায় নিষেধাজ্ঞা” প্রত্যাহার করেছেন। এ ছাড়া, জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএকে আর মার্কিন তহবিল না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সবকিছু মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে হয়েছে। আপনারা ভাবতে পারছেন, চার বছরে আমরা কোথায় থাকব? আমি পারছি।’
নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসরায়েল যুদ্ধ জয় করেই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটাবে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও হবে একটি বিজয়।’ এখন দৃশ্যত ট্রাম্প প্রশাসনের নিরঙ্কুশ সমর্থন নিয়ে গাজার পর এবার পশ্চিম তীরে তাণ্ডব শুরু করেছে ইসরায়েল।

গাজায় যুদ্ধবিরতি হলেও হামলা বাড়ছে ফিলিস্তিনের অপর অংশ পশ্চিম তীরে। এর মধ্যেই গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনার দ্বিতীয় ধাপ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের চলমান ‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’-এর অংশ হিসেবে অঞ্চলটির হাজার হাজার মানুষকে তাদের পিতৃপুরুষের ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ইসরায়েলি বাহিনীর এই অভিযানে প্রায় ৩৫ হাজার ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জেনিন, তুলকারাম, নুর শামস, তুবাস, ফারা’আ, তামুনসহ বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশ্রয়শিবিরগুলো থেকেও বিতাড়িত করা হচ্ছে ফিলিস্তিনিদের।
এদিকে গাজা উপত্যকায়ও যুদ্ধ শেষ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নিয়ে আলাপকালে তিনি বলেন, এই যুদ্ধবিরতি একটি অস্থায়ী পদক্ষেপ এবং এর মেয়াদ কখন শেষ হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে তেল আবিব।
যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাওয়ায় সেটি বিলম্বিত হয়। তাঁর ওই সফরের পরই ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে মিসর ও জর্ডানে পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানান ট্রাম্প।
এদিকে ট্রাম্পের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখলের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন রুশ প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘যদি আমরা একটি সুসংগত কর্মপরিকল্পনার কথা বলি, তাহলে বিস্তারিত জানার জন্য অপেক্ষা করা উচিত। আমরা গাজায় বসবাসকারী প্রায় ১২ লাখ ফিলিস্তিনিদের কথা বলছি। এরা সেই সব লোক, যাদেরকে নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য সমস্যার দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এই ধরনের অনেক প্রশ্ন রয়েছে। তবে আমরা এখনো পরিকল্পনার বিস্তারিত জানি না, তাই আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে।’
রাশিয়া বা অন্য দেশগুলো যাই বলুক, হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের উপস্থিতি দৃশ্যত ইসরায়েলের জন্য স্বস্তির। বিবিসির খবরে বলা হয়, ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যে সন্তুষ্ট, সে ব্যাপারে তাঁর কোনো লুকোছাপা নেই। তিনি প্রকাশ্যেই ট্রাম্পকে বলেছেন, ‘হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্ধু আপনি।’ যুদ্ধবিরতির চুক্তির মধ্য দিয়ে ইসরায়েলি জিম্মিদের বাড়ি ফেরার পথ সুগম করায় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নেতানিয়াহু বলেন, ‘বাইডেন প্রশাসনের অধীনে যেসব অস্ত্র আটকে ছিল, ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর সেগুলোর সরবরাহ পুনরায় চালু করেছেন। তিনি নির্দিষ্ট কিছু ইহুদি বসতির ওপর আরোপিত “অন্যায় নিষেধাজ্ঞা” প্রত্যাহার করেছেন। এ ছাড়া, জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএকে আর মার্কিন তহবিল না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সবকিছু মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে হয়েছে। আপনারা ভাবতে পারছেন, চার বছরে আমরা কোথায় থাকব? আমি পারছি।’
নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসরায়েল যুদ্ধ জয় করেই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটাবে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও হবে একটি বিজয়।’ এখন দৃশ্যত ট্রাম্প প্রশাসনের নিরঙ্কুশ সমর্থন নিয়ে গাজার পর এবার পশ্চিম তীরে তাণ্ডব শুরু করেছে ইসরায়েল।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে