
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের পতন হয়েছে। পতন হয়েছে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকারের। আল-আসাদ একটি উড়োজাহাজে করে দামেস্ক ছেড়ে অজানা গন্তব্যে চলে গেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এর মধ্য দিয়ে, সিরিয়ায় আল-আসাদ পরিবারের প্রায় ৫৪ বছরের শাসনের অবসান হয়েছে।
সিরিয়ানরা বলেছেন, আল-আসাদের পতনের মধ্য দিয়ে ২০১১ সালে আরব বসন্তের সময় মানুষ যে স্বপ্ন দেখেছিল তা পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। রাজধানী দামেস্কের পতনের পর মানুষ রাস্তায় নেমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। অনেকে বাশার আল-আসাদের ছবি ছিঁড়ে ফেলছেন, তাঁর বাবা হাফিজ আল-আসাদের মূর্তি ভেঙে ফেলেছেন। মানুষ যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দামেস্কের বাসিন্দারা এখনো গত কয়েক ঘণ্টায় দেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো বুঝে ওঠার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় একজন বিবিসিকে বলেন, ‘প্রথমবারের মতো, প্রকৃত স্বাধীনতার অনুভূতি এসেছে আমাদের জীবনে।’ তিনি বলেন, ‘এটি এমন এক অনুভূতি যা আমরা আগে কখনো পাইনি এবং এটি আমাদের অবাক করছে।’
দামেস্কের ওই বাসিন্দা আরও বলেন, ‘রাস্তাগুলোতে চলছে মানুষের উদ্যাপন, তিল ধারণের ঠাঁই নেই। কেন্দ্রীয় উমাইয়া স্কয়ারে মানুষ খুবই শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপন করছে। তারা আতশবাজি ফুটাচ্ছে। হ্যাঁ, আমরা কিছু বন্দুকের গুলির শব্দও শুনছি, কিন্তু বেশির ভাগই আতশবাজি।’
আজ থেকে ১৩ বছর আগে, ২০১১ সালে সিরিয়ায় যে স্বপ্ন নিয়ে আরব বসন্ত শুরু হয়েছিল সেই ঘটনার স্মৃতিচারণে ফিরে যান দামেস্কের ওই বাসিন্দা। তিনি বলেন, ‘আজ আমরা যেটা অনুভব করছি, তা সত্যিই ২০১১ সালে বিপ্লব শুরু হওয়ার সময়কার অনুভূতির মতো। এটি সেই স্বপ্নেরই একটি ধারাবাহিকতা, যা ওই বছর শুরু হয়েছিল।’
২০১১ সালের মার্চে আসাদ বিরোধী ব্যাপক গণবিক্ষোভের মধ্য দিয়ে সিরিয়াতে অস্থিতিশীলতার শুরু। এরপর সেখানে যুক্ত হয়েছে সশস্ত্র একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী। পরবর্তীতে সেসব বিদ্রোহ কঠোর হস্তে দমন করে রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন আসাদ।
কেবল তাই নয়, ১৩ বছর আগে আরব বসন্তের সময় সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ এখন পর্যন্ত পাঁচ লাখেরও বেশি সিরিয়ান নিহত হয়েছে এবং লাখ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। এই সংঘর্ষে দেশীয় বিরোধী গোষ্ঠী, চরমপন্থী গোষ্ঠী এবং যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, ইরান ও রাশিয়াসহ আন্তর্জাতিক শক্তি জড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বাশার আল-আসাদের মিত্ররা তাঁকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
সিরিয়া এখনো একটি বিভক্ত দেশ, বছরের পর বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের গভীর ক্ষত এখনো দগদগে। গত চার বছর ধরে যে অচলাবস্থা এবং স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছিল, তা মাত্র দেড় সপ্তাহ আগে পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। বিদ্রোহীরা হঠাৎ করেই কঠোর আঘাত করেছে, ফলে আসাদ বাহিনী প্রতিঘাত বা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। আসাদ আরব নেতাদের মধ্যে একঘরে থাকার অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। তবে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে সিরিয়ার জনগণের জন্য একটি কার্যকর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার কোনো অগ্রগতি হয়নি।

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের পতন হয়েছে। পতন হয়েছে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকারের। আল-আসাদ একটি উড়োজাহাজে করে দামেস্ক ছেড়ে অজানা গন্তব্যে চলে গেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এর মধ্য দিয়ে, সিরিয়ায় আল-আসাদ পরিবারের প্রায় ৫৪ বছরের শাসনের অবসান হয়েছে।
সিরিয়ানরা বলেছেন, আল-আসাদের পতনের মধ্য দিয়ে ২০১১ সালে আরব বসন্তের সময় মানুষ যে স্বপ্ন দেখেছিল তা পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। রাজধানী দামেস্কের পতনের পর মানুষ রাস্তায় নেমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। অনেকে বাশার আল-আসাদের ছবি ছিঁড়ে ফেলছেন, তাঁর বাবা হাফিজ আল-আসাদের মূর্তি ভেঙে ফেলেছেন। মানুষ যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দামেস্কের বাসিন্দারা এখনো গত কয়েক ঘণ্টায় দেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো বুঝে ওঠার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় একজন বিবিসিকে বলেন, ‘প্রথমবারের মতো, প্রকৃত স্বাধীনতার অনুভূতি এসেছে আমাদের জীবনে।’ তিনি বলেন, ‘এটি এমন এক অনুভূতি যা আমরা আগে কখনো পাইনি এবং এটি আমাদের অবাক করছে।’
দামেস্কের ওই বাসিন্দা আরও বলেন, ‘রাস্তাগুলোতে চলছে মানুষের উদ্যাপন, তিল ধারণের ঠাঁই নেই। কেন্দ্রীয় উমাইয়া স্কয়ারে মানুষ খুবই শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপন করছে। তারা আতশবাজি ফুটাচ্ছে। হ্যাঁ, আমরা কিছু বন্দুকের গুলির শব্দও শুনছি, কিন্তু বেশির ভাগই আতশবাজি।’
আজ থেকে ১৩ বছর আগে, ২০১১ সালে সিরিয়ায় যে স্বপ্ন নিয়ে আরব বসন্ত শুরু হয়েছিল সেই ঘটনার স্মৃতিচারণে ফিরে যান দামেস্কের ওই বাসিন্দা। তিনি বলেন, ‘আজ আমরা যেটা অনুভব করছি, তা সত্যিই ২০১১ সালে বিপ্লব শুরু হওয়ার সময়কার অনুভূতির মতো। এটি সেই স্বপ্নেরই একটি ধারাবাহিকতা, যা ওই বছর শুরু হয়েছিল।’
২০১১ সালের মার্চে আসাদ বিরোধী ব্যাপক গণবিক্ষোভের মধ্য দিয়ে সিরিয়াতে অস্থিতিশীলতার শুরু। এরপর সেখানে যুক্ত হয়েছে সশস্ত্র একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী। পরবর্তীতে সেসব বিদ্রোহ কঠোর হস্তে দমন করে রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন আসাদ।
কেবল তাই নয়, ১৩ বছর আগে আরব বসন্তের সময় সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ এখন পর্যন্ত পাঁচ লাখেরও বেশি সিরিয়ান নিহত হয়েছে এবং লাখ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। এই সংঘর্ষে দেশীয় বিরোধী গোষ্ঠী, চরমপন্থী গোষ্ঠী এবং যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, ইরান ও রাশিয়াসহ আন্তর্জাতিক শক্তি জড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বাশার আল-আসাদের মিত্ররা তাঁকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
সিরিয়া এখনো একটি বিভক্ত দেশ, বছরের পর বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের গভীর ক্ষত এখনো দগদগে। গত চার বছর ধরে যে অচলাবস্থা এবং স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছিল, তা মাত্র দেড় সপ্তাহ আগে পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। বিদ্রোহীরা হঠাৎ করেই কঠোর আঘাত করেছে, ফলে আসাদ বাহিনী প্রতিঘাত বা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। আসাদ আরব নেতাদের মধ্যে একঘরে থাকার অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। তবে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে সিরিয়ার জনগণের জন্য একটি কার্যকর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার কোনো অগ্রগতি হয়নি।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৪ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৭ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৭ ঘণ্টা আগে