
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর পেরিয়ে গেছে চার মাস। এই দীর্ঘ সময়ে দেশটির সবচেয়ে বড় মিত্র ও মদদদাতা যুক্তরাষ্ট্র কখনোই দেশটিকে কড়াভাবে কিছু বলেনি। বরং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ইসরায়েলকে রক্ষার চেষ্টা করেছে। কিন্তু সর্বশেষ গতকাল বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ইসরায়েলকে কড়া ধমক দিয়েছেন।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল বুধবার তেল আবিবে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ৭ অক্টোবর হামাস যা করেছে, সেটাকে ‘অন্যদের অমানবিক পরিস্থিতিতে’ ঠেলে দেওয়ার লাইসেন্স হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ ইসরায়েলের নেই।
ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলিদের সঙ্গে সবচেয়ে ভয়ংকর উপায়ে অমানবিক আচরণ করা হয়েছিল। সেদিনের পর থেকে (হামাসের হাতে বন্দী) জিম্মিরা প্রতিদিন অমানবিক আচরণের শিকার হয়েছে। তবে এটি কখনোই অন্যদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করার লাইসেন্স হতে পারে না।’
ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো ব্লিঙ্কেনের এই মন্তব্যকে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কড়া ধমক বলেই উল্লেখ করেছে। ব্লিঙ্কেনের বক্তব্যের মধ্যে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় বেসামরিক হতাহত ও যুদ্ধের সময় সেখানকার মানবেতর পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের প্রতি হোয়াইট হাউসের অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। বুধবার ব্লিঙ্কেনের দেওয়া বক্তব্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর।
ব্লিঙ্কেন গতকালের সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেছেন, ‘গত ৭ অক্টোবরের হামলার সঙ্গে গাজার সিংহভাগ মানুষের কোনো সম্পর্ক নেই। গাজার অনেক পরিবারের বেঁচে থাকা নির্ভর করে ইসরায়েলি সহায়তার ওপর। তারাও তো আমাদেরই পরিবারের মতো। তারাও আমাদের মা, বাবা, ছেলে ও মেয়ের মতো। যারা ভালো জীবিকা অর্জন করতে চায়, বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে চায় এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চায়। তাদের প্রকৃত পরিচয়ই এটা।’
এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, অঞ্চলটিতে হামাসের বিরুদ্ধে বিজয়ের অতি সন্নিকটে তাঁর দেশ। গাজায় ইসরায়েলের একমাত্র লক্ষ্য হলো চূড়ান্ত বিজয়। তবে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনার পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতার। এ অবস্থায় গাজার ভবিষ্যৎ আবারও সংশয়ে পড়ে গেছে।
ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা পরিপূর্ণ বিজয়ের পথে আছি। বিজয় আমাদের হাতের নাগালেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিজয় থেকে মাত্র কয়েক মাস দূরে। কেবল পরিপূর্ণ বিজয়ই আমাদের ইসরায়েলের উত্তর ও দক্ষিণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুযোগ দেবে।’
নেতানিয়াহু এ সময় হামাস প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতিকে ‘ভ্রমপূর্ণ’ বলে আখ্যা দেন। সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু হামাসকে সমূলে ধ্বংস করার প্রতিজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, হামাসকে পুরোপুরি ধ্বংস করা ছাড়া ইসরায়েলের সামনে আর কোনো পথ নেই। তিনি আরও বলেন, ‘এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দিনের পর দিন হামাসের পেছনে লেগে থাকতে হবে। এখন প্রতিটি দিনই সফলতার দিন।’

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর পেরিয়ে গেছে চার মাস। এই দীর্ঘ সময়ে দেশটির সবচেয়ে বড় মিত্র ও মদদদাতা যুক্তরাষ্ট্র কখনোই দেশটিকে কড়াভাবে কিছু বলেনি। বরং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ইসরায়েলকে রক্ষার চেষ্টা করেছে। কিন্তু সর্বশেষ গতকাল বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ইসরায়েলকে কড়া ধমক দিয়েছেন।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল বুধবার তেল আবিবে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ৭ অক্টোবর হামাস যা করেছে, সেটাকে ‘অন্যদের অমানবিক পরিস্থিতিতে’ ঠেলে দেওয়ার লাইসেন্স হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ ইসরায়েলের নেই।
ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলিদের সঙ্গে সবচেয়ে ভয়ংকর উপায়ে অমানবিক আচরণ করা হয়েছিল। সেদিনের পর থেকে (হামাসের হাতে বন্দী) জিম্মিরা প্রতিদিন অমানবিক আচরণের শিকার হয়েছে। তবে এটি কখনোই অন্যদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করার লাইসেন্স হতে পারে না।’
ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো ব্লিঙ্কেনের এই মন্তব্যকে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কড়া ধমক বলেই উল্লেখ করেছে। ব্লিঙ্কেনের বক্তব্যের মধ্যে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় বেসামরিক হতাহত ও যুদ্ধের সময় সেখানকার মানবেতর পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের প্রতি হোয়াইট হাউসের অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। বুধবার ব্লিঙ্কেনের দেওয়া বক্তব্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর।
ব্লিঙ্কেন গতকালের সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেছেন, ‘গত ৭ অক্টোবরের হামলার সঙ্গে গাজার সিংহভাগ মানুষের কোনো সম্পর্ক নেই। গাজার অনেক পরিবারের বেঁচে থাকা নির্ভর করে ইসরায়েলি সহায়তার ওপর। তারাও তো আমাদেরই পরিবারের মতো। তারাও আমাদের মা, বাবা, ছেলে ও মেয়ের মতো। যারা ভালো জীবিকা অর্জন করতে চায়, বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে চায় এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চায়। তাদের প্রকৃত পরিচয়ই এটা।’
এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, অঞ্চলটিতে হামাসের বিরুদ্ধে বিজয়ের অতি সন্নিকটে তাঁর দেশ। গাজায় ইসরায়েলের একমাত্র লক্ষ্য হলো চূড়ান্ত বিজয়। তবে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনার পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতার। এ অবস্থায় গাজার ভবিষ্যৎ আবারও সংশয়ে পড়ে গেছে।
ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা পরিপূর্ণ বিজয়ের পথে আছি। বিজয় আমাদের হাতের নাগালেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিজয় থেকে মাত্র কয়েক মাস দূরে। কেবল পরিপূর্ণ বিজয়ই আমাদের ইসরায়েলের উত্তর ও দক্ষিণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুযোগ দেবে।’
নেতানিয়াহু এ সময় হামাস প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতিকে ‘ভ্রমপূর্ণ’ বলে আখ্যা দেন। সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু হামাসকে সমূলে ধ্বংস করার প্রতিজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, হামাসকে পুরোপুরি ধ্বংস করা ছাড়া ইসরায়েলের সামনে আর কোনো পথ নেই। তিনি আরও বলেন, ‘এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দিনের পর দিন হামাসের পেছনে লেগে থাকতে হবে। এখন প্রতিটি দিনই সফলতার দিন।’

যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়তে যাচ্ছে রাইড শেয়ার কোম্পানি উবার। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে চলতি সপ্তাহে শুরু হচ্ছে একটি যৌন নিপীড়ন মামলার শুনানি, যেখানে উবারের মাধ্যমে বুক করা গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক নারী।
১ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভে একাধিক ‘সহিংস দাঙ্গায়’ বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির পর স্থানীয় সময় রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। নিহত ইরানিদের স্মরণে প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভা শোক পালন করছে বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের দপ্তর।
২ ঘণ্টা আগে
চীনা কিছু অনলাইন ব্যবহারকারী তাইওয়ানের নেতাদের ভেনেজুয়েলা ধাঁচের বজ্রগতির অভিযান চালিয়ে ধরে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে বিশ্লেষক, গবেষক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলছেন—চীনের আধুনিকায়ন পথে সেনাবাহিনী এখনো সে পর্যায়ে প্রস্তুত নয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রোববার বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বলতে ডেনমার্কের হাতে আছে মাত্র ‘দুটি কুকুরের স্লেজ।’ ইউরোপীয় ন্যাটো সদস্য দেশটির কাছ থেকে দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব কেড়ে নেওয়ার আলোচনার মধ্যেই এই মন্তব্য করলেন তিনি। খবর মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের।
৩ ঘণ্টা আগে